খুঁজুন
, ,

প্রজ্ঞাপন জারি: অফিস খুলছে, চলবে গণপরিবহনও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 28 May, 2020, 4:12 pm
প্রজ্ঞাপন জারি: অফিস খুলছে, চলবে গণপরিবহনও

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে চলমান সাধারণ ছুটি আগামী ৩০ মে শেষ হচ্ছে। ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিতভাবে খুলছে সরকারি-বেসরকারি অফিস। একই সঙ্গে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনও (বাস, লঞ্চ ও ট্রেন) চালু হবে ওইদিন থেকে।

১৫ জুন পর্যন্ত অফিস, গণপরিবহনসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে পরিচালিত হবে এবং কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে সেই বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল বুধবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অফিস ও গণপরিবহন চালুর চালু হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। ফরহাদ হোসেন গতকালই বলেছিলেন, ছুটি ৩০ মে শেষ হচ্ছে। ছুটি আর বাড়ছে না। কিন্তু কিছু বিধি-নিষেধসহ নাগরিক জীবন সুরক্ষিত রেখে আমরা সীমিত আকারে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু করতে যাচ্ছি। তবে সবকিছু একেবারে খুলে দেয়া হচ্ছে না। আমরা খুলতে যাচ্ছি তবে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। বয়স্ক, অসুস্থ ও গর্ভবতী মহিলারা আপাতত অফিসে আসবেন না।

প্রতিমন্ত্রী অবশ্য তখন গণপরিবহন চালু হচ্ছে না বলে জানিয়েছিলেন। পরে আবার রাতে জানানো হয় সীমিত আকারে চলবে গণপরিবহনও।

একইসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

মার্চ মাসের শুরুতে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী প্রথম ধরা পড়ে। পরিস্থিতি ক্রম অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩০ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে। তবে এখনও করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি নেই।

সর্বশেষ ২৮ মে’র তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪০,৩২১। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেন অন্তত ৮,৪২৫ জন আর মারা গেছেন ৫৫৯ জন।

প্রজ্ঞাপন

মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

• ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ৫, ৬, ১২ ও ১৩ জুনের সাপ্তাহিক ছুটি এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

• নিষেধাজ্ঞাকালে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। প্রতিটি জেলার প্রবেশ ও বহির্গমন পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকবে। জেলা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় এ নিয়ন্ত্রণ সতর্কভাবে বাস্তবায়ন করবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে চলাচলে নিষেধাজ্ঞাকালে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতীব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (প্রয়োজনীয় ক্রয়-বিক্রয়, কর্মস্থলে যাতায়াত, ওষুধ ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না। তবে সর্বাবস্থায়ই বাইরে চলাচলের সময় মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

• নিষেধাজ্ঞাকালীন জনসাধারণ ও সব কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

• হাটবাজার, দোকানপাটে ক্রয়-বিক্রয়কালে পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করতে হবে। শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আগত যানবাহনগুলোকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাটবাজার, দোকানপাট এবং শপিংমলগুলো আবশ্যিকভাবে বিকাল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

• আইনশৃঙ্খলা, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাজে নিয়োজিত সংস্থা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থল বন্দর, নদীবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভুত থাকবে।

• সড়ক ও নৌপথে সকল প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতি) চলাচল অব্যাহত থাকবে।

• কৃষিপণ্য, সার, বীজ, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচাবাজার, খাবার, ঔষধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

• চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়োজিত কর্মীরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবেন।

• ওষুধ শিল্প, কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো, উৎপাদন ও রফতানিমুখী শিল্পসহ সকল কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রণীত ‘বিভিন্ন শিল্প-কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা’ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

• নিষেধাজ্ঞাকালীন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না। তবে অনলাইন কোর্স বা ডিসটেন্স লার্নিং অব্যাহত থাকবে।

• ব্যাংকিং ব্যবস্থা পূর্ণভাবে চালু করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

• সকল সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্বশাসিত এবং বেসরকারি অফিসসমূহ নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি অসুস্থ কর্মচারী এবং সন্তানসম্ভবা নারীরা কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণের জন্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারি করা ১৩ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। জরুরি অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্র ছাড়া সকল সভা ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে আয়োজন করতে হবে।

