খুঁজুন
, ,

খাগড়াছড়িতে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 4 July, 2020, 11:57 am
খাগড়াছড়িতে হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়ির এইচ এম পার্বত্য হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অনিয়মের পাহাড় জমেছে। প্রতিষ্ঠানটি অধ্যক্ষ ডা. এ কে এম তোফায়েল আহম্মদের বিরুদ্ধের কলেজের কোটি টাকা আত্মসাৎ,সহকর্মীদের বেতন না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, নিয়মবর্হিভূতভাবে অর্থ ব্যয়, ভুয়া কর্মকর্তা কর্মচারী দেখিয়ে তাদের নামে বেতন উত্তোলনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি নারী সহকর্মীকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে তিনি।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েলের বিরুদ্ধে লাগাতার দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে গঠিত হয় ৫ সদস্যের তদন্ত/সাসিং কমিটি।

অভিযোগ রয়েছে সার্সিং কমিটিকে কোন প্রকার সহযোগিতা করছে না ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। কলেজের আয়-ব্যয়ের কোন হিসেবই দিতে পারছে না তিনি।

সার্সিং কমিটির তদন্তে উঠে এসেছে ব্যাপক অনিয়ম। কলেজের আয় এবং ব্যাংক হিসেবে ব্যাপক ফারাক পাওয়া গেছে। কলেজের আয়ের সব টাকা ব্যাংকে জমা হয়নি।

সার্সিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, ‘এইচ এম পার্বত্য হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এর ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ব্যালেন্স দেখানো হয় ৪৩ লাখ ২৮ হাজার ২৩ টাকা অথচ কলেজের ব্যাংক হিসেবে জমা দেখানো হয়েছে ১৭ লাখ ৫২ হাজার ৮শ ৬ টাকা। ঐ সেশনের বাকী ২৫ লাখ ৭৫ হাজার ২শ ১৭ টাকার কোন হিসেব পাওয়া যায়নি। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে কলেজের আয় ছিল ৫৯ লাখ ৯৭ হাজার ৯১ টাকা এর মধ্যে ব্যাংকে জমা পড়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ২শ৫৪ টাকা। অর্থ্যাৎ এই সেশনে ৩০ লাখ ৫৭ হাজার ৮শ ৩৭ টাকার হদিস পাওয়া যায়নি। একই অবস্থা পরবর্তী অর্থবছরেও।

২০১৮-১৯ অর্থ বছরেও ৪৭ লাখ টাকা কলেজের ব্যালেন্সে দেখানো হলেও ব্যাংকে জমা হয়েছে মাত্র ১৬ লাখ টাকা বাদবাকী ৩০ লাখ টাকার কোন হিসেব পাওয়া য়ায়নি। এভাবে কলেজ ফান্ডের টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন।

হোমিওপ্যাথি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এডভোকেট আকতার মামুন চৌধুরী জানান , ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল একটি কলেজকে কুক্ষিগত করেছে। তিনি কলেজের কোটি টাকার উপরে আত্মসাৎ করেছে। কলেজের উন্নয়ন এর জন্য হোমিও প্যাথি বোর্ড থেকে প্রদত্ত ৫ লাখ টাকা, খাগড়াছড়ি রিজিয়ন থেকে প্রদত্ত ৫ লাখ টাকা এবং জেলা প্রশাসকের তহবিল থেকে প্রাপ্ত ১ লাখ টাকার যথাযথ ব্যবহার করেননি তিনি।

এছাড়া বিভিন্ন নিয়োগের নামে অন্তত ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেও পরিপূর্ণ অধ্যক্ষের সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে। পরিচালনার কমিটির অনুমতি ছাড়া বেআইনীভাবে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করেছে। কলেজের টাকা নয়ছয় করে অর্থসম্পদের মালিক হয়েছে। কমিটির অনুমোন ছাড়া নিজের স্ত্রীকে কলেজে নিয়োগ দিয়ে বেতন উত্তোলন করছেন। ’

এছাড়া ডা.রীতা রানী ভৌমিক নামে কলেজের এক সিনিয়র মেডিকেল অফিসার এর বেতনও আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এই নিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন,‘২০১৭ সাল থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী আমার বেতন পাওয়ায় কথা থাকলেও অধ্যক্ষ আমাকে তা দেয়নি। ২০০৯ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন দিয়ে বাকী টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। আমার বেতনের অর্থ আত্মসাৎ এবং ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন না দেওয়ায় ২০১৯ সালে ডিসেম্বর এর পর থেকে বেতন উত্তোলন বন্ধ রেখেছি। দুই বছরে তিনি আমার বেতনের প্রায় ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা আত্মাসাৎ করেছেন। এছাড়া ছয়মাসে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও তা তিনি দেননি। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলায় কলেজ অধ্যক্ষ আমাকে ধর্ষণের হুমকিও দিয়েছে।’

কলেজের বিভিন্ন খাত থেকে আয় হওয়া লক্ষ লক্ষ টাকা কেন ব্যাংকে জমা রাখেনি সেই বিষয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. এ কে এম তোফায়েল আহম্মদ। তবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে তিনি।

তিনি আরো বলেন,‘সামনে ম্যানিজিং কমিটি গঠন হবে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ায় জন্য আমারা বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে।

কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ‘হোমিপ্যাথি কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করার জন্য অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে রির্পোটের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২৪ ঘণ্টা/এম আর/প্রদীপ

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।