খুঁজুন
, ,

পিসিআর ল্যাব স্থাপনে এগিয়ে আসতে ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রতি সুজনের করজোড়ে অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 11 June, 2020, 4:04 pm
পিসিআর ল্যাব স্থাপনে এগিয়ে আসতে ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রতি সুজনের করজোড়ে অনুরোধ

খোরশেদ আলম সুজন

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় অত্যাবশ্যকীয় পিসিআর ল্যাব স্থাপনে এগিয়ে আসতে চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের প্রতি করজোড়ে অনুরোধ জানিয়েছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানান।

এ সময় সুজন বলেন চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত এই নগরীতেই দেশের বৃহত্তম বন্দর, কাস্টমস, ইপিজেড, তেল শোধনাগার, নৌ-বিমান ঘাটি, ইস্পাত শিল্প, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পসহ ছোট বড়ো আরো অনেক শিল্প প্রতিষ্টান অবস্থিত। স্বাভাবিকভাবেই জীবন জীবিকার তাগিদে এখানে প্রচুর লোকের বসবাস।

বর্তমানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণকালীন সময়ে এতো বিপুল পরিমান জনগোষ্ঠীর নমুনা পরীক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ। দেখা যাচ্ছে যে নমুনা সংগ্রহ করার পর রিপোর্ট আসতে সর্বোচ্চ সাতদিন থেকে দশদিন পর্যন্ত সময় লাগছে। এতে করে রিপোর্টের যথার্থতা নিয়েও রোগীর মনে সন্দেহ কাজ করছে।

আবার প্রায়শই নমুনা খোয়া যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামে যে হারে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে সে হারে পরীক্ষার সুযোগ নেই। প্রতিদিনই তিন চারগুণ নমুনা পরীক্ষা বিহীন অবস্থায় উদ্বৃত্ত থেকে যাচ্ছে।

এভাবে নমুনার স্তুপ জমে যাচ্ছে পরীক্ষাগারসমূহে। আবার পরীক্ষায় সময়ক্ষেপণ হওয়ার ফলে নমুনা পরীক্ষা শতভাগ ক্রুটিমুক্ত না হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। তাছাড়া নমুনা দেওয়ার পর সম্ভাব্য করোনা রোগীরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রকাশ্যে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আক্রান্তদের শরীরে তেমন উপসর্গ না থাকায় অনেকে বুঝতেও পারছেন না তিনি করোনা পজিটিভ কি না। ফলে ওই ব্যক্তি একদিকে নিজের পরিবারসহ অন্যদের সংস্পর্শে গিয়ে সংক্রমণ ছড়াচ্ছেন অন্যদিকে অন্যদেরও সংক্রমিত করছেন। আর এতে করেই বন্দর নগরী চট্টগ্রামে প্রতি দিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।

এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামবাসীকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে দ্রুততার সাথে পিসিআর ল্যাব বসিয়ে নমুনা পরীক্ষার আওতা বাড়ানো ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের মানবিকতার সাথে এখনই এগিয়ে আসার উপযুক্ত সময় বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আপনাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে যেটা ভূলে গেলে চলবে না। এখনই সময় চট্টগ্রামের মানুষের পাশে দাড়ানোর।

তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পগ্রুপের মালিকের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন একটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকার বেশী লাগার কথা নয়। আর মানবতার হাত প্রসারিত করার লক্ষ্যে এক কোটি টাকা আপনার প্রতিষ্টানের জন্য কিছুই না। দয়া করে আপনারা আর নিশ্চুপ না থেকে উদ্যোগী হয়ে কাজে নেমে পড়বেন এটাই চট্টগ্রামবাসীর প্রত্যাশা। আর যে সকল মহৎ হৃদয়ের ব্যক্তিগণ উদ্যোগী হয়ে পিসিআর ল্যাব স্থাপনে এগিয়ে আসবেন চট্টগ্রামের আপামর জনগন তাদের প্রতি সারাজীবন কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করে সুজন।

এছাড়া বিভিন্ন প্রাইভেট কোম্পানীও বাণিজ্যিক ভাবে পিসিআর ল্যাব স্থাপনে এগিয়ে আসতে পারেন বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। প্রয়োজনে ফি লাগুক তারপরও নমুনা পরীক্ষা হোক সেটাই সর্বস্তরের নাগরিকের প্রত্যাশা। দয়া করে প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই চট্টগ্রামের উন্নয়নের প্রতি আন্তরিক। চট্টগ্রামের উন্নয়নে ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক বরাদ্ধ প্রদান চট্টগ্রামবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতাই প্রমাণ করেন। যতবার তিনি চট্টগ্রামে এসেছেন ততবার তিনি উন্নয়নের বার্তা নিয়ে এসেছেন। তিনি চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আন্তরিক। তার দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রাম পৃথিবীর একটি আকর্ষনীয় উন্নত নগরীতে পরিণত হবে অচিরেই। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর একার পক্ষে সবকিছু সামাল দেওয়া অনেক ক্ষেত্রেই অসম্ভব। তাই আপনারা দয়া করে উদ্যোগী হোন, মানবিক দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসুন। চট্টগ্রামবাসীকে বাঁচাতে আপনাদের হৃদয়ের সবটুকু মমত্ব উজাড় করে দিন।

তিনি বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদেরও পিসিআর ল্যাব স্থাপনে এগিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানান। অন্তত অর্থের বিনিময়ে হলেও চট্টগ্রামের মানুষের করোনা পরীক্ষার কাজে আপনারা এগিয়ে আসুন। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক শেভরন হাসপাতালে করোনা নমুনা পরীক্ষা করার কথা থাকলেও অদ্যাবধি তারা সে কার্যক্রম চালু করতে পারেনাই। তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেভরন হাসপাতালকে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু করারও অনুরোধ জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।