• এই নিষেধাজ্ঞাকালে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। এ সময়ে শর্ত সাপেক্ষে সীমিত পরিসরে নির্দিষ্ট সংখ্যক যাত্রী নিয়ে স্বাস্থ্যসম্মত বিধি-নিষেধ নিশ্চিত করে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। তবে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জারি করা নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

• বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচলের বিষয়ে বিবেচনা করবে।

• নিষেধাজ্ঞাকালে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত ও অনুষ্ঠান আয়োজন বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদসমূহে জনসাধারণের জামাতে নামাজ আদায় এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রেলের জমি লিজ নয়, বাতিল হবে বিদ্যমান লিজও: রেলপ্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 10:50 pm
রেলের জমি লিজ নয়, বাতিল হবে বিদ্যমান লিজও: রেলপ্রতিমন্ত্রী

রেলের সম্পত্তি নতুন করে আর লিজ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন করে রেলের কোনো জমি লিজ দেওয়া হবে না। বর্তমানে যেসব লিজ রয়েছে, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা হবে।

যেখানে আইনি বাধা থাকবে না, সেখানে লিজ বাতিল করে জমিগুলো পুনর্গঠন করা হবে। রেলের অনেক জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রামে রেলের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেসব স্থাপনা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহিতা রয়েছে। তাই যেকোনো অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে হাবিবুর রশিদ বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় দলীয়করণের সুযোগ নেই। এরপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং ভ্রমণ সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট কমে আসবে। এছাড়া ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

এসময় রেলওয়ে পূর্বাচঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 9:46 pm
অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন মহান কর্মবীর: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি (বিএনএসবি), চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি), ইনষ্টিটিউট অফ্ কমিউনিটি অফথালমোলজী (আইসিও) এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং স্মৃতিচারণে নাগরিক শোকসভা অদ্য ১ আগস্ট শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনএসবি ও সিইআইটিসির উদ্যোগে টাইগারপাস আমবাগান রোডস্থ নেভি কনভেনশন সেন্টারে উক্ত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এমপি। তিনি বলেন, আজ যে মানুষটির স্মরণ সভায় সবাই উপস্থিত হয়েছি সেই মানুষটি হলেন চক্ষু চিকিৎসা সেবায় এক অবিস্মরণীয় নাম অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসন। আমি মনে করি চক্ষু চিকিৎসা সেবায় উজ্জ্বল নক্ষত্র কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের কল্যাণে এবং মানুষের কথা চিন্তা করে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। তাঁর আদর্শ ধারণ করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মত মানুষ হয়না। তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি আমাদের সবার হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন। তিনি ছিলেন, একজন সেরা চিকিৎসক, সেরা ছাত্র ও দেশের গর্ব। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের দেশকে তিনি অনেক উপরে নিয়ে গেছেন। তিনি চট্টগ্রামে চক্ষু হাসপাতাল গড় তুলেছেন। বাংলাদেশের লাখো মানুষের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়ার মহান ব্যক্তি তিনি। হাসপাতালটি করে চট্টগ্রামকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলে ধরেছেন। আমাদের সকলের রবিউল হোসেনের মত এমন উদার দেশ প্রেমিক হওয়া উচিত।
প্রতিমন্ত্রওী বলেন, রবিউল হোসেনের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি। তিনি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেও সেখানে নিজের নাম লেখাননি। নিজের কথা চিন্তা না করে হাসপাতালটি পরিচালনায় বোর্ড অব ট্রাস্ট করে দিয়ে গেছেন। তিনি মহান কর্মবীর। রবিউল হোসেন চলে গেলেও তার স্বপ্নগুলো ছড়িয়ে পড়ছে চারিদিকে। আমাদের সেই স্বপ্ন দেখে এগিয়ে যেতে হবে। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে প্রতিষ্ঠান করে দিয়ে গেছেন তাঁর দুই সন্তান ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার পিতার আদলে সুন্দরভাবে পরিচালনায়। তবে সেগুলো চালাতে সমাজের কোন অপশক্তি যেন তাদের গ্রাস করতে না পারে সে দিকে আপনারা লক্ষ্য রাখবেন।

