খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় কারণে শোবিজকে বিদায় জানালেন অ্যানি খান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২০, ১২:২১ অপরাহ্ণ
ধর্মীয় কারণে শোবিজকে বিদায় জানালেন অ্যানি খান

শিশুশিল্পী হিসেবে শোবিজে পা রেখেছিলেন অ্যানি খান। দীর্ঘ ২৩ বছর পর ধর্মীয় বিষয়ে নিজের আত্মোপলব্ধির কারণে শোবিজ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন তিনি।

অ্যানি খান বলেছেন, কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মিডিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেইনি। এ সিদ্ধান্ত আমার একান্তই ব্যক্তিগত।

দিন দুয়েক আগে ফেইসবুক লাইভে এসে তিনি এ ঘোষণা দেন। অ্যানি বলেন, “গত বছর থেকেই মনে হচ্ছিল মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাবো। জানুয়ারির ২৬ তারিখ থেকে নিজের মধ্যে সিদ্ধান্তটা বেশি করে নাড়া দিতে থাকে। মার্চের ১৯ তারিখ শেষবার শুটিং করেছি। তারপর তো করোনায় সবকিছু বন্ধ হলো। কারো দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মিডিয়া ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেইনি। এ সিদ্ধান্ত আমার একান্তই ব্যক্তিগত।

কারণ মৃত্যুর পর আমার হিসেব আমাকেই দিতে হবে। তাই আত্মোপলব্ধি থেকেই আমি মিডিয়ার কাজ থেকে সরে যাচ্ছি।”

আরও বলেন, “প্রতিনিয়ত অহরহ মৃত্যুর খবরগুলো যেভাবে শুনছি আগে সেভাবে শোনা যেতো না, শুনলেও নাড়া দিত না। বাবাকে হারালাম, চোখের সামনে কাছের মানুষগুলো ছেড়ে চলে যাচ্ছে।এগুলোর কারণে রিয়ালাইজেশনগুলো এসেছে।

আমি একজন মুসলিম। মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় বিষয়গুলো যতোই জানার চেষ্টা করছি ততই ধর্ম বিষয়ক জ্ঞান বাড়ছে। এতে করে অনেককিছুতে বিধিনিষেধ চলে আসছে।”

অ্যানি বলেন, “এই করোনাকালে দেখছি অনেকেই সময় কাটছে না বা হতাশামূলক কথাবার্তা বলে যাচ্ছে। কিন্তু আমি নিজে কোনো সময়ই পাচ্ছি না। জীবনে সময় এত স্বল্প অনুভব করছি যে মনে হচ্ছে দিনরাত ৪৮ ঘণ্টা হলে ভালো হতো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করছি, নফল নামাজ পড়ছি, কোরআন হাদিস পড়ছি। অনেককিছু থেকে পিছিয়ে ছিলাম। সবকিছু আমাকে শিখতে হচ্ছে। এসব জানতে শিখতে কখন যে সময় চলে যাচ্ছে নিজেও বুঝতে পারছি না।”

বিয়ে প্রসঙ্গে বলেন, “বেঁচে থাকলে আগামী বছর বিয়ে করে ফেলবো। একজন সাধারণ মেয়ে বিয়ের পর যেভাবে সংসার নিয়ে সার্ভাইভ করে আমিও তাই করতে চাই। মিডিয়া থেকে সরে গেলে আমার ব্যক্তিগত বিষয়গুলো আর সামনে আনবো না।”

অ্যানি জানান, সবকিছু থেকে গুটিয়ে আসতে আমার হয়তো একটু সময় লাগবে।

তবে মন থেকে চাইছি আল্লাহ যেন আমাকে আর কাজে না ফেরান। ঘরে থাকবো, ইবাদত করবো। উনি চাইলে সবকিছুই সম্ভব।

অ্যানি খান জানান, তার পুরোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের দখলে। সেখান থেকে কিছু মানুষ তার কাজের পুরনো ছবি ঘেঁটে তার বর্তমান প্রোফাইলে পোস্ট করে তাকে খোঁচা দিচ্ছেন, তাকে ভণ্ড বলছেন।

অনেকে আবার নামাজ পড়তে বলছেন। অ্যানি বলেন, ইবাদত তো দেখিয়ে করে না। আমি যে ভিডিওতে কথা বলছি এটাও হয়তো আমার ধর্মের নিয়মকানুনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আমি নিজের বিরুদ্ধে নিজে প্রতিনিয়ত জিহাদ করে যাচ্ছি। ইসলাম অনেক সহজ আবার অনেক কঠিন ধর্ম। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি। তাদের এসব খোঁচাকে নিজের প্রায়শ্চিত্তের অংশ হিসেবে ধরে নিয়েছি। কিন্তু দিন শেষে আমিও মানুষ, এসব মেনে নিতে আমারও কষ্ট হয়। আমি ভণ্ড হলে যারা নিয়মিত আমাকে কষ্ট দেওয়ার পর নানা কর্মকাণ্ড করছেন তারা কী?

