খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনাকালের শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতের দীনতা দূর করতে হবে:চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
করোনাকালের শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতের দীনতা দূর করতে হবে:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনাকালের দু:সহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদেরকে সকল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ক্রান্তিকাল অতিক্রমে হিম্মত অর্জন করতে হবে। সাহস, মনোবল ও প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরিস্থিতি মোকাবেলার সবচেয়ে বড় অবলম্বন। সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে যে-সব চিকিৎসক,নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আক্রান্তদের সেবা দিচ্ছেন তার ধারাবাহিকতায় অবশ্যই পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব।

তিনি আজ মঙ্গলবার মোহরাস্থ ছাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথাগুলো বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, অদৃশ্য শক্র মরণঘাতী করোনা ভাইরাস এমনই একটি মারণাস্ত্র যার জীবন বিধ্বংসী নাশকতার চরিত্র-প্রকৃতি কারো জানা ছিল না। তাই এ রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের স্বাস্থ্যখাতের দীনতাগুলো সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। করোনাকালের এই শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতে দীনতা দূর করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সামর্থ্য ও সক্ষমতা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠলেও সরকার নির্বিকার ও নির্লিপ্ত নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেই মনিটরিং করছেন এবং ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগত দীনতাগুলো দ্রুত নিরসন করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য যুদ্ধকালীন অবস্থার মতোই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে সবধরণের উদ্যোগ ও প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা অবশ্যই দেশপ্রেমিক। আমরা ইতোমধ্যেই অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে হারিয়েছি। তাঁরা বীরের মর্যাদায় অভিসিক্ত। পাশাপাশি এটাও লক্ষ্যণীয় যে, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি অংশ তাদের পেশাগত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে করোনা ভীতিতে আক্রান্ত হয়ে নিজেকে গুটিয়ে রেখে দেশপ্রেম বিবর্জিত আচরণে লিপ্ত হয়েছেন। এমনকি সরকারি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র নির্বিশেষে কোন কোন হাসপাতালের অব্যবস্থপনার চিত্র সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে। মেয়র দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নগরবাসীর চিকিৎসা সেবায় চিকিৎসকদের শতভাগ অবদান রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই মানবিক দায়িত্বটুকু পালনে চিকিৎসক-নার্সদের অবশ্যই সচেষ্ট হতে হবে। যারা এ ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন তারা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে অপরাধী হয়ে থাকবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. মো. তৌহিদুল আনোয়ার খান, ডা. কাউছার পারভীন, ডা. আলমগীর, ডা. জোৎস্না রানী বড়ুয়া, ডা. রিয়াজ আহমদ, ডা. রনজিত পাল, ডা. কুসুম আক্তার, ডা. তানজিনা খাতুন, ডা. সামিয়া আফরিন, ডা. ওয়াহিদা বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, আনোয়ার মিজ্জা, মোঃ ফারুক, রুবায়েত হোসেন, নঈম উদ্দিন, খান,আবুল কালাম প্রমুখ।

পরে নগরীর ২নং জালালাবাদ ও ১৩নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে থিয়েটার ইনষ্টিটিউটে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মশালার প্রশিক্ষকদের নির্দেশনা মেনে নিয়ে দূর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানিয়ে মেয়র বলেন, আপনাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য আপনারা অবশ্যই স্বীকৃতিযোগ্য।ভবিষ্যতে সকল সংকট মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আপনারা অগ্রাধিকার পাবেন।

এ সময় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, কর্মশালার আইইডিসিআর এর প্রশিক্ষক ডা. মোহাম্মদ ওমর কাইয়ুম, ডা. তৌহিদুল আনোয়ার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন
২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…