খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিল করে করোনা ইউনিটে রোগীর সেবা করার আগ্রহ ডা. মাহমুদা আফরোজা’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিল করে করোনা ইউনিটে রোগীর সেবা করার আগ্রহ ডা. মাহমুদা আফরোজা’র

২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জেনারেল সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত নবীন চিকিৎসক মাহমুদা সুলতানা আফরোজা।

স্বামী ম. মাহমুদুর রহমান শাওন। তিনি একজন সমাজকর্মী ও ব্যবসায়ী। তাদের কোল জুড়ে ফুটফুটে এক সন্তান এসেছে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি।

এ দম্পত্তির সদ্যজাত পুত্র সন্তানের নাম রেখেছেন আজমাইন রহমান জেইন। সন্তান জন্মগ্রহণের পর থেকে নবীন এ চিকিৎসক ছিলেন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে।

মায়ের আদর স্নেহ ও ভালবাসায় দেখতে দেখতে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটির বয়স এখন চার মাস পেরিয়ে গেছে। এরপরও সময়টা মায়ের বুকের দুধই একমাত্র সন্তানের খাবার। আর বেড়ে উঠতে প্রতিমুহুত্বে চাই মায়ের মমতা, আদর আর পরশ।

তবে সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে একজন মা হিসেবে নয় বরং একজন চিকিৎসক হিসেবে একাধিক মায়ের প্রাণ রক্ষার্তে ছুটে যেতে চান পেশায়। বৈশ্বিক মহামারির এই সময়ে নিজের মমতাময়ী সন্তানের কথা ভুলে মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিল চেয়ে আবেদন করেছে নিজ কর্মস্থলের হাসপাতালে।

শুধ তাই নয়, হাসপাতালে নতুন করে প্রস্তুত করা করোনা ওয়ার্ডের রোগীদের চিকিৎসার আগ্রহ প্রকাশ করেন ডা. মাহমুদা সুলতানা আফরোজা। তার এই আবেদনের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে ইতস্ততবোধ করলেও পরে ওই চিকিৎসকের আগ্রহের কারণে আবেদন গ্রহণ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে ডা. মাহমুদা সুলতানা আফরোজা ২০১৬ সালে এমবিবিএস পাস করেন। ২০১৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর তিনি মা ও শিশু হাসপাতালের জেনারেল সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন।

কোভিড-১৯ সংক্রমণে আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। আর এ কঠিন সময়ে একের পর এক নার্স ও চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হওয়ায় হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী সংকট দেখা দিয়েছে।

ঠিক এমন সময়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিলের আবেদন করেছেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জেনারেল সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদা সুলতানা আফরোজা।

তথ্যটি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির ট্রেজারার রেজাউল করিম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, করোনার কঠিন পরিস্থিতিতে মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিল করে করোনা ওয়ার্ডের রোগীদের সেবা করার আগ্রহ প্রকাশ করে কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে চিকিৎসক আফরোজা।

বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিজের সন্তানকে রেখে ঝুঁকি নিয়ে করোনা ওয়ার্ডে কাজ করাটা অনেক বড় বিষয়। উন্নত মানসিকতা লালন করেন বলেই তিনি এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। সাধুবাদ জানাই এ সিদ্ধান্তকে। ডা. মাহমুদা সুলতানা আফরোজার বিষয়টি দেখে অন্যরা অনুপ্রাণিত হবেন।

এ ব্যাপারে ডা. মাহমুদা সুলতানা আফরোজা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে স্তব্ধ চারিদিক। ঘরবন্দি মানুষ। চারিদিকে করোনা আতঙ্ক। সাধারণ মানুষের অভিযোগ এমন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন না সাধারণ রোগীও।

বৈশ্বিক মহামারিতে একজন চিকিৎসক হিসাবে ঘরে বসে থাকাটা সমীচীন মনে করছি না। চিকিৎসা না দিলে নিজের মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করছে। বিবেকের তাড়ানায় আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, এমন কঠিন মুহূর্তে করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসক সংকট আছে। তাই রেগীদের চিকিৎসা না দিয়ে ঘরে বসে থাকা সম্ভব না। ফলে মাতৃত্বকালীন ছুটি বাতিল করে করোনা ওয়ার্ডের রোগীদের সেবা করার চিন্তা থেকেই পারিবারিকভাবেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব প্রিন্স

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…