খুঁজুন
, ,

সিআরবিতে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় খুন হন মালেকা,আটক ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2020, 8:10 pm
সিআরবিতে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় খুন হন মালেকা,আটক ৩

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকায় নিজ বাসায় খুন হওয়া মালেকা বেগম (৪৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় মালেকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। খুনের সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তারও করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান তাঁর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. রুবেল প্রকাশ ভোলাইয়া (২৭), মো. সুমন (২০) ও মাইকেল বড়ুয়া (৩২)।

তাদের কাছ থেকে নিহত মালেকা বেগমের ব্যবহার করা মোবাইল সেটটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এর আগে গত ২৩ জুন বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি রেলওয়ের একটি পরিত্যক্ত বাংলোর ভেতর থেকে মালেকা বেগম (৪৫) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মৃতের বোন ফাতেমা বেগম (৪০) এসে লাশটি শনাক্ত করেন।
নিহত মালেকা বেগম লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার রাখালিয়া বাজার খন্দকারপুর মুন্সি বাড়ীর আবুল হোসেন প্রকাশ সুমনের স্ত্রী।

মালেকা তার প্রথম স্বামী আব্দুল জলির মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন আবুল হোসেনকে। নগরের বিআরটিসি ফলমন্ডিতে শ্রমিকের কাজ করেন আবুল হোসেন।

অন্যদিকে সিলেট জেলাধীন শায়েস্তাগঞ্জে এক বছরের ছোট ছেলেসহ বসবাস করে আসছিলেন মালেকা। মাঝে মধ্যে আবুল হোসেন সিলেটে বেড়াতে যেতেন। গত ১৮ জুন মালেকা তার স্বামীর সাথে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম শহরে আসে। শহরে আসার পর মালেকা তার বোনের টাইগারপাস এলাকার বাসায় উঠে। অন্যদিকে আবুল হোসেন তার মা-বাবার সাথে বিআরটিসির বাসায় উঠে।
মালেকার সঙ্গে তার স্বামীর মাঝেমধ্যে ঝগড়া বিবাদ হত। গত ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবুল হোসেন তার ছেলের জন্য দুধ নিয়ে টাইগারপাসের বাসায় যায়। সে সময় মালেকার সাথে ঝগড়া হয়। তখন মালেকা বাসা থেকে বেরিয়ে একদিকে তার স্বামী অন্যদিকে চলে যায়।

এরপর মালেকা পুণরায় বাসায় গিয়ে তার স্বামীর আনা দুধ সাথে নিয়ে তা ফেরত দিতে ফলমন্ডিতে স্বামীর কর্মস্থলে যান। কিন্তু স্বামীকে না পেয়ে দুধগুলো এক দোকানদারের কাছে রেখে চলে যান। একইদিন রাত ১০টার দিকে আবুল হোসেন মালেকার ছোট বোনকে ফোন করে মালেকা বাসায় আছে কিনা জানতে চান। তখন মালেকা বাসায় নেই বলে জানানো হয়। দুই ঘন্টা পর রাত ১২টার দিকে মালেকা পুণরায় ফলমন্ডিতে গিয়ে তার স্বামীকে খোঁজ করে। না পেয়ে স্বামীর এক বন্ধুর কাছ থেকে রিকশাভাড়া নিয়ে চলে যায়।

পরবর্তীতে গত ২৩ জুন বিকেলে কোতোয়ালী থানা পুলিশ সিআরবি রেলওয়ের পরিত্যক্ত বাংলো নং-ই-৪১ এর ভেতরে ঘরের মধ্যে মেঝেতে একজন অজ্ঞাত নারীর লাশ পায়। এরপর ছোট বোন ফাতেমা বেগম (৪০) উক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মেঝেতে শোয়া অবস্থায় লাশটি দেখে তার বোন মালেকা বেগমকে শনাক্ত করে।

কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত রুবেল প্রকাশ ভোলাইয়াকে গতকাল বুধবার (২৪ জুন) বিকেল ৫টার দিকে কোতোয়ালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার তথ্যমতে ঘটনায় জড়িত অপর আসামি সুমনকে একইদিন রাত ৮টায় জামতলার বস্তি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর সুমনের তথ্যমতে মালেকার মোবাইলটির ক্রেতা মাইকেল বড়ুয়াকে এনায়েতবাজারের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল ও সুমন জানিয়েছে, মালেকা বেগমকে নেশা করিয়ে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেছিল তারা। এ সময় মালেকার সাথে ধস্তাধস্তি হয়। তখন গলায় বোরকা দিয়ে পেঁচিয়ে মালেকাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা। এরপর মালেকার মোবাইল সেটটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে মোবাইলটি তারা মাইকেলের কাছে ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করে দেয়।

ওসি মহসীন বলেন, মোবাইল বিক্রির টাকা দিয়ে রুবেল ও সুমন ইয়াবা সেবন করে বলে জানিয়েছে। গ্রেপ্তার সুমন ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে আগে পুলিশের হাতে কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছিল।
২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।