খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিআরবিতে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় খুন হন মালেকা,আটক ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০, ৮:১০ অপরাহ্ণ
সিআরবিতে ধর্ষণে বাধা দেয়ায় খুন হন মালেকা,আটক ৩

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকায় নিজ বাসায় খুন হওয়া মালেকা বেগম (৪৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় মালেকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। খুনের সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তারও করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান তাঁর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. রুবেল প্রকাশ ভোলাইয়া (২৭), মো. সুমন (২০) ও মাইকেল বড়ুয়া (৩২)।

তাদের কাছ থেকে নিহত মালেকা বেগমের ব্যবহার করা মোবাইল সেটটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এর আগে গত ২৩ জুন বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে কোতোয়ালী থানাধীন সিআরবি রেলওয়ের একটি পরিত্যক্ত বাংলোর ভেতর থেকে মালেকা বেগম (৪৫) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মৃতের বোন ফাতেমা বেগম (৪০) এসে লাশটি শনাক্ত করেন।
নিহত মালেকা বেগম লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার রাখালিয়া বাজার খন্দকারপুর মুন্সি বাড়ীর আবুল হোসেন প্রকাশ সুমনের স্ত্রী।

মালেকা তার প্রথম স্বামী আব্দুল জলির মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন আবুল হোসেনকে। নগরের বিআরটিসি ফলমন্ডিতে শ্রমিকের কাজ করেন আবুল হোসেন।

অন্যদিকে সিলেট জেলাধীন শায়েস্তাগঞ্জে এক বছরের ছোট ছেলেসহ বসবাস করে আসছিলেন মালেকা। মাঝে মধ্যে আবুল হোসেন সিলেটে বেড়াতে যেতেন। গত ১৮ জুন মালেকা তার স্বামীর সাথে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম শহরে আসে। শহরে আসার পর মালেকা তার বোনের টাইগারপাস এলাকার বাসায় উঠে। অন্যদিকে আবুল হোসেন তার মা-বাবার সাথে বিআরটিসির বাসায় উঠে।
মালেকার সঙ্গে তার স্বামীর মাঝেমধ্যে ঝগড়া বিবাদ হত। গত ২২ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আবুল হোসেন তার ছেলের জন্য দুধ নিয়ে টাইগারপাসের বাসায় যায়। সে সময় মালেকার সাথে ঝগড়া হয়। তখন মালেকা বাসা থেকে বেরিয়ে একদিকে তার স্বামী অন্যদিকে চলে যায়।

এরপর মালেকা পুণরায় বাসায় গিয়ে তার স্বামীর আনা দুধ সাথে নিয়ে তা ফেরত দিতে ফলমন্ডিতে স্বামীর কর্মস্থলে যান। কিন্তু স্বামীকে না পেয়ে দুধগুলো এক দোকানদারের কাছে রেখে চলে যান। একইদিন রাত ১০টার দিকে আবুল হোসেন মালেকার ছোট বোনকে ফোন করে মালেকা বাসায় আছে কিনা জানতে চান। তখন মালেকা বাসায় নেই বলে জানানো হয়। দুই ঘন্টা পর রাত ১২টার দিকে মালেকা পুণরায় ফলমন্ডিতে গিয়ে তার স্বামীকে খোঁজ করে। না পেয়ে স্বামীর এক বন্ধুর কাছ থেকে রিকশাভাড়া নিয়ে চলে যায়।

পরবর্তীতে গত ২৩ জুন বিকেলে কোতোয়ালী থানা পুলিশ সিআরবি রেলওয়ের পরিত্যক্ত বাংলো নং-ই-৪১ এর ভেতরে ঘরের মধ্যে মেঝেতে একজন অজ্ঞাত নারীর লাশ পায়। এরপর ছোট বোন ফাতেমা বেগম (৪০) উক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মেঝেতে শোয়া অবস্থায় লাশটি দেখে তার বোন মালেকা বেগমকে শনাক্ত করে।

কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত রুবেল প্রকাশ ভোলাইয়াকে গতকাল বুধবার (২৪ জুন) বিকেল ৫টার দিকে কোতোয়ালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার তথ্যমতে ঘটনায় জড়িত অপর আসামি সুমনকে একইদিন রাত ৮টায় জামতলার বস্তি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর সুমনের তথ্যমতে মালেকার মোবাইলটির ক্রেতা মাইকেল বড়ুয়াকে এনায়েতবাজারের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল ও সুমন জানিয়েছে, মালেকা বেগমকে নেশা করিয়ে শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করেছিল তারা। এ সময় মালেকার সাথে ধস্তাধস্তি হয়। তখন গলায় বোরকা দিয়ে পেঁচিয়ে মালেকাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে তারা। এরপর মালেকার মোবাইল সেটটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে মোবাইলটি তারা মাইকেলের কাছে ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করে দেয়।

ওসি মহসীন বলেন, মোবাইল বিক্রির টাকা দিয়ে রুবেল ও সুমন ইয়াবা সেবন করে বলে জানিয়েছে। গ্রেপ্তার সুমন ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে আগে পুলিশের হাতে কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছিল।
২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…