খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন এবং উচ্চমূল্যের সিন্ডিকেটকে ক্রসফায়ার দেওয়ার দাবী সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন এবং উচ্চমূল্যের সিন্ডিকেটকে ক্রসফায়ার দেওয়ার দাবী সুজনের

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন এবং উচ্চমুল্যের সিন্ডিকেটের সাথে জড়িতদের ক্রসফায়ারের মতো কঠিন শাস্তি প্রদানের দাবী জানিয়েছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা সাড়ে ১২টায় নগরীর ঔষধ পাড়া খ্যাত হাজারী লেইনে নাগরিক উদ্যোগ আয়োজিত প্রচারণায় উক্ত দাবী জানান।

এ সময় সুজন বলেন, হাজারী লেইন নগরীর বিশাল ঔষধের চাহিদার বিশাল একটি অংশ পূরণ করে। ঐতিহ্যগতভাবে এ বাজারের প্রচুর সুনাম রয়েছে। নগরীর অনেক নামী দামী ব্যবসায়ীও হাজারী লেইনে ঔষধ ব্যবসার সাথে জড়িত।

করোনাভাইরাসকালীন বর্তমান সময়ে মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চেয়েও একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে হাজির হয়েছে ঔষধ।

তাছাড়া ভাইরাসজনিত কারণে নগরীর অধিকাংশ এলাকার জনগন জ্বর, সর্দি, কাঁশিসহ বিভিন্ন মৌসুমী রোগে ভূগছে। এ পরিস্থিতিতে একটি চক্র জনগনের নিত্য প্রয়োজনীয় ঔষধ সামগ্রীর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলছে। দেখা যাচ্ছে যে সাধারণ রোগীর জ্বরের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধপত্রও পাওয়া যাচ্ছে না এখানে।

সাধারণ জ্বরের জন্য ডাক্তারের পরামর্শকৃত সহজলভ্য ঔষধ যেমন- নাপা এক্সটেন্ড, প্যারাসিটামল, এইস এক্স আর, এইস পাওয়ার, সিভিট, ডকসিক্যাপ, জিম্যাক্সসহ জিথ্রক্স চাইলেই পাওয়া যাচ্ছে না।

অথচ এসব ওষুধগুলো আগে ঔষধের দোকানে হাতের নাগালেই পাওয়া যেতো। প্রশ্ন করলে সরবরাহ নেই বলে সোজা জবাব বিক্রয়কর্মীর, অথচ বাড়তি মূল্য দিলে নিমিষেই পাওয়া যাচ্ছে এসব ঔষধপত্র। এভাবে বাড়তি মূল্য নিয়ে জনগনের পকেট কেটে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গিয়েছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীচক্র।

যেন করোনা তাদের জীবনে আশীর্বাদ হয়ে নেমে এসেছে। করোনাকালীন পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন মৃত্যুর এ সন্ধিক্ষণে ঔষধই যখন জীবন বাঁচিয়ে রাখার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে প্রতিটি ঘরে ঘরে হাজির হয়েছে ঠিক সেই মূহুর্তে ঔষধের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, ভেজাল ঔষধ বিক্রয়, বিপণন, ঔষধ লুকিয়ে রাখা এবং ঔষধের উচ্চ মূল্যের মতো গর্হিত কাজ করছে এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী।

তিনি বলেন, এরা মানবতার শত্রু, এরা অমানুষ, এরা গণদুশমন। এদের বিরুদ্ধে ক্রসফায়ারই একমাত্র উপযুক্ত শাস্তি বলে মত প্রকাশ করেন তিনি, না হয় করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাঁচানো কোনভাবেই সম্ভব হবে না।

দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন গ্রাম থেকেও মানুষজন ঔষধের জন্য এসে বাজারের দোকানে দোকানে ঘুরে কাংখিত ঔষধ না পেয়ে বিফল মনোরথে বাড়ীতে ফিরে যাচ্ছে। অথবা কোনভাবে পেলেও অস্বাভাবিক উচ্চমূল্য তাদেরকে প্রচন্ডরকম নিরাশ করছে।

তিনি আরো বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির দুষ্টু সিন্ডিকেট চক্রটি জনগনের স্বাস্থ্যসেবার আবশ্যকীয় উপাদান ঔষধের উপর ভর করেছে। করোনা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে জনগনকে অস্থির করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য এসব ওষুধের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া যেসব ঔষধ জ্বর, সর্দি এবং কাশির জন্য অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ সেসব ঔষধগুলো অধিক হারে উৎপাদনের মাধ্যমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজস্ব বিক্রয়কর্মীর মাধ্যমে জনগনের কাছে পৌছে দেওয়ার অনুরোধ জানান। ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানগুলোর সময় এসেছে এখন সরকারের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জনগনের পাশে দাড়ানোর। কোন ধরনের দুষ্টু চক্রের ফাঁদে পা দেওয়া হবে আত্নঘাতি সিদ্ধান্ত।

নাগরিক উদ্যোগের প্রচারনা চলাকালীন সময়ে হাজারী লেইনে উপস্থিত ক্রেতা সাধারণ সুজনকে হাততালি দিয়ে ধারাবাহিকভাবে জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অভিনন্দন জানান।

ক্রেতাসাধারণ এক পর্যায়ে তাঁকে কাছে পেয়ে তাদের হতাশার কথা ব্যক্ত করেন ও ঔষধের দুস্প্রাপ্যতা এবং উচ্চমূল্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি নিজেও বিভিন্ন দোকানের সামনে ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ী কর্তৃক বিক্রয়কৃত বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী হেক্সিসল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডেটল ও স্যাভলন পরীক্ষা করে ভেজাল এবং নিম্নমানের অননুমোদিত পণ্য বিক্রয়ের প্রমান পান। যেগুলোর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন নেই। বিভিন্ন নামী দামী ব্র্যান্ডের লোগো সুপার কম্পোজের মাধ্যমে নকল করে ভেজাল পণ্যকে বোতলে ভরে ক্রেতাসাধারণকে প্রতারিত করছে এসব ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ীরা। তাদেরকে এসব ভেজাল পণ্য বিক্রয়ের ব্যাপারে হাতেনাতে অভিযুক্ত করলে তারা এসব পণ্য আর বিক্রয় করবেন না বলে অঙ্গীকার করেন।

তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সাদা পোশাকে ক্রেতা সেজে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার সবিনয় অনুরোধ জানান। ঔষধ নৈরাজ্য বন্ধের দাবীতে প্রশাসনের যে কোন কর্মসূচীতে নাগরিক উদ্যোগ প্রয়োজনে যে কোন সহযোগিতা করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…