খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিনদুপুরে মই দিয়ে কাশিমপুর জেল থেকে পালান আবু বকর, ক্যামেরায় সে দৃশ্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
দিনদুপুরে মই দিয়ে কাশিমপুর জেল থেকে পালান আবু বকর, ক্যামেরায় সে দৃশ্য

দিনের আলোয় গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের ১৮ ফুট উঁচু সীমানাদেয়াল টপকে পালিয়েছেন যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি আবু বকর সিদ্দিক। কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো কারাগারের দেয়াল টপকাতে তিনি মই ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। অথচ কারাগারটির চার কোনায় অনেক উঁচুতে স্থাপিত পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে সর্বক্ষণ রয়েছে নিরাপত্তা প্রহরী। ভেতরের উন্মুক্ত স্থানে কে কী করছে তা সহজেই চোখে পড়ে তাদের। কিন্তু সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে গেছেন আবু বকর। গতকাল বুধবার পর্যন্ত তাঁকে খুঁজে পায়নি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা কারা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বন্দি আবু বকরের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা তদন্তে গঠিত তিন সদস্যর কমিটিতে আরো দুজন যুক্ত হয়েছেন। এ কারণে আগে বেঁধে দেওয়া তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়নি কমিটি।

আইজি (প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে আরো দুজন যুক্ত হওয়ায় তদন্ত রিপোর্ট দিতে দেরি হচ্ছে।’ আজ বৃহস্পতিবার কাঙ্ক্ষিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটি ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা থেকে বকরের পালিয়ে যাওয়ার পুরো চিত্র পেয়েছে। এরই মধ্যে দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১২ জন কারারক্ষীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কারা সূত্র জানায়, কারাগারের ভেতরে বিভিন্ন কাজ করার জন্য ল্যাডার (মই) রয়েছে। আবু বকর সেই মই দিয়ে অনেকবার বিদ্যুতের কাজ করেছেন।

ঘটনার দিন দুপুরের পর তিনি মইটি নিয়ে অনেকের চোখের সামনে দিয়েই সীমানাপ্রাচীরের দিকে যান। তখন তিনি কোনো কাজে যাচ্ছেন ভেবে কেউ কিছু বলেনি। তাঁকে পাহারাও দেননি কোনো কারারক্ষী। এই সুযোগে মই লাগিয়ে সহজেই তিনি উঠে যান দেয়ালের ওপর। পরে লাফ দিয়ে বাইরের দিকে নেমে পালিয়েও যান। সন্ধ্যায় লক-আপ করার সময় বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।

গত ৬ আগস্ট গাজীপুরের কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে এভাবে পালিয়ে যান বন্দি আবু বকর। এরপর অতিরিক্ত আইজি (প্রিজন্স) কর্নেল আবরার হোসেনকে প্রধান করে তিন সদস্যর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে রয়েছেন ডিআইজি প্রিজন্স তৌহিদুল ইসলাম ও একজন জেলার।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…