খুঁজুন
শুক্রবার, ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তদারকিতে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯, ২:১৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তদারকিতে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালগুলোর তদারকিতে কঠোরভাবে নিয়মকানুন অনুসরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আইনের বাইরে যাবেন না এবং দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তদারকি করার ক্ষেত্রে নিয়মগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করুন।’

ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে গেলে শেখ হাসিনা তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘নিয়মের বাইরে যাবেন না। যথাযথভাবে নিয়ম মেনে চলবেন।’

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। আইন কার্যকরের মাধ্যমে ইউজিসিকে শক্তিশালী করা হবে জানিয়ে কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অধিভুক্ত কলেজগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য ইউজিসিকে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে দেশের উচ্চ শিক্ষা বিশেষ করে সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীকে ইউজিসির কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

অধ্যাপক শহীদুল বলেন, দেশে বর্তমানে ১৫৫টি সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।
তিনি বলেন, তারা এরমধ্যে অন্তত ৩০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে অনিয়ম খুঁজে পেয়েছেন।

এত বিপুল সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় পর্যবেক্ষণে ইউজিসির জনবল আগের মতোই রয়েছে। ব্যাপক সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে দেখভালের জন্য জনবল বাড়ানোর প্রয়োজনের কথাও জানান তিনি।

ড. শহীদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীকে আরও অবহিত করেন যে, ইউজিসি ইতিমধ্যে গবেষণা নীতিমালা প্রস্তুত করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মতো (বিপিএটিসি) শিক্ষকদের জন্যও একটি প্রশিক্ষণ একাডেমির তাগিদের কথাও জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।

প্রেস সচিব জানান, সাক্ষাতে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শহীদুল্লাহ বলেন, ‘ঠিকমতো আইন-কানুন অনুসরণ করছে কিনা, সেটা নজরদারি করতে ইউজিসি ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে চিহ্নিত করেছে।’

ইউজিসি কঠোরভাবে বিদ্যমান আইন-কানুন অনুসরণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে কাউকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না।’

এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

দল–প্রার্থীদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ভোট: চট্টগ্রাম ডিসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
দল–প্রার্থীদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ভোট: চট্টগ্রাম ডিসি

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর সহযোগিতায় চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্ভব হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার সব আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার আগ মুহূর্তে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রথমেই আমি কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সম্মানিত ভোটারদের, যাঁরা দিনটিকে উৎসবমুখর করে তুলেছেন। অনেকেই দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন; ঢাকার বাইরে অবস্থান করেও ছুটে এসেছেন ভোট দিতে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দিনটিকে আরও অর্থবহ করেছে।”

তিনি বলেন, দুই মাসের বেশি সময় আগে তফসিল ঘোষণার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে যে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, আজ তারই বাস্তবায়ন হয়েছে। “বাংলাদেশ যে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে পারে, তা বিশ্বকে দেখানো আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল,” বলেন তিনি।

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা দাবি করেন, কোনো রক্তপাত, কেন্দ্র বন্ধ বা বড় ধরনের অভিযোগ ছাড়াই চট্টগ্রামে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। “আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, চট্টগ্রামে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দেব। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছি,” বলেন তিনি।

তিনি জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, আনসার, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে জেলা প্রশাসনকে সহায়তা করেছে।

নির্বাচনী প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। “এ নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; এটি রাষ্ট্র মেরামতের একটি আয়োজন—এই বার্তাই আমরা পৌঁছে দিয়েছি,” বলেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকাও ইতিবাচক ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “শুরু থেকেই গণমাধ্যম সহযোগিতা করেছে। সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা ভোটারদের আস্থা ধরে রাখতে পেরেছি।”

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, “প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত কাজের ফলে রক্তপাতহীন ও অভিযোগবিহীন নির্বাচন সম্ভব হয়েছে। এখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করতে যাচ্ছি।”

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলসমূহের দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পেশাদারিত্ব—এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রমাণ করেছে যে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অটুট। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাই— চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অটুট থাকে। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ আবারও প্রমাণ করেছে— জনগণই সব ক্ষমতার উৎস। আমরা সম্মিলিতভাবে একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন আমাদের জন‍্য মহা আনন্দের ও উৎসবের। এর মধ‍্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা শুরু হলো। এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিলো। এই ধারা ধরে রাখা সম্ভব হলে আমাদের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে যাবে। আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই অভিযাত্রায় আমরা একসঙ্গে কাজ করি।

চট্টগ্রামে উৎসবমুখর ভোটে কৃতজ্ঞঃ ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে উৎসবমুখর ভোটে কৃতজ্ঞঃ ডিসি জাহিদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

আজ বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করায় ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, সকাল থেকে আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও কর্ণফুলীসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে সন্তোষজনক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নারী ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাঁকে অভিভূত করেছে বলে জানান তিনি। অনেক ভোটার দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক।

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যাঁদের কেন্দ্র করে আমাদের সব আয়োজন, সেই সম্মানিত ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে এসেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।’

তিনি বলেন, উৎসবমুখর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, আনসার, বিজিবি, র‍্যাব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, একটি উৎসবমুখর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। “সম্মানিত পুলিশ সুপার, পুলিশ বাহিনী, আনসার, বিজিবি, র‍্যাব, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একই স্পিরিট ও একই গতিতে কাজ করেছেন,” বলেন তিনি।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছি—বাংলাদেশের পক্ষেও সম্ভব একটি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করা।”

তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, আমাদের আয়োজন সার্থকতা পেয়েছে। এখনও কয়েক ঘণ্টা বাকি আছে। আমরা চাই নির্বাচন শেষ পর্যন্ত উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হোক। আমরা বাংলাদেশকে জিততে দেখতে চাই, জিততে দেখতে চাই এ দেশের মানুষের স্বপ্নকে।”

নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জেলা প্রশাসক বলেন, “আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে আপনার-আমার সন্তানরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠবে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ একযোগে কাজ করেছে। তাঁদের প্রতিও আমরা কৃতজ্ঞ।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে দেশ উপনীত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছি, বাংলাদেশের পক্ষেও শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হবে।

এর আগে জেলা প্রশাসক বাঁশখালী, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি চন্দনাইশের দোহাজারী জামিরজুরি আহমদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়, পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়, সাতকানিয়ার উত্তর সাতকানিয়া আলী আহমদ প্রাণহরী উচ্চ বিদ্যালয় এবং কর্ণফুলীর আবদুল জলিল চৌধুরী কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখেন। এ সময় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও ভিডিপি) মোস্তাক আহমেদ, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বশির আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই গণতন্ত্রের শক্তি। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছে।