খুঁজুন
, ,

আজ ছাত্রনেতা জালাল উদ্দীন সোহেলের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 17 May, 2020, 12:01 am
আজ ছাত্রনেতা জালাল উদ্দীন সোহেলের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জালাল উদ্দীন সোহেলের ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী আজ।

২০১৭ সালের ১৭ মে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মরহুম জালাল উদ্দীন সোহেল ছিলেন ছাত্রদলের তৃণমূল পর্যায়ে খুবই জনপ্রিয় ও মেধাবী একজন ছাত্রনেতা। স্কুল জীবন থেকে ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া এই ছাত্রনেতা ইউনিট পর্যায় থেকে পর্যায়ক্রমে মহানগর ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন আমৃত্যু।

তাঁর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগর ছাত্রদলের অন্যতম মেধাবী ও দূরদর্শী ছাত্রনেতা ছিলো সোহেল। সে ছাত্রদলের পাশাপাশি অন্যান্য সহযোগী সংগঠনও জোরালো ভূমিকা পালন করতো। আমার দেখা নগর ছাত্রদলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংগঠক ছিলো সোহেল। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

নগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, সোহেল ছিলো একজন সফল ছাত্রনেতা। সে সবসময় দল ও সংগঠনের কথা সর্বাগ্রে চিন্তা করতো। এক কথায় দল পাগল। তার মতো ছাত্রনেতা কদাচিৎ জন্মায়।

এদিকে জালাল উদ্দীন সোহেলের মৃত্যুবার্ষিকী করোনার কারণে যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না নগর ছাত্রদল।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নগর ছাত্রদল নেতা সৌরভ প্রিয় পাল বলেন, আমরা মরহুম ছাত্রনেতা জালাল উদ্দীন সোহেল ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী করোনার জন্য যথাযথ ভাবে পালন করতে পারছি না, এটার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। তবুও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং সীমিত পরিসরে। এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্পষ্টে ঐ দিন নগর ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিট ইফতার বিতরণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সবাইকে নিজনিজ অবস্থানে থেকে মরহুম ছাত্রনেতা জালাল উদ্দীন সোহেল ভাইয়ের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে তাঁর বড়ভাই জামাল উদ্দিন বাবু ফেইসবুকে স্ট্যাটাসদিয়ে লিখেন, পরিবারের সকল আত্বীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্খী এবং শহীদ এস এম জালাল উদ্দিন সোহেলের সকল বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী, শুভাকাঙ্খী এবং তার রাজনৈতিক জীবনের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সহযোদ্ধা সহ সকলকে যার যার অবস্হানে থেকে তার জন্য দোয়া করতে পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অনুরোধ জানানো হচ্ছে। দেশে করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারন করায় জীবনের ঝুকিঁ এড়াতে সবাইকে কোনোরকম জমায়েত না করে নিজ অবস্হানে থেকে দোয়া করার অনুরোধ রইল। গণজমায়েত করে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে কারো জীবন ঝুকিঁতে পড়ুক আমরা তা চাইনা।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বায়েজিদ থানা ছাত্রদল নেতার পাশে চমেক ছাত্রদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 15 September, 2026, 3:16 pm
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বায়েজিদ থানা ছাত্রদল নেতার পাশে চমেক ছাত্রদল

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বায়েজিদ বোস্তামী থানা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আলম বাপ্পির চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন চমেক ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।

চমেক ছাত্রদলের সভাপতি ডা. হাসিবুল হাবিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতালে গিয়ে শওকত আলম বাপ্পির চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এ সময় তারা তার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি, চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে কর্তৃপক্ষ ও কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ ও আলোচনা করেন।

প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন চমেক ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান, ছাত্রদল নেতা মাহফুজুর রহমান, ছাত্রনেতা কলিমুল্লাহ, নাদিম সামীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় নেতৃবৃন্দ শওকত আলম বাপ্পির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তার চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাতকানিয়ার নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন ডা. রানা চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 15 September, 2026, 2:17 pm
সাতকানিয়ার নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন ডা. রানা চৌধুরী

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন চিকিৎসক ডা. রানা চৌধুরী। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাকে এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে।

১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়টি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ডা. রানা চৌধুরী ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন সক্রিয় প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।

এ ছাড়া বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), নারী ও শিশু অধিকার ফোরামসহ বিভিন্ন মানবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গেও তিনি সম্পৃক্ত রয়েছেন।

নলুয়া দ্বিজেন্দ্র লাল কারণ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হওয়ায় ডা. রানা চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও সার্বিক উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে।

চট্টগ্রামে হোটেল-রেস্তোরাঁর মান নিশ্চিতে ১০ দিনের সময় দিলেন ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 September, 2026, 8:37 pm
চট্টগ্রামে হোটেল-রেস্তোরাঁর মান নিশ্চিতে ১০ দিনের সময় দিলেন ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোকে খাবারের মান ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই সময়ের মধ্যে রান্নাঘর ও খাবার পরিবেশনের স্থান পরিচ্ছন্ন রাখা, কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি, স্যানিটেশন এবং খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের নির্ধারিত মান নিশ্চিত করতে হবে। সময়সীমা শেষে ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে চারটি দল প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করবে।

পরিদর্শনের ভিত্তিতে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর মান যাচাই ও গ্রেডিং করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত মান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, প্রশাসনের উদ্দেশ্য জরিমানা করে ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত করা নয়; বরং ঘাটতি সংশোধনের সুযোগ দিয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করা।

হোটেল-রেস্তোরাঁয় স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আজ সোমবার তিনি এসব কথা বলেন। সভায় হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক, ব্যবসায়ী ও খাদ্যসংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ স্লোগানে জেলা প্রশাসনের চলমান পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিকেরা প্রতি শনিবার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও জরিমানা করা হলেও হোটেল-রেস্তোরাঁয় কাঙ্ক্ষিত মান পুরোপুরি নিশ্চিত হচ্ছে না। তাই শুধু অভিযান নয়, ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে চায় প্রশাসন।

মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার জরিমানার মাধ্যমে কোনো ব্যবসা করে না। যাঁরা অসৎ পথে ব্যবসা করেন, তাঁদের সংশোধনের পথে নিয়ে আসার জন্যই জরিমানা করা হয়।’

তিনি বলেন, প্রশাসন চায় না কোনো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি বা ব্যবসা অযথা ক্ষতিগ্রস্ত হোক। এ জন্য প্রয়োজনীয় ঘাটতি দূর করতে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত মান অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

মানুষের হোটেল-রেস্তোরাঁনির্ভরতা বাড়ছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, বাইরে থেকে খাবার সংগ্রহের প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। তাই খাবারের মানের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। মানুষের মধ্যে এমন আস্থা তৈরি করতে হবে, যাতে চট্টগ্রামের যেকোনো রেস্তোরাঁয় নিশ্চিন্তে খাবার খাওয়া যায়।

খাদ্যনিরাপত্তার পাশাপাশি অগ্নিনিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

চট্টগ্রামকে স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাবারের ক্ষেত্রে দেশের জন্য উদাহরণ হিসেবে গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সুনাম রয়েছে। নিরাপদ ও মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম নেতৃত্ব দিতে পারে।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।