খুঁজুন
, ,

ড.আনিসুজ্জামান করোনায় আক্রান্ত ছিলেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 15 May, 2020, 12:16 am
ড.আনিসুজ্জামান করোনায় আক্রান্ত ছিলেন

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ:চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া জাতীয় অধ্যাপক এবং দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী  ড. আনিসুজ্জামান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন।

তার মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষায় ফলাফল পজিটিভ এসেছে। এতে তার জানাজা ও দাফনের সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার।

আনিসুজ্জামানের ছেলে আনন্দ জামান সাংবাদিকদের বলেন, সিএমইএইচের চিকিৎসকরা রাতে বাবার শরীর থেকে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করেন। এতে বাবার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। রাতে লাশ মর্গে থাকবে, সকালে আমাদের বুঝিয়ে দেয়া হবে।

প্রাথমিকভাবে রাজধানীর আজিমপুরে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের বাবার কবরে তাকে দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে তা পরিবর্তিত হতে পারে বলে জানান আনন্দ জামান।

তিনি বলেন, শুক্রবার এ বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত হবে। আমাদের ইচ্ছা থাকবে দাদার কবরের পাশে তাকে দাফন করার। তবে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি অনুয়ায়ী যে সিদ্ধান্ত হবে সে অনুযায়ী দাফন হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আনিসুজ্জামান। তার মরদেহ আগামীকাল বাংলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে করোনা শনাক্ত হওয়ায় এখন সব কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

বরেণ্য শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামানকে গত ২৭ এপ্রিল গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শনিবার তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) স্থানান্তরিত করা হয়। হার্টের সমস্যার পাশাপাশি তিনি কিডনি, ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের জটিলতায় ভুগছিলেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

বিদ্রোহী কবি নজরুলের প্রতিটি কবিতা ও গান আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 2 July, 2026, 5:16 pm
বিদ্রোহী কবি নজরুলের প্রতিটি কবিতা ও গান আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেছেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের চেতনা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নতুন প্রেরণা জোগাচ্ছে। এই প্রেরণা নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিদ্রোহী কবির প্রতিটি কবিতা ও গান আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন সাংস্কৃতিক জাগরণের সূচনা হয়েছে।

‘নজরুল বর্ষ’ (২০২৬-২০২৭) পালন উপলক্ষে আজ ২ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি একযোগে দেশের ৬৪ জেলা ও বাছাইকৃত ৭৪ উপজেলায় নজরুল বর্ষের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা শেষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘নজরুল বর্ষ’ উদ্বোধন উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ৩ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচীর আয়োজন করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি, সাম্যের কবি ও মানবতার কবি। আজ থেকে এক’শ বছর পূর্বে কবি কাজী নজরুল চট্টগ্রাম এসেছিলেন। এখানে তাঁর অনেক স্মৃতি রয়েছে। তিনি সবসময় অন্যায় ও অবিচারের প্রতিবাদী ছিলেন। বিদ্রোহী কবির এই স্মৃতি, আদর্শ ও উদ্দেশ্য বুকে ধারণ করে আগামীতে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, কাজী নজরুল ছিলেন সাম্য, মানবতা, প্রেম ও বিদ্রোহের কবি। তাঁর সহিত্যকর্ম আজও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে মানুষকে প্রেরণা যোগায় এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বক্তারা কাজী নজরুল ইসলামের বর্ণাঢ্য জীবন, সাহিত্যকর্ম ও মানবতাবাদী দর্শন নিয়ে আলোচনা আলোচনার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মাঝে বিদ্রোহী কবির আদর্শ ও সৃষ্টিকর্ম ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত নজরুল বর্ষ উদ্বোধন পরবর্তী আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আল-ফোরকান, সিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক ও জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম। মূখ্য আলোচক ছিলেন লেখক, অনুবাদক ও নজরুল গবেষক আলমগীর মোহাম্মদ। অনুষ্ঠানে জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোঃ ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাতসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংস্কৃতিকর্মীগণ, নজরুল গবেষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 2 July, 2026, 12:33 pm
নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’-এর উদ্বোধন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলা এবং নির্বাচিত ৭৪টি উপজেলায় একযোগে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’ পালনের শুভ সূচনা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ না করলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিল সমগ্র বাংলাদেশ, আর বাংলাদেশের মানুষও তাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবেসেছে।

তিনি জানান, ১৯১৪ সালে কিশোর বয়সে নজরুল প্রথমবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে এসেছিলেন। সেই স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্রোহ, প্রেম, বিরহ ও তারুণ্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এক অবিস্মরণীয় নাম। পরাধীন জাতির ভাগ্যআকাশে তার আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা আজও তার সৃষ্টি থেকে পাওয়া যায়। মহান মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামেও নজরুলের কবিতা ও গান ছিল অনুপ্রেরণার শক্তিশালী উৎস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু অতীত নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও নজরুল সমান প্রাসঙ্গিক। এ কারণেই জাতীয় কবির জীবন ও কর্মের সঙ্গে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের সম্পর্ক আরও গভীর ও নিবিড় করতে বছরব্যাপী নজরুল বর্ষ পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সরকার এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করেছে। এর মেয়াদ চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত।

এর আগে, গত ২৫ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৫ মে ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই ঘোষণার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলো।

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 2 July, 2026, 9:12 am
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ, অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষার্থী

সারা দেশে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে শুরু হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমমান পরীক্ষাও। এবার সব মিলিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবার প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গঠন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল, যেখান থেকে দেশের যেকোনো প্রান্তের পরীক্ষাকেন্দ্রের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা যাবে। কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছেও থাকবে বডি–ওর্ন ক্যামেরা।

সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তবে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে কেন্দ্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রথম দিনে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমের কোরআন মাজিদ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি (বিএমটি)-এর বাংলা–২ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এবার মোট ৭৭টি বিষয়ে ২১ দিনে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিভিন্ন কোর্সের তাত্ত্বিক পরীক্ষা জুলাই ও আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি এবং মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ২ হাজার ৬৯৭টি। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন শিক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে অংশ নেবে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে অংশ নেবে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী।

বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৩ লাখ ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে। রাজশাহী বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশালে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইনের আওতায় এবার পরীক্ষা পরিচালনা করা হবে। নকল বা প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো পরীক্ষার্থী নকলের সঙ্গে জড়িত থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পাশাপাশি নগরবাসীকে যানজট এড়াতে সময় হাতে নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়িতে আসা পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রের সামনে না নেমে নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে নেমে হেঁটে কেন্দ্রে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব দিনে পরীক্ষা থাকবে না, সেসব দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চলবে। নকলের অভিযোগ থাকা কয়েকটি ভেন্যু কেন্দ্র বাতিল করা হলেও দুর্গম এলাকা ও পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের সুবিধা বিবেচনায় কিছু কেন্দ্র বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সেভেন্থ–ডে অ্যাডভেন্টিস্ট সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের শনিবারের পরীক্ষা সূর্যাস্তের পর বিশেষ ব্যবস্থায় নেওয়া হবে।