খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ির প্রবেশমুখ থেকে ফিরে যাচ্ছে শত শত পোশাক শ্রমিক ॥ পুলিশের লাঠিচার্জে আহত বেশ কয়েকজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২০, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
খাগড়াছড়ির প্রবেশমুখ থেকে ফিরে যাচ্ছে শত শত পোশাক শ্রমিক ॥ পুলিশের লাঠিচার্জে আহত বেশ কয়েকজন

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি॥ করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ প্রতিরোধে খাগড়াছড়ি জেলায় জরুরী সেবা প্রতিষ্ঠানের পরিবহন ও ব্যক্তি ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না স্থানীয় প্রশাসন। তাদের মধ্যে বেশীরভাগই পোষাক শ্রমিক। প্রশাসনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তাদের ফিরে যেতে বলা হলে একপর্যায়ে মানিকছড়ির নয়াবাজার এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উত্তেজিত জনগণকে শান্ত করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে দুইজন আহত হয়েছে।

আহতরা হলো, খাগড়াছড়ির মহালছড়ির মুবাছড়ি ইউনিয়নের সুমিতা দেওয়ান এবং আরেকজনের নাম জানা যায়নি।

মানবিক দিক বিবেচনায় হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার শর্তে এতোদিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় চট্টগ্রাম, ঢাকা, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন শিল্পনগরীতে কর্মরত শ্রমিকদের জেলায় প্রবেশে প্রশাসন অনুমতি দিলেও এসব শর্ত না মানায় গত বুধবার থেকে জেলায় প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির জরুরী সভা থেকে কোন শর্তে খাগড়াছড়ি জেলায় কাউকে প্রবেশ করতে না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তারপরও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলার প্রবেশ পথ মানিকছড়ি উপজেলার নয়াবাজার ও রামগড় উপজেলার সোনাইপুলে জড়ো হতে থাকা শত শত মানুষ।

প্রত্যক্ষদর্শী তন্টু চাকমা জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে কারখানা বন্ধ দেয়ায় বেতন ভাতা না পেয়ে চট্টগ্রাম হয়ে বাধ্য হয়ে গ্রামের বাড়ি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি যাওয়ার জন্য তারা সকালে মানিকছড়ি আসে। এ সময় তারা পুলিশকে অনুরোধ করার পরও তাদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। একপর্যায়ে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে তাদের সরিয়ে দেয়। এ সময় তারা দুইজনকে আহত অবস্থায় পায়। চট্টগ্রামে শিল্প কারখানায় কাজ করতো তারা, দুইজনেরই মাথায় আঘাত রয়েছে। তাদের চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিবিরহাট বাজারে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।

তবে খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ জানান, পুলিশ কাউকে লাঠিচার্জ করেনি। সকাল থেকে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নয়াবাজার চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা কেউকে ঢুকতে দেয়নি। এ সময় কিছু লোকজন পুলিশের ওপর উত্তেজিত হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে উস্কানীমূলক মন্তব্য ও অঙ্গভঙ্গি করলেও মানবিক কারণে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে ফিরে যেতে অনুরোধ করে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যারা খাগড়াছড়িতে প্রবেশ করতে চাচ্ছে তারা কেউ আমাদের শত্রু নয়। পরিস্থিতির কারণে জেলায় প্রবেশ ও বের হতে নিষেধ করা হচ্ছে। এ কারণে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। আর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যদি বাহির থেকে আগতদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারতো তাহলে কোন সমস্যা ছিলনা। কিন্তু কেউ হোম কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি মানছেন না। তাই সাত লক্ষ জেলাবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে জেলা করোনা মোকাবিলা কমিটির যৌথতার ভিত্তিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। এখান থেকে সরে আসার কোন সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে সাধারণ ছুটি চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে খাগড়াছড়িতে আসা ২০৯ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তাদের বেশীর ভাগই বিভিন্ন পোষাকশিল্প কারখানার শ্রমিক। এখন পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলা থেকে ২৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যাদের ২৩ জনের রিপোর্টে করোনা শনাক্ত হয়নি। বাকী ৩ জনের রিপোর্ট এখনও স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে আসেনি।

২৪ঘণ্টা/এম.আর/প্রদীপ

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…