ওসি প্রদীপ-লিয়াকতসহ ৯ পুলিশকে আসামী করে মেজর সিনহা হত্যা মামলা দায়ের
মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যার বিচার চেয়ে টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্য মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলায় টেকনাফের বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি ও ওসি প্রদীপসহ ৯ জনকে আসামী করে বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১১ টার দিকে এ মামলাটি আদালতে ফাইল করা হয়।
মামলার প্রধান কৌশলী সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের বড়বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় বাহারছরা তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত আরো ৭ জনকে আসামী করা আসামী করা হয়েছে।
অন্যান্য আসামীরা হলেন-এসআই নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মোঃ মোস্তফা। দন্ডবিধি ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলায় মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের সঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাত সহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালত সুত্রে জানা গেছে, মামলাটি বিজ্ঞ বিচারক এজলাসে বসলে মামলাটি গ্রহন করে র্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্যাট আদালতের নিয়মিত বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাং হেলাল উদ্দিন ছুটিতে থাকায় টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক তামান্না ফারাহ্ মামলাটির গ্রহনযোগ্যতা শুনানি করেন বলে আদালত সুত্রে জানা গেছে।
মামলার প্রধান কৌশলী সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, এসআই লিয়াকতকে প্রধান আসামী ও ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯জনকে আসামী করা হয়েছে।
বিজ্ঞ আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে র্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। ৭ কার্য দিবসে ওনারা রিপোর্ট প্রদান করবেন।
২৪ ঘণ্টা/এম আর


আপনার মতামত লিখুন