খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে আ’লীগের বর্ধিত সভায় হাতাহাতিতে আহত ৬, সভা পন্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে আ’লীগের বর্ধিত সভায় হাতাহাতিতে আহত ৬, সভা পন্ড

.jpg

সীতাকুণ্ডে আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে ছোট দারোগারহাট এলাকার বর্ধিত সভাস্থলে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

জানাযায়, উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে দুই পক্ষের হাতাহাতিতে উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ৬জন আহত হয়েছে। এতে সভাটি পন্ড হয়ে যায়।

জানা যায়,পূর্ব নির্ধারিত অনুসারে প্রতিটি ইউনিয়নে মত বিশেষ বর্ধিত সভার দিনক্ষণ ঠিক বারৈয়াঢালা ইউনিয়নেরও। জেলা নেতার উপস্থিতিকে বর্ধিত সভাও শুরু হয়। শুরু কিছু সময় পর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নতুন ও পুরনো কমিটি নিয়ে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারি রুপ নেয়। এ সময় বাইরে থাকা লোকজন অতর্কিত বর্ধিত সভায় ডুকে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জনকে পিঠিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ মিয়া, বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন আ,লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাঈল সিরাজী, উপজেলা নেতা নজরুল ইসলাম, আবুল কালাম চৌধুরী, হান্নান ভূঁইয়াসহ ৬জন নেতা-কর্মী আহত হয়। আহতবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার সীতাকুণ্ড স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। আহতদের মধ্যে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সিরাজির অবস্থা আশংকাজক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।

অন্যদিকে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়ায় সভাটি মুলতরি ঘোষণা করেন।

এছাড়া সীতাকুণ্ড পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে বর্ধিত সভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার বিকালে উপজেলার ইউনিয়ন ও পৌরসভা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাগুলোতে জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা সিনিয়র নেতাদের বিভক্তির কারণে বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন আওয়ালীগের আহবায়ক কমিটির পাশাপাশি অপর একটি কমিটিও রয়েছে। বাড়বকুণ্ড হাই স্কুল মিলনায়তনে বর্ধিত সভা শুরু হলে উভয় কমিটি নিজেদেরকে বৈধ কমিটি হিসেবে দাবী করায় ওয়ার্ড কমিটির গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে মত বিরোধ দেখা দেয়। সভায় জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন বাবলু এবং জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট ভবতোষ নাথ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উভয় গ্রুপের নেতাদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় তারা সভাটি কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই মুলতবি ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক ও বারৈয়াঢালা ইউপি চেয়ারম্যান রেহান উদ্দিন রেহান বলেন,‘উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সাঈদ মিয়ার নেতৃত্বে কিছু যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা চলাকালীন সময়ে জেলা নেতাদের উপস্থিতিতে সভায় হামলা চালায়। হামলায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৬ জন আওয়ামীলীগ নেতা গুরুতর আহত হয়েছে।’

চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো.আলাউদ্দিন সাবেরি বলেন,‘পুরনো ওয়ার্ড কমিটির লোকজন বর্তমান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সিরাজির উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তবে আমরা চেয়েছিলাম উভয় পক্ষকে সাথে নিয়ে বর্ধিত সভা সফল করবো। কিন্তু অতর্কিত হামলার কারণে তা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

Feb2

আসলাম ও সরোয়ারের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
আসলাম ও সরোয়ারের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা পৃথক আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে স্থগিত থাকা ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির এই দুই প্রার্থীর করা পৃথক আবেদন নথিতে রাখা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীর অংশ নেন। তবে নির্বাচনে তাঁদের ফলাফল প্রকাশ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রয়েছে।

নির্বাচনের আগে হাইকোর্টের আদেশে চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে। অন্যদিকে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর।

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। অন্যদিকে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তাঁরা এ আবেদন করেন।

জামায়াতের এই দুই প্রার্থীর করা পৃথক লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। পৃথক আদেশে বলা হয়, যদি তাঁরা (আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীর) নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তাঁদের জন্য প্রযোজ্য) এ–সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পর জামায়াতের এই দুই প্রার্থী গত ৩১ মার্চ পৃথক আপিল করেন। গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে নির্ধারণ করেন।

আগের ধারাবাহিকতায় আপিল দুটি গতকাল বুধবার কার্যতালিকায় ওঠে। আপিলের সঙ্গে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর করা পৃথক আবেদনও কার্যতালিকায় ওঠে। আপিল বিভাগের ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশ সংশোধন চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন করেন বিএনপির দুই প্রার্থী। শুনানি নিয়ে আদেশের জন্য আজ দিন রাখেন আপিল বিভাগ।

আদালতে আপিলকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নিহাদ কবির ও মোস্তাফিজুর রহমান খান, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক। সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর করা আবেদন নথিভুক্ত করে আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

মহাখালীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে কড়াইল বস্তির আনসার ক্যাম্প মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এ কর্মসূচি আয়োজন করে। এ ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিনামূল্যে ওষুধ ও শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। জুবাইদা রহমান কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে জুবাইদা রহমান ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ (জেডআরএফ) কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নারীদের বিভিন্ন চিকিৎসা সমস্যা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে গুলি, অবশেষে মারা গেল ছোট্ট রেশমী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে গুলি, অবশেষে মারা গেল ছোট্ট রেশমী

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর রউফাবাদ কলোনিতে গুলিবিদ্ধ হওয়া পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রেশমী আক্তার (১১) শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানল। কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৭ মে দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার রউফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলিতে গোলাগুলির সময় ছুটে আসা একটি গুলি লাগে রেশমীর বাঁ চোখে। গুলিটি চোখ মাথায় ঢুকে যায়। ঘটনার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেদিন রাতে আইসিইউ শয্যা খালি না থাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন সকালে অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে চমেকে আইসিইউ শয্যা খালি হলে সেখানে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গুলিটি রেশমীর বাঁ চোখ ভেদ করে মাথার ভেতরে ঢুকে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আটকে যায়। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিয়াজ-সাবেরা দম্পতির দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে রেশমী সবার ছোট। এক মেয়ে বিবাহিত, বড় ছেলে গার্মেন্টসে চাকরি করেন। রেশমী স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। স্বভাবগতভাবে সে চঞ্চল ছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি ঘরেই সময় কাটত তার। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যেত না বলেও জানান পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার দিন ২০ টাকা হাতে দিয়ে রেশমীকে পান আনতে পাঠিয়েছিলেন তার মা। কিন্তু গুলিবর্ষণের কারণে সে আর দোকানে পৌঁছাতে পারেনি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় এলাকায় চার থেকে পাঁচ মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ চলে। আশপাশের লোকজন ভয়ে সরে গেলেও রেশমী নিজেকে আড়াল করতে পারেনি। এদিন সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাজু নামে এক যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ২৬ এপ্রিল রাউজানের কদলপুর এলাকায় নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার মধ্য দিয়ে। ওই ঘটনায় নিহত নাসিরের মেয়ে লাভলী আক্তার হাসান রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। নাসির প্রবাসফেরত ও যুবদলের কর্মী ছিলেন। পরে তার সহযোগীরা কয়েকজন সন্ত্রাসীকে সঙ্গে নিয়ে রাজুকে হত্যার উদ্দেশ্যে নগরে আসে বলে জানা যায়। তাদের ছোড়া গুলিতেই আহত হয় রেশমী।