খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অসহায় পশু-পাখীদেরও খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা উচিত:চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
অসহায় পশু-পাখীদেরও খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা উচিত:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন আজ দুপুরে নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ স্টেডিয়াম এলাকার অভুক্ত ভবঘুরে কুকুরদের খাবার দিয়েছেন।

সিটি মেয়রের উদ্যোগে কুকুরদের জন্য প্রত্যেক পাড়ায় মহল্লায় আজ প্রায় ১ মাস যাবত এই রান্না করা খাবার বিতরণ চলছে।

রান্নাকরা খাবারগুলো প্রতিদিন বিভিন্ন পশুপ্রেমী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট সংগটনের মাধ্যমে পরিবেশন করা হয়ে থাকে।

খাবার দেয়াকালে মেয়র বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুমাস যাবত অঘোষিত লক ডাউনের কারণে দেশের প্রাণীকূল বিশেষ করে কুকুরগুলো অভুক্ত অবস্থায় অসহায়ভাবে দিন পার করছে। দোকাপাট রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ থাকায় কুকুরগুলো এখন খেতে না পেয়ে অসহায় হয়ে পড়ছে। জ্বালাতন করছে পাড়া প্রতিবেশিদের। আমাদের চিন্তা করতে হবে তাদেরও প্রান আছে,বেঁচে থাকার জন্য তাদেরও খাদ্যের প্রয়োজন। স্বাভাবিকাবস্থায় এই কুকুরগুলো প্রতিদিন গড়ে এক কেজি ময়লা আবর্জনা খেয়ে আমাদের পরিচ্ছন্ন কাজের অংশীদারিত্ব করছে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা মানুষের জন্য সাহায্য নিয়ে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি সেভাবে অসহায় পশু-পাখী, বিড়াল-কুকুরকেও আমাদের খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা উচিত। কারণ পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষায় প্রত্যেক প্রাণীরই প্রয়োজন রয়েছে। আর কুকুরতো প্রভুভক্ত একটি প্রানীও বটে।

খাবার দেয়ার সময় সাংবাদিক আলী আব্বাস, ফারুক, ছাএনেতা দিদারুল আলম, হেলাল উদ্দিন, যুবলীগ নেতা মামুনুর রশীদ মামুন, আনিছ, জসিম উদ্দিন, পেয়ারু, মোশাররফ হোসেন লিটন,টিপু দাশ প্রমূখ সিটি মেয়রের সাথে ছিলেন।

আইনজীবী ক্লার্কদের মধ্যে ভোগ্যপণ্য বিতরণ করলেন সিটি মেয়র

করোনা সংক্রমণের এই দুর্যোগ সময়ে চট্টগ্রাম আদালতের ১শত জন আইনজীবী ক্লার্কদের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ভোগ্যপণ্য বিতরণ করেছেন। এই উপলক্ষে গতকাল চট্টগ্রাম আদালত ভবন আইনজীবী ক্লার্ক এসোসিয়েশন কার্যালয়ে ভোগ্যপণ্য বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন,করোনা ভাইরাস সংক্রমণের এই দুর্যোগ সময়ে স্থবির হয়ে পড়েছে অর্থনীতির চাকা। দীর্ঘদিন আদালত বন্ধ থাকার কারনে এর সাথে সংশ্লিস্টরা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। এই বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এদিকে জামিন শুনানী না হওয়ার কারনে জামিন পাওয়ার হকদারেরা জামিন পাচ্ছেন না। বিষয়টি অনেক দু:খজনক। মেয়র বলেন, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। করোনা পরিস্থিতিতে আদালতের আইনজীবী ক্লার্করা মানবেতর কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। মধ্যবিত্ত শ্রেণীর এই মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। মানুষের জীবন জীবিকা রক্ষায় সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে মানবিকতার তাগিদে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবান শ্রেণীকেও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আজ সঠিক সময়। চট্টগ্রাম আইনজীবী ক্লার্ক এসোসিয়েশন সভাপতি নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। এসময় আইনজীবী ক্লার্ক এসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক তাপস ধর, ক্লার্ক এসোসিয়েশন সাবেক সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিকী, আইনজীবী সহকারী শংকর দাশ,আবু সালেহ জঙ্গিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…