গেষ্ট অফ অনারের বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন চাচা সমাজের জন্য অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন। তার প্লেজার এন্ড পেইন গ্রন্থে তা উঠে এসেছে। আমাদের দেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের সেই কর্মকান্ড ধারণ করে আমরা যাতে সেই মানবকি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারি।

সাঈদ আল নোমান বলেন, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন যে চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন চট্টগ্রামের কোথায়ও এই সহজলভ্য চিকিৎসা সেবা নেই। দেশের আটটি জেলায় তিনি এমন চক্ষু হাসপাতাল দাঁড় করিয়েছেন। এমন মহান মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

মাওলানা মো. মেজবাহ উদ্দিনের কোরআন তেলওয়াাতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিইআইটিসি’র ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা.কিউ.এম.অহিদুল আলম। আইসিও’র পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা.মো.মনিরুজ্জামান ওসমানীর উপস্থাপনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিইআইটিসি ট্রাস্টের ট্রেজারার মোহাম্মদ রেজওয়ান শাহিদী।

বক্তব্য রাখেন, চক্ষু চিকিৎসা সমিতির উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা শামীম, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. আরিফুর রহমান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ছিদ্দীক স্যার, সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের চেয়ারম্যান নাদের খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান শিরিন পারভীন হক, ইসলামিয়া হাসপাতাল ঢাকার মো. ফয়সাল সাহেদ, ময়মনসিংহ বিএনএসবি কে জামান হাসপাতালের চীফ কনসালটেন্ট ডা. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের দুই পুত্র যথাক্রমে সিইআইটিসি’র মেডিকেল ডিরেক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজীব হোসেন এবং সিইআইটিসি’র ট্রাস্ট বোর্ডের সদস্য রিয়াজ হোসেন, ফয়েজলেকের মো. মহিউদ্দিন, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ডা. সোমা রানী রায়, কেন্দ্রীয় ওএসবির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. জিন্নুরাইন নিউটন, ডা. আবু নাসেরসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

উক্ত নাগরিক শোক সভা পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. রুকনুন চৌধুরী এবং আয়োজক কমিটির সদস্য ও চক্ষু হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক (হিসাব ও অর্থ) মো. গোলাম ফারুক।

রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’র এজিএম সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 1 August, 2026, 9:15 pm
রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড’র এজিএম সম্পন্ন

বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেড এর এজিএম নগরীর খুলশী কনভেনশন সেন্টারের ইছামতী হলে শনিবার (১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জিএম সবুক্তগীন এবং নগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন দীপ্তি।

মোশাররফ হোসেন দীপ্তি সমিতির সদস্যদের পক্ষে বিভিন্ন দাবি দাওয়া পেশ করেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সমিতির লিখিত আবেদনের যথাযথ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং রেলওয়ে জিএম/পূর্বকে বিষয়টি তদারকি করার নির্দেশ প্রধান করেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার রেলওয়ের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব ৮০ কি:মি কমাতে ফিজিবিলিটি স্টাডি শুরু হয়েছে।

সভার শুরুতে সভাপতি স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং সম্পাদক বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

ব্যবস্থাপনা কমিটি সভাপতি আব্দুস সাত্তার সেলিম সভাপতিত্ব করেন এবং আনোয়ার হোসাইন রতন সভা পরিচালনা করেন।

প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সদস্য প্রশ্ন, মতামত এবং পরামর্শ প্রদান করেন। সম্পাদক রতন সেগুলোর উত্তর প্রদান করেন।

এজিএম-এ উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মো: ফজলুল করিম (মুকুট), পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে এম এম শাহেদ আলী, মাহমুদুল হাসান ভূঞা, চৌধুরী শরাফত করিম (কাওছার), মো: আলী আশরাফ ভূঁইয়া, মো: আমিরুজ্জামান, হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া (স্বপন), মো: নিজাম উদ্দীন (নয়ন), হাসান আহম্মদ খান এবং মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

এছাড়া রেলওয়ের বর্তমান এবং সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, সমিতির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরের উপস্থিত সকলের জন্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন ছিল।