খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সন্তানের খাবার কিনতে মায়ের মাথার চুল বিক্রি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
সন্তানের খাবার কিনতে মায়ের মাথার চুল বিক্রি

সাভারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: এনামুর রহমানের এলাকায় শিশুর খাবার কিনতে এক মা তার মাথার চুল বিক্রি করে দিয়েছেন। এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারী মোজাফফর হোসাইন জয় পোস্ট করার পর আলোচনার সৃষ্টি হয়। মুহূর্তেই পোস্টটি ভাইরাল হয়।

জানা যায়, চুল বিক্রি করার আগে কত টাকা হবে জানতে চাইলে হকার জানায় ৩ থেকে চার’শ টাকা হবে। কিন্তু চুল কেটে দেওয়ার পর তার হাতে মাত্র ১৮০ টাকা ধরিয়ে দেয় ওই হকার।

অভাবের তাড়নায় চুল বিক্রি করা শিশুটির মা সাথী বেগম জানান, করোনার কারণে তার স্বামী এখন কাজ করতে পারছেন না। এছাড়া সাভার থেকে নিজ এলাকায় যানবাহন বন্ধ থাকায় যেতে পারছেন না। সব কিছু বন্ধ থাকায় অনাহারে দিন কাটাচ্ছে তাদের পরিবার। এছাড়াও অপরিচিত জায়গায় থাকার কারণে ত্রাণ সহযোগিতা পাচ্ছেন না। আর এ কারণে সাহায্য না পেয়ে শিশু সন্তানের দুধ কিনতেই মাথার চুল বিক্রি করেন বলে জানান তিনি।

সাথী বেগম সাভার এলাকায় দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন। সঙ্কটকালীন সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক কলোনী মহল্লায় বসবাস করেন।

জানা গেছে, তার আঠার মাসের শিশু বাচ্চার খাবারও শেষ। ত্রাণের সন্ধানে গিয়েছেন অনেকের কাছে, তবুও কোথাও থেকে মেলেনি একটু সহায়তা।

অবশেষে ২০ এপ্রিল দুপুরে পথেই পরিচয় হয় এক হকারের সঙ্গে (চুল ক্রেতা)। মাথার চুল দেখিয়ে বিক্রি করলে কতো টাকা পাবেন বলে জানতে চান। হকারও ৩ থেকে ৪শ টাকা দেয়া যাতে পারে বলেন। পরে মাথার চুল কেটে দেয়ার পর তার হাতে ১৮০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে চলে যায়।

অভাবের কারণে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ থেকে চার মাস আগ মিরপুরে আসেন। সেখান থেকে দেড় মাস আগে সাভারের ব্যাংক কলোনীর নানু মিয়ার টিনশেড বাড়িতে ভাড়া নেয় তারা।

সাথী বেগম জানান, গত দেড় মাস আগে তার স্বামী মানিকের সঙ্গে সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকায় টিনশেডের ভাড়া বাড়িতে উঠেন। তার স্বামী পেশায় দিন মজুর। তিনি নিজেও বাসা বাড়িতে কাজ করেন। তবে করোনাভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকে বাড়িওয়ালা কাজে যেতে নিষেধ করে দিয়েছে। তার স্বামীও কোন কাজ না পেয়ে বাড়িতে বেকার হয়ে বসে আছেন। গত দুই দিন যাবৎ ঘরের সব খাবারও শেষ। ১৮ মাসের শিশু বাচ্চারও কোন খাবার নেই। এখানে নতুন এসেছেন, কাউকেই তেমন চেনেনা। কোথায় ত্রাণ দেয় সেটাও জানা নেই। প্রতিবেশীর কাছ থেকে খবর পেয়ে দুই জায়গায় সহযোগিতার জন্য গিয়েছিলেন। তবে তাকে চেনেন না বলে ত্রাণ না পেয়েই খালি হাতে ফিরে এসেছেন।

সহায়তা খুঁজতে গিয়ে এক হকারের (চুল ক্রেতা) সঙ্গে পরিচয় হয়। মাথার চুল কেটে দিলে ৪০০ টাকা দেয়া যেতে পারে। তবে হকার তার হাতে ১৮০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে যায়। ওই টাকা দিয়ে শিশুর জন্য দুধ ও এক কেজি চাল কিনেছেন।

তিনি আরো জানান, করোনায় তাদের সব কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়ির মালিক এখানে থাকে না। তিনি মাসে একবার আসেন। এখানে নতুন আসার কারণে তেমন কারো সঙ্গে পরিচয়ও নেই। প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ারাও বাসা বাড়িতে কাজ করেন তাদেরও একই অবস্থা।

প্রতিবেশী ভাড়টিয়া রিকশা চালক সুমন বলেন, লকডাউন হয়ে যাওয়ার পর সড়কে কোন যাত্রী নেই। তারাও কোন রকম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ওই নারীকে সহযোগিতা করার সামর্থ্যও তার নেই।

সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে অত্যন্ত দুঃখজনক ও মানবিক ব্যাপারে। তিনি খুব দ্রুত ওই পরিবারের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন বলেও জানান।

সাভার পৌর মেয়র আব্দুল গনি জানান, তিনি নিজে পৌর এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করেছেন। তবে এক নারী তার বাচ্চার জন্য চুল কেটে বিক্রি করার বিষয়ে তিনি জানেন না।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…