খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মীসহ গ্রেফতার ৩

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে পর্নোগ্রাফি মামলায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ কর্মীসহ গ্রেফতার ৩

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ে দুলাল দাস (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে বিবস্ত্র করে মহিলার সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে
পুলিশ।

গত (২১জুন) শনিবার রাতে দুলাল দাস ঠাকুরগাঁও সদর থানায় পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জনকে
আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ এছাড়াও পলাতকদের ধরতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য ও আব্দুল মোত্তালেবের ছেলে রতন (২২) টিকিয়াপাড়া মহল্লার মৃত বাবলুর ছেলে মনির হোসেন (৩২) ও একই এলাকার এহিয়ার ছেলে রুস্তম (২৮)।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন, পৌর ৩নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আনোয়ার (২৮), জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য অনিক (২২), ঘোষপাড়া বদিউলের মোড় এলাকার টিপু সুলতানের ছেলে সিয়াম (২৩), আখতারুল (২৭), বাপ্পী (২৯) এনামুল (৩৩) বশির পাড়া এলাকার রফিক (২৬)।

মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৯ সালের ৭ই আগষ্ট দুলাল দাসকে
টিকিয়াপাড়াস্থ জনৈক মহিলার বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করিয়ে মহিলার সাথে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে এক দল চাঁদাবাজ। এসময় তারা ৩শ টাকার ষ্ট্যাম্পে দুলাল দাসের সাক্ষর নিয়ে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে কিছুদিন না যেতেই আবারও আনোয়ার, রতন ও তার দল সে ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়ার ভয় দেখিয়ে দুলাল দাসের কাছে আরও ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে মোবাইলে হুমকি দিতে থাকে।

কোন উপায় না পেয়ে দুলাল দাস ১০ জনের নাম উল্লেখ্য করে আরও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত করে পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীরুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের
চেষ্টা চলছে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…