খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে সশস্ত্র হামলায় নিহত ছয় নেতাকর্মীর মধ্যে পাঁচ জনের বাড়ি খাগড়াছড়িতে, প্রতিবাদে জেএসএস’র বিক্ষোভ(ভিডিওসহ)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে সশস্ত্র হামলায় নিহত ছয় নেতাকর্মীর মধ্যে পাঁচ জনের বাড়ি খাগড়াছড়িতে, প্রতিবাদে জেএসএস’র বিক্ষোভ(ভিডিওসহ)

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : বান্দরবানে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে ৬ নেতাকর্মী হত্যার ঘটনায় খাগড়াছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দ্বিধাবিভক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস-এম এন লারমা)।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকালে জেলা শহরের মহাজনপাড়াস্থ সূর্য শিখা ক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

সংগঠনটির জেলা শাখার সহ-সভাপতি সুভাষ চাকমার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সিন্ধু কুমার চাকমা, জেলা কমিটির যুব বিষয়ক সম্পাদক প্রত্যয় চাকমা এবং পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি দীপন চাকমা।

সমাবেশে থেকে বান্দরবানে ছয় নেতাকর্মী হত্যার ঘটনায় সন্তু লারমা সমর্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে বক্তারা বলেন, সন্তু লারমা পাহাড়ে একের পর এক নারকীয় হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। তারপরও তিনি আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বহাল তবিয়তে আছেন। অবিলম্বে হামলার ঘটনার বিচার দাবি করে করেন। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচিরও ঘোষণা দেন তারা।

এদিকে পিসিজেএসএস-এম এন লারমা অংশের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা এক বিবৃতিতে জানান, বান্দরবানে নিহতদের মধ্যে বিমল কান্তি চাকমা প্রকাশ বিধু বাবু’র বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার কুড়াদিয়া ছড়া এলাকায়। তিনি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি। এছাড়া অপর নিহতদের মধ্যে উপদেষ্টা কমিটির সদস্য চিংথোয়াইয়াঅং মারমা প্রকাশ ডেভিডের বাড়ি মানিকছড়ি, বান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি রতন তঞ্চগ্যার বাড়ি বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার নোয়াপতং, পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির সদস্য রবীন্দ্র চাকমা মিলনের বাড়ি মহালছড়ি উপজেলার খুলরাম পাড়া এবং যুব সমিতির সদস্য রিপন ত্রিপুরা জয় ও জ্ঞান ত্রিপুরা দীপেনের বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার বাইল্যাছড়িতে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/প্রদীপ

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…