খুঁজুন
শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনাকালের শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতের দীনতা দূর করতে হবে:চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২০, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
করোনাকালের শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতের দীনতা দূর করতে হবে:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ. ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনাকালের দু:সহ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদেরকে সকল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ক্রান্তিকাল অতিক্রমে হিম্মত অর্জন করতে হবে। সাহস, মনোবল ও প্রবল ইচ্ছাশক্তিই পরিস্থিতি মোকাবেলার সবচেয়ে বড় অবলম্বন। সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে যে-সব চিকিৎসক,নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আক্রান্তদের সেবা দিচ্ছেন তার ধারাবাহিকতায় অবশ্যই পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব।

তিনি আজ মঙ্গলবার মোহরাস্থ ছাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনকালে এসব কথাগুলো বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, অদৃশ্য শক্র মরণঘাতী করোনা ভাইরাস এমনই একটি মারণাস্ত্র যার জীবন বিধ্বংসী নাশকতার চরিত্র-প্রকৃতি কারো জানা ছিল না। তাই এ রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের স্বাস্থ্যখাতের দীনতাগুলো সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। করোনাকালের এই শিক্ষা নিয়ে স্বাস্থ্যখাতে দীনতা দূর করতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সামর্থ্য ও সক্ষমতা নিয়ে নানান প্রশ্ন উঠলেও সরকার নির্বিকার ও নির্লিপ্ত নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেই মনিটরিং করছেন এবং ব্যবস্থাপনার ত্রুটিগত দীনতাগুলো দ্রুত নিরসন করে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য যুদ্ধকালীন অবস্থার মতোই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজাতে সবধরণের উদ্যোগ ও প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছেন।

তিনি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তারা অবশ্যই দেশপ্রেমিক। আমরা ইতোমধ্যেই অনেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে হারিয়েছি। তাঁরা বীরের মর্যাদায় অভিসিক্ত। পাশাপাশি এটাও লক্ষ্যণীয় যে, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি অংশ তাদের পেশাগত দায়িত্ব ভুলে গিয়ে করোনা ভীতিতে আক্রান্ত হয়ে নিজেকে গুটিয়ে রেখে দেশপ্রেম বিবর্জিত আচরণে লিপ্ত হয়েছেন। এমনকি সরকারি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র নির্বিশেষে কোন কোন হাসপাতালের অব্যবস্থপনার চিত্র সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে। মেয়র দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত নগরবাসীর চিকিৎসা সেবায় চিকিৎসকদের শতভাগ অবদান রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই মানবিক দায়িত্বটুকু পালনে চিকিৎসক-নার্সদের অবশ্যই সচেষ্ট হতে হবে। যারা এ ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন তারা ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে অপরাধী হয়ে থাকবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. মো. তৌহিদুল আনোয়ার খান, ডা. কাউছার পারভীন, ডা. আলমগীর, ডা. জোৎস্না রানী বড়ুয়া, ডা. রিয়াজ আহমদ, ডা. রনজিত পাল, ডা. কুসুম আক্তার, ডা. তানজিনা খাতুন, ডা. সামিয়া আফরিন, ডা. ওয়াহিদা বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন চৌধুরী, আনোয়ার মিজ্জা, মোঃ ফারুক, রুবায়েত হোসেন, নঈম উদ্দিন, খান,আবুল কালাম প্রমুখ।

পরে নগরীর ২নং জালালাবাদ ও ১৩নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে থিয়েটার ইনষ্টিটিউটে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এই কর্মশালার প্রশিক্ষকদের নির্দেশনা মেনে নিয়ে দূর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানিয়ে মেয়র বলেন, আপনাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য আপনারা অবশ্যই স্বীকৃতিযোগ্য।ভবিষ্যতে সকল সংকট মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে আপনারা অগ্রাধিকার পাবেন।

এ সময় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বী, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, কর্মশালার আইইডিসিআর এর প্রশিক্ষক ডা. মোহাম্মদ ওমর কাইয়ুম, ডা. তৌহিদুল আনোয়ার খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন
২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।