খুঁজুন
, ,

একনেকে ১১৩৬ কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 21 July, 2020, 4:52 pm
একনেকে ১১৩৬ কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চলতি অর্থবছরের তৃতীয় সভায় ১ হাজার ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ২৮ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান ১০৮ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। শেরে বাংলানগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানান।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ‘খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্প; সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘লাঙ্গলবন্দ-কাইকারটেক-নবীগঞ্জ জেলা মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ থেকে মিনার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ (জেড-১০৬১) (ভূমি অধিগ্রহণ) (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৩টি প্রকল্প যথাক্রমে ‘কুমিল্লা জেলার তিতাস ও হোমনা উপজেলায় তিতাস নদী (লোয়ার তিতাস) পুনঃখনন’ প্রকল্প, ‘গাইবান্ধা জেলার সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার গোঘাট ও খানাবাড়ীসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা যমুনা নদীর ডান তীরের ভাঙন থেকে রক্ষা’ প্রকল্প ও ‘চর ভেডেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রজেক্ট-ব্রিজিং (অতিরিক্ত অর্থায়ন) (বাপাউবো অংশ)’ প্রকল্প এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে একনেক সভায় যুক্ত হন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ : এমডি 

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 8:09 pm
চট্টগ্রাম ওয়াসার বিলিং সিস্টেমে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর উদ্যোগ : এমডি 

চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষের (চট্টগ্রাম ওয়াসা) গ্রাহকসেবা আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম ওয়াসার যৌথ উদ্যোগে ‘বিলিং সিস্টেম উন্নয়ন কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন ভবনের ৩য় তলার সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় ৩৬ জন মিটার পরিদর্শক, চট্টগ্রাম ওয়াসার ১২ জন কর্মকর্তা উক্ত কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক(অর্থ) মিজ্ শারমিন আক্তার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোঃ জানে আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বিদ্যমান বিলিং প্রক্রিয়া, বর্তমানে ম্যানুয়ালি পরিচালিত বিভিন্ন সেবা এবং প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

কর্মশালায় মিটার পরিদর্শক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাঁদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় মতামত তুলে ধরেন। তাঁদের এসব পরামর্শ চট্টগ্রাম ওয়াসার সেবাদানের বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি উন্নয়নে সহায়ক হবে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম চট্টগ্রাম ওয়াসার জন্য ওয়ান-স্টপ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে চট্টগ্রাম ওয়াসাকে ডিজিটাল সেবাব্যবস্থায় রূপান্তরিত হতে হবে এবং এ লক্ষ্যে ওয়াটারএইডের প্রস্তাবটি ইতিবাচক।
আমরা সবকিছুর ঊর্ধ্বে চট্টগ্রাম ওয়াসার স্বার্থকে গুরুত্ব দিতে চাই এবং ডিজিটালাইজেশন ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবার মান উন্নত করতে চাই। বিলিং সিস্টেম উন্নত হলে গ্রাহক সেবার মানও উন্নত হবে এটা নিশ্চিত।

তিনি ডিজিটাল ব্যবস্থাটি উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও মতামত প্রদানের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠীর কাছ থেকে রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম শক্তিশালী করতে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন। এ ক্ষেত্রে ঢাকা ওয়াসার সঙ্গে নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠীর রাজস্ব সংগ্রহে ওয়াটারএইডের পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

বিলিং সিস্টেম উন্নয়ন কর্মশালাটি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম ওয়াসার মধ্যকার সহযোগিতা আরও জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মিটার পরিদর্শক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতামত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসার জন্য আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:49 pm
চট্টগ্রামে ‘মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন’ শীর্ষক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক আজ ২২ জুলাই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

“মাদককে না বলুন, সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন”-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ (কর্ণফুলী এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) এবং স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সিডিসি, সংশপ্তক, অপরাজেয় বাংলাদেশ, ঘাসফুল, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থা।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর কর্ণফুলী এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনি রোজারিও-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), চট্টগ্রামের প্রসিকিউটর নেজাম উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাহিদ হোসেন মোল্লা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে এবং সমাজব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এই সামাজিক মহামারী থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে কেবল প্রশাসনিক পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়; বরং খেলাধুলা, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা এবং ইতিবাচক বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। বক্তারা সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সভায় চট্টগ্রাম এলাকার প্রায় ২৫০ জন যুবক-যুবতী অংশগ্রহণ করেন, যাদেরকে মাদকের বিরুদ্ধে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

আলোচনা পর্ব শেষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের যুব ফোরামের সদস্যবৃন্দ এবং দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পলি শারমিন-এর মনোজ্ঞ পরিবেশনায় এক মাদকবিরোধী কনসার্ট ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সংগীত ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ ও মাদকমুক্ত জীবন গড়ার অনুপ্রেরণামূলক বার্তা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন সিডিসি-র নির্বাহী পরিচালক লুৎফুন্নেছা রূপসা,ঘাসফুলের উপ-পরিচালক মারুফুল করিম চৌধুরী, স্বপ্নীল ব্রাইট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো: আলী সিকদার, সংশপ্তকের প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াসমীন পারভিন, অপরাজেয় বাংলাদেশের ইনচার্জ জিন্নাত আরা বেগম, এবং ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থার প্রোগ্রাম ম্যানেজার পিযুষ দাশ গুপ্ত।

এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের পক্ষে ডেনিস তপ্ন, রীতা দোলন রোজারিও, শারমিন আক্তার, রিপা চাকমা, পায়েলে খ্রীস্টিনা দাশ ও স্মীতা দে ও ঘাসফুলের প্রকল্প সমন্বয়কারী সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা ও সার্বিক সমন্বয় করেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 July, 2026, 7:24 pm
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল-এর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।

গত ১৯ জুলাই রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্মারক নং-৪৫.০০.০০০০.০০০.১৬০.০৬.০০০৭.২৬(অংশ-১).৭৫৮ মূলে সরকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-১ শাখার উপসচিব কাজী শরীফ উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই সংসদ সদস্যকে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিরও সহ-সভাপতি।

মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ায় চট্টগ্রামবাসী অনেক খুশী।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নবাগত সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি’কে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-৯ আসন মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর জেনারেল হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সুনজর দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশে জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবা চালু হয়েছে। শূন্যপদগুলোতে চিকিৎসক নিয়োগের পর হাসপাতালে আগত রোগী সাধারণ ইনডোর ও আউটডোরে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রায় সকল ধরণের ওষুধ হাসপাতাল থেকেই পাচ্ছে। রোগী সাধারণ তাদের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমূল্যে করাতে পারছে। জেনারেল হাসপাতাল একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে পরিণত হচ্ছে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নবাগত সভাপতি মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এমপি’র নেতৃত্বে এ হাসপাতালের কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও গতিশীল হবে এবং রোগীরা তাদের কাক্সিক্ষত সেবা পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ একরাম হোসেন।