কিছু দিন আগে শোবিজ ছাড়ার ঘোষণা দেন ঢাকার আরেক পরিচিত মুখ সুজানা জাফর। তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতিতে তার উপলব্ধিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

আধুনিক ও সেবাবান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চসিক কাজ করছে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৩:০২ অপরাহ্ণ
আধুনিক ও সেবাবান্ধব বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চসিক কাজ করছে: মেয়র

নগরবাসীর জন্য আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার কাজীর হাট আধুনিক কিচেন মার্কেট নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, “একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও নাগরিকবান্ধব নগর গড়ে তুলতে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নগরবাসীর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “কাজীর হাটে আধুনিক কিচেন মার্কেট নির্মিত হলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই উন্নত সুযোগ-সুবিধা পাবেন। বাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।”

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসেবামূলক অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাবনায় কিশোরীকে ধষর্ণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
পাবনায় কিশোরীকে ধষর্ণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে নিহত ৩

পাবনা সদর উপজেলায় কিশোরী রিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের জেরে আসামিদের বাড়িঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পার্শ্ববর্তী নতুনপাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার মৃত ইউসুফের ছেলে সাপু।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পাবনার ভাঁড়ারায় পদ্মা নদীতে রিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরের দিন ৪ জুন তার মরদেহ দাফন করা হয়। দাফন শেষে উত্তজিত জনতা আসামিদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আশপাশের বেশ কয়েকজন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় আসামিপক্ষের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। দগ্ধরা সবাই প্রতিবেশী ও আশপাশের মানুষ এবং উৎসুক জনতা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল একজন এবং আজকে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ, পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মা নদীতে রিয়া খাতুন (১৫) নামে এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

চবিতে দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন চালু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ণ
চবিতে দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন চালু

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) দেশের প্রথম ‘চীন-বাংলাদেশ ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন ফর মেরিন রিমোট সেন্সিং’ এবং ‘স্যাটেলাইট ওশান অবজারভেশন অ্যান্ড ডাটা ইনোভেশন সেন্টার’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টায় কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়। এই স্টেশন চালুর ফলে সামুদ্রিক গবেষণা, উপকূলীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং নীল অর্থনীতির বিকাশে দেশের সক্ষমতা নতুন মাত্রা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি টাকার কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীনের সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি (SIO)। বাকি ২০ কোটি টাকা ব্যয় করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এই সিস্টেমের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের ওপর দিয়ে অতিক্রমকারী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট থেকে রিয়েল-টাইম ডাটা সংগ্রহ করা যাবে। এতে চীনের HY-2B, HY-2C, FY সিরিজসহ একাধিক স্যাটেলাইট, যুক্তরাষ্ট্রের NOAA ও MODIS এবং ইউরোপ ও জাপানের বিভিন্ন আবহাওয়া ও আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট থেকেও তথ্য পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ কেন্দ্রের মাধ্যমে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা, ক্লোরোফিল ঘনত্ব, স্রোতের গতিপথ, বায়ুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস আরও নির্ভুলভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি মৎস্য সম্পদ নির্ধারণ, অফশোর গ্যাস ও খনিজ অনুসন্ধান, বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং সামুদ্রিক গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, এ প্রকল্প নাবিক, জাহাজ ও মৎস্যজীবীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এ প্রকল্পে সীমাবদ্ধ থাকলেও যে উদ্দেশ্যের জন্য এটি স্থাপন করা আছে আমরা সে উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব। প্রয়োজনে আমরা নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করব।

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, এটি বাংলাদেশের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক অর্জন। এই প্রকল্প শিক্ষার্থী ও গবেষকদের ডাটা অ্যানালাইসিস, এআই ও মেশিন লার্নিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে সহায়তা করবে।

এর আগে, ২০১৯ সালে চবি ও চীনের সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফির মধ্যে সহযোগিতা শুরু হয়। ২০২০ সালে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর এবং পরবর্তীতে ২০২৪ সালে স্টেশন স্থাপনের চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি, চবি উপ-উপাচার্যরাসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলার মি. লি শেওপেং, সেকেন্ড ইনস্টিটিউট অব ওশানোগ্রাফি ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল প্রফেসর ড. ফু বিনসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।