খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঞ্চল্যকর ফখরুল হত্যার একবছর : মুল ২ আসামি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
চাঞ্চল্যকর ফখরুল হত্যার একবছর : মুল ২ আসামি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

রাউজান পৌরসভার গহিরায় প্রবাসী ফখরুল ইসলামকে শ্বশুর বাড়িতে জবাই করার আলোচিত-চাঞ্চল্যকর ঘটনার একবছর পূর্ণ হয়েছে গত ১৮ অক্টোবর। কিন্তু এই এক বছরেও এ ঘটনার মূল দুই আসামিকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই হত্যা মামলার আসামি ফখরুল ইসলামের স্ত্রী ও শাশুড়ি ধরা পড়ে দীর্ঘদিন জেল খেটে সম্প্রতি জামিন পেয়েছেন। তবে এ ঘটনার দুই আসামি ধরা না পড়ায় এ মামলার মূল রহস্য এখনো রয়ে গেছে অজানা। নিহতের পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, অধরা আসামিরা ধরা পড়লেই ফখরুল হত্যার আসল রহস্য উদঘাটন হতো।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় গহিরা চৌমুহনীর উত্তর পাশে জনতা ব্যাংকের পেছনের ৪ তলা বিশিষ্ট আমেরিকা প্রবাসী আবু তাহেরের বাসার ৩য় তলার ভাড়াটিয়া ঘর থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হতে দেখলে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আগুন নেভাতে যান।

স্থানীয় লোকজন আগুন নেভাতে গিয়ে বাসাটির সিঁড়িসহ ফ্লোরে রক্তের দাগ দেখে বাসার ছাদে উঠে দেখেন, গলাকাটা অবস্থায় পড়ে ছিল উম্মে হাবিবা মায়ার স্বামী ফখরুল ইসলামের রক্তাক্ত দেহ। সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গহিরা জে.কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে, পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনদিন চিকিৎসকের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে ২০ অক্টোবর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান ফখরুল। ফখরুল হত্যার ঘটনায় পুলিশ তার স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া ও শাশুড়ি রাশেদা আকতারকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় ফখরুল ইসলামের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে রাউজান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফখরুলের স্ত্রী উম্মে হাবিবা মায়া, মা রাশেদা আকতার, খালাতো ভাই খোরশেদ (৩১), বাসার দারোয়ান মো. হালিম (৩৬)এবং আরো ৫-৬ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

মামলার বাদি নুরুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘ভাইয়ের শাশুড়ি ও স্ত্রী গত সেপ্টেম্বর মাসে জেল থেকে জামিন নিলেও তাদের কাছ থেকে পুলিশ কোন ক্লু বের করতে পারেনি। বাকি দুই আসামি ধরা না পড়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। ভাইয়ের হত্যাকারীদের ব্যাপারে পুলিশ কোন তথ্য দিতে পারছে না। অধরা দুই আসামি ধরা পড়লে মূল রহস্য উদঘাটন হতো’।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে মায়ার ছাড়াছাড়ি হয় আগেই। কাবিননামার জন্য তারা ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলাও করে। পরে পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খানের মধ্যেস্থতায় কাবিনের টাকা নির্ধারণ করা হয় এবং আমার ভাই ফখরুলের পাসপোর্ট শাশুড়ির জিন্মায় ছিল।

সেদিন পাসপোর্ট নিতে এবং কোর্টের কাবিননামার মামলা তুলে নেয়ার কথা বলে ভাইয়ের শাশুড়ি তাকে বাসায় ডেকে নেয় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে। এরপর ফখরুলের স্ত্রী মায়া, তার মা রাশেদা বেগম এবং বাসার দারোয়ানসহ তাদের লোকজন মিলে আমার ভাইকে জবাই করে হত্যা করে।

নিহতের ছোট ভাই রেজাউল করিম ও নজরুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন ‘আমরা এখনো ভাই হত্যার ন্যায় বিচার পাইনি। আর কোন বাবা, মায়ের বুক যাতে খালি না হয়, সেজন্য আমাদের ভাইকে নৃশংসভাবে হত্যার বিচার চাই। এজন্য প্রশাসন, এমপি ও সংশ্লিষ্ট সবার হস্তক্ষেপ কামনা করছি’।

এ প্রসঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এস.আই সাইমুল ইসলাম ইভান ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, ‘ফখরুলকে কারা হত্যা করেছে, সে বিষয়টি আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। তারপরও এ ঘটনার চার্জশিট দাখিল করবো শীঘ্রই’।

উল্লেখ্য, নিহত ফখরুল ইসলাম রাউজান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোবারকখীল এলাকার তাজুল ইসলামের পুত্র। তিনি বিয়ে করে ছিলেন গহিরা দলইনগর এলাকার প্রবাসী আবু বক্কর ওরফে বাবুলের মেয়ে উম্মে হাবিবা প্রকাশ মায়াকে।

Feb2

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।

১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত মীমাংসা হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোটে অংশগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো দল মিলে এতবড় জোট গঠন হয়নি। আজকের এই ঐক্য একটি মডেল হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিবে। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসনে প্রার্থী দিবে।

জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বিডিপি ২টি, নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দিবে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের আসন কতটি সে বিষয়টি জানাননি ড. তাহের।

এছাড়া, এই জোটের বহুল আলোচিত দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন রেখে দিয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।

এদিকে, ১৬ জানুয়ারি বিকাল ০৩:০০ টায় ‘নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্বের খেলা শুরুর কথা ছিল। তবে কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটে’র অংশ হিসেবে আজ বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন তারা। ফলে বিপিএলে আজকের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়। তবে দিন শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছার কথা জানায় কোয়াব।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, নারী বিশ্বকাপ বাছাই ও চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও বিপিএলের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে কোয়াব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলির ওপর পড়তে পারে। বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।’

নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কোয়াব বলেছে, ‘বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

‘পাশাপাশি, পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।’