খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাটকীয় জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
নাটকীয় জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজি

এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের যাত্রার সমাপ্তি প্রায় দেখে ফেলেছিল পিএসজি। রেফারির ঘড়ির কাঁটা তখন ৯০ ছুঁই ছুঁই, তখনও আটালান্টার বিপক্ষে ১-০’তে পিছিয়ে পিএসজি। ৯০তম মিনিটে মার্কুইনোস এক গোল দিয়ে সমতায় ফেরালেন দলকে। তখন অতিরিক্ত সময়ে গড়াচ্ছে ম্যাচ। কিন্তু নাটকীয়তার শেষ তখনই নয়। শেষ মুহুর্তের জন্য তোলা ছিল নেইমার-এমবাপেদের কাছে। এরিক চুপো মোটিং ৯৩ মিনিটে আরেকবার আটালান্টার জালে বল জড়ালেন। আর তাতেই হৃদয় ভাঙল আটালান্টার। এবং সেই সঙ্গে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠে গেল পিএসজি।

ইউরো ক্লাব ইন্ডেক্স বলছিল কোয়ার্টার ফাইনালের এই ম্যাচে জয়ের সম্ভবনা দুই দলেরই প্রবল। একছত্র আধিপত্য দেখাতে পারবেনা কোনো দলই। দুই দলের মধ্যে ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ জয়ের সম্ভবনা আটালান্টার আর ৫২ দশমিক ৯৭ শতাংশ জয়ের সম্ভবনা পিএসজির। লিসবনে দেখা মিললো সেটাই। ধারাভাষ্যকরের ভাষায় ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ এট ইটস বেস্ট।’ ইতালির ইতিহাস গড়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলতে এসে কোয়ার্টার ফাইনালে আটালান্টা। আর পিএসজির সঙ্গে ম্যাচের ৯০ মিনিট পর্যন্ত লড়াই। শেষ মুহুর্তে মার্কুইনেসের গোলে সমতায় আর চুপো মোটিংয়ের গোলে জয় নিশ্চিত।

খাতা কলমে পিএসজি এগিয়ে থাকলেও ছেড়ে কথা বলেনি আটালান্টাও। পৃথিবীর সবচেয়ে রক্ষণাত্মক লিগে খেলেও মুড়ি মুড়কির মতো গোল করা আটালান্টা রুপকথা গড়েই ফেলেছিল। তবে শেষ মুহুর্তের দুই গোলে হাতছাড়া সেমি। ম্যাচের ৯০ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থাকা এরপর তিন মিনিটের নাটকীয়তা! আর পিএসজির জয়।

লিসবনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভবনা ছিল প্রবল। তবে জয়ের বাজি প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর পক্ষেই ছিল। কিন্তু ছেড়ে দেওয়ার দল নয় আটালান্টাও। দুর্দান্ত ফুটবল খেলে বিশ্বের নজর কাড়া আটালান্টার আক্রমণভাগের ওপর নজর ছিল তাই সকলের। আর তা ম্যাচ জুড়ে দেখিয়েছেও। পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচের ২৭ মিনিটে মারিও পাসালিচের দুর্দান্ত এক গোলে এগিয়ে যায় আটালান্টা। ডুভান জাপাতার অ্যাসিস্ট থেকে গোল আসে আটালান্টার। আর এভাবেই শেষ হয় প্রথামার্ধ।

তবে এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পরেই যেন মরিয়া হয়ে ওঠে পিএসজি। একের পর এক আক্রমণ ছিন্ন ভিন্ন করতে শুরু করে আটালান্টার রক্ষণ। তবে কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছিল না। ক্রিকেটের ভাষায় ‘ঠিক ব্যাটে বলে যেন মিলছিল না।’ আর তাই তো অপেক্ষা বাড়তে থাকলো আর আটালান্টা স্বপ্ন বুনতে থাকল। ইনজুরিতে পড়ে আটালান্টার বিপক্ষে ম্যাচে খেলা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তবে শেষ মুহুর্তে দলের সঙ্গে থাকলেও প্রথমার্ধে ছিলেন না মাঠে। আর তার অনুপস্থিতি হাড়ে হাড়ে টেরও পেয়েছে পিএসজি। এমবাপে আর ডি মারিয়ার অনুপস্থিতিতে চাপটা যেন বেশিই ছিল নেইমারের কাঁধে।

চাপের মুহুর্তে দলকে ঠিকই কক্ষপথে রেখেছিলেন নেইমার। তবে বাজে ফিনিশিংয়ের কারণে প্রথমার্ধে আর সমতায় ফিরতে পারেনি পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে শুরু করে আটালান্টা আর তাতেই টুঁটি চেপে ধরে নেইমাররা। আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়। তবে একের পর এক সুযোগ হারানোর মহড়া দেওয়া পিএসজিকে গুণতে হচ্ছিল মাশুল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে পাবলো সারাবিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন এমবাপে তখনও ১-০ গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পিএসজি।

পিছিয়ে থাকলে হাল ছাড়েনি এমবাপেরা। ম্যাচের অন্তিম মুহুর্ত পর্যন্ত চালিয়ে গেছেন লড়াই। আর ম্যাচের পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় এই ম্যাচ জিততে পিএসজি ঠিক কতটা মরিয়া।

আটালান্টার গোল বরাবর ১৭টি শট ১৬টি গোলের সুযোগ তৈরি করে পিএসজি। তবে সুযোগ হারানোর মহড়ায় গোল হাতছাড়া হয় নেইমারদের। আর তাই তো হাতছাড়া হতে বসেছিল সেমিফাইনালের টিকিট। তবে ফুটবলে শেষের আগে শেষ বলে যে নেই কিছু তা আরও একবার বুঝিয়ে দিল পিএসজি।

রেফারির ঘড়ির কাঁটায় তখন ৯০ মিনিট চলছে, আর চতুর্থ রেফারি তখন অতিরিক্ত সময় হিসেবে যোগ করেছেন ৫ মিনিট। অর্থাৎ ম্যাচে ফিরতে পিএসজির আছে মাত্র পাঁচ মিনিট। ডি বক্সের ভেতর বল পেয়ে যান নেইমার, তবে জমাট বাধা রক্ষণে শট না নিয়ে বল বাড়িয়ে দেন ছয় গজের ভেতরে সেখান থেকে মারকুইনেসের শট। আর গোল! ৯০ মিনিটে এসে ম্যাচে সমতায় ফিরল পিএসজি।

ধারাভাষ্যকররা গলা ফাটাচ্ছেন ম্যাচ গড়াচ্ছে অতিরিক্ত সময়ে। তবে নেইমার-এমবাপেদের ভাবনায় ছিল অন্যকিছু। ম্যাচের তখন ৯৩ মিনিট চলছে, নেইমার পাস থেকে বল পেয়ে যান এমবাপে। আর ঠান্ডা মাথায় ডি বক্সের ভেতরে মাটি কামড়ানো পাস সতীর্থ চুপো মোটিংয়ের উদ্দেশে বাড়িয়ে দেন এমবাপে। আর ডি বক্সের ভেতর থেকে বল জালে জড়াতে এক চুল ভুল করেননি মোটিং। ব্যাস ৯০ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও ৯৩ মিনিটে এসে ২-১ গোলে এগিয়ে পিএসজি। আর এর কিছু সময় পরেই শেষ বাঁশি বাজিয়ে দেন রেফারি। তাতেই নেইমার-এমবাপেদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…