খুঁজুন
, ,

‘সংবাদপত্রে ইতিবাচক ধারা প্রবর্তন করেছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2020, 5:15 pm
‘সংবাদপত্রে ইতিবাচক ধারা প্রবর্তন করেছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যন্ডার্ড এর অনলাইন ভার্সনের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে আজ শনিবার (২২ আগষ্ট) সকালে পত্রিকাটির চট্টগ্রাম কার্যালয়ে রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

সকাল ১১ টায় কেক কাটার মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান শামছুদ্দিন ইলিয়াছ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় ভালো কনটেন্ট আছে, আছে পেশাদারিত্ব। এই পেশাদারিত্ব বজায় থাকলে পত্রিকাটি অনেকদূর যাবে। পত্রিকার পেইজ হচ্ছে বাজার। এই বাজারে যত বেশি ভাল পণ্য থাকবে তত বেশি সেই বাজারে মানুষের ভিড় থাকবে, বেচাকেনা অর্থাৎ পত্রিকার কাটতি বাড়বে।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে সুজন বলেন ‘ফেস ইনডেক্স দ্য মাইন্ড’। মানুষের মুখচ্ছবি দেখলে বুঝা যায়, মানুষটির ভেতরে কী আছে। ঠিক একইভাবে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় কী আছে তা প্রথম পৃষ্ঠা দেখলেই বুঝা যায়।পত্রিকার নিউজ পেইজে ভালো সংবাদ থাকলে অবশ্যই পাঠকপ্রিয়তা পাবে। নতুন প্রজন্ম ভালো কিছু প্রত্যাশা করে। সবার আগে প্রয়োজন পেশাদারিত্ব, সততা এবং দক্ষতা। একটি পত্রিকায় এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয় থাকলে অবশ্যই পাঠকপ্রিয়তা পাবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সম্পর্কে খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আ জ ম নাছির উদ্দিন সাবেক সফল এবং ক্রিয়েটিভ মেয়র।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড অল্প সময়ের মধ্যে পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছেন। এর ব্যাপ্তি আরো বাড়–ক এই প্রত্যাশা করি। ইতিবাচক সংবাদ পাঠকদের বেশি আকৃষ্ট করে।

তিনি আরো বলেন, মিডিয়া নেতিবাচক সংবাদ বেশি প্রকাশ করে বলে জাতি সম্পর্কে নেতিবাচক ধারনা তৈরী হচ্ছে। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা চলমান ধারার বিপরীতে শক্ত অবস্থান তৈরী করবে। চট্টগ্রামের সমস্যাগুলোকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হলে নীতিনির্ধারকরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। দেশের স্বার্থ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশ করলে ইতিবাচক ধারনা তৈরী করতে ভুমিকা রাখবে।

পিএইপি ফ্যামিলির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মহসিন বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সংবাদের গতানুগতিক ধারার বাইরে ইতিবাচক ধারা তৈরী করেছে। আমাদের চিন্তায় একটি ধারনা আজ বেশি কাজ করে নেগেটিভ সংবাদ প্রকাশ না করলে পত্রিকা চলেনা। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এই ধারনার পরিবর্তন করেছে। ইতিবাচক সংবাদ দিয়ে পাঠকপ্রিয়তা পাওয়া যায় দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড তার একটি উদাহারন।

কেএসআরএম এর ডিএমডি শাহরিয়ার জাহান বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড শুরু থেকেই বাজারে প্রতিযোগীতামুলক অবস্থায় আছে। তার কনটেন্ট , আর্টিকেল, ডিজাইন, উপস্থাপনা সব কিছুই নান্দনিক এবং পাঠকদের আকর্ষন করে। শুরু থেকেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশাকে পত্রিকায় তুলে ধরা হচ্ছে। আমরা এই পত্রিকার সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ডিএমডি সালমান হাবিব বলেন, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলাদেশের সংবাদ শিল্পে একটি নতুন বেঞ্চমার্ক স্থাপন করেছে। প্রতিষ্ঠার এক বছরের মধ্যে, এটি দেশের সবচেয়ে বহুল পঠিত সংবাদপত্রে পরিণত হয়েছে। ইতিবাচক এবং গঠনমুলক সাংবাদিকতার জন্য দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

এলবিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান রাইসুল উদ্দিন সৈকত বলেন, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড তার পাঠকদের খুবই গুরুত্ব দেয়। বিজনেস কমিউনিটির সমস্যা সম্ভাবনা খুবই গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে। আমি এই পত্রিকার নিয়মিত পাঠক। তাদের অগ্রযাত্রা আরো সুদুর প্রসারী হোক।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস বলেন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড শুরু থেকেই সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছে। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর জন্য সবসময় সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, দেশ রূপান্তরের ব্যুরো প্রধান ফারুক ইকবাল, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক দেব দুলাল ভৌমিক, পাঠাগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য স ম ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম সংবাদিক ইউনিয়নের সভাপাতি মোহাম্মদ আলী, সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমদ, জামালখান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন,একুশে পত্রিকা সম্পাদক আজাদ তালুকদার, বাংলাভিশন ব্যুরো প্রধান নাসির উদ্দীন তোতা, আমাদের সময়ের ব্যুরো প্রধান হামিদ উল্লাহ,দীপ্ত টিভির বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান লতিফা আনসারী রুনা, প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার মাসুদ মিলাদ, কেএসআরএম এর মিডিয়া এডভাইজার মিজানুল ইসলাম প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 1:37 pm
ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ চট্টগ্রামের গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা, জিম্মি সহকর্মীরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত ফরেস্ট গার্ড গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক চাঁদাবাজি ও সহকর্মীদের জিম্মি করে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক ও ফৌজদারহাট বন বিটের ক্যাশিয়ার হিসেবে সর্বত্র তার পরিচিতি রয়েছে। চট্টগ্রামে তার বাড়ি হওয়ায় ভিন্ন জেলার সহকর্মী ও উর্ধ্বতনদের পাত্তাই দেয় না গিয়াস উদ্দিন।

‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গিয়াস উদ্দিনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ফৌজদারহাট বিট অফিসে। তার পদবী (এফ,জি) ফরেস্ট গার্ড হলেও চলনে,বলনে তিনি যেন মস্ত বড় অফিসার। উত্তর বন বিভাগের লাইন নিয়ন্ত্রক হিসেবে আয়ও করেন ভালো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রাম বন বিভাগে কর্মরত অনেকেই বলেন, তার দৈনিক আয় ৪০/৫০ হাজার টাকার অধিক।

বিভিন্ন গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি থেকে দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করেন বলে নিশ্চিত করেন তার সহকর্মীরাই।

সুত্র জানায়, কিছু অসাধু উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও গিয়াস উদ্দিনের চাঁদার ভাগ পায়। দৈনিক লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করলেও সেই টাকার ৫০/৬০ ভাগ চলে যায় উর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করতে।

অপর এক সুত্র জানায়, গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গিয়াস উদ্দিন আওয়ামী ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একটানা ৯ বছর চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকেন। ৫ আগস্টের পরেও রহস্য জনক কারণে গিয়াস উদ্দিন রয়েছেন একই রেঞ্জে বহাল তবিয়তে। একটানা ১০/১১ বছর একই রেঞ্জে কর্মরত থাকার নজির বন বিভাগে না থাকলেও গিয়াস উদ্দিন এই নজির স্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন অনেকে।

‎দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে বদলি হওয়ার বিধান থাকলেও গিয়াস উদ্দিনের টাকার কাছে তা অকার্যকর।

‎চট্টগ্রামের বলিরহাট, বহদ্দারহাট, ফিরিঙ্গী বাজার, বাদুরতলা,শোলক বহর সহ বিভিন্ন এলাকার ১০/১২ জন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গাছের বা ফার্নিচারের প্রতি গাড়ি হতে ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করেন ফরেস্টর গিয়াস উদ্দিন। এছাড়া মাসোহারাও দিতে হয় প্রতি মাসে।

গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠের শুরে বলেন, ‎বন বিভাগের যন্ত্রনায় ব্যবসা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। এছাড়া বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি সহ অন্যান্য এলাকা থেকেও যে সব গাছ ও ফার্নিচারের গাড়ি আসে তাদের থেকেও নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করেন গিয়াস উদ্দিন।

দৈনিক ২০টির অধিক গাড়ি থেকে ফৌজদারহাট বিটে চাঁদাবাজি হয় বলে নিশ্চিত করেন অনেকে।

এদিকে নগরীর বৃহত্তর ফার্নিচার হাট খ্যাত বলিররহাট ও ফিরিঙ্গীবাজারের একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, বন বিভাগের একচ্ছত্র আধিপত্য গিয়াস উদ্দিনের। তার চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে ব্যবসা করা কঠিন। চট্টগ্রামের যে কোন গাছ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ীরা একই কথা বলবে এমন দাবি করে বলেন, বান্দরবান, সাতকানিয়া, রাঙ্গুনিয়া, রাঙামাটি খাগড়াছড়ির ব্যবসায়ীরাও গিয়াস উদ্দিনের হাতে জিম্মি।

‎এই বিষয়ে গিয়াস উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন তিনি সব দায় এস ও আশরাফ এর বলেই ফোনের লাইন কেটে দেন।এর পর তাকে বারবার ফোন করলে ও তিন আর ফোন রিসিভ করেন নি,পরে থাকে তার ওয়াটসআপ নাম্বারে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ও তার পুরোপুরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এইবিষয়ে ফৌজদারহাট বিটের স্টেশন অফিসার আশরাফ এর কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন মাত্র দেড় মাস আগে আমি এই স্টেশনে যোগদান করেছি, গিয়াস উদ্দিন এর ব্যাপারে অভিযোগ পাইলে উর্ধতন কর্মকর্তাগন অফিসিয়ালি ব্যাবস্হা নিবেন।

‎দ্বিতীয় পর্ব আসছে…

কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 12:03 pm
কর্ণফুলীতে ডুবল লাইটার জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর নেভাল একাডেমি সংলগ্ন এলাকায় পাথরবোঝাই একটি লাইটার জাহাজ আংশিক ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় জাহাজে থাকা ১২ নাবিকের সবাইকে জীবত অবস্থায় উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নেভাল একাডেমির বিপরীতে ট্রেনিং ওয়ালের পাশে ‘এমভি বে হারবার-২’ নামের লাইটার জাহাজটি এই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কোস্টগার্ডের জনসংযোগ শাখা থেকে জানা গেছে, জাহাজডুবির খবর পাওয়া মাত্রই কোস্টগার্ডের একটি দল দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আটজন এবং পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আরও চারজনসহ মোট ১২ নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 30 June, 2026, 11:05 am
আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না : আপিল বিভাগ

ঋণ খেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

আসলাম চৌধুরীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ঋণ খেলাপির অভিযোগ থাকা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির শেষ দিন গত ১৮ জানুয়ারি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংকের করা রিট হাইকোর্ট খারিজ করে দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পরে আপিল বিভাগে আবেদন করে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকী লিভ টু আপিল করেন। ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহালের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন।

ফলে আসলাম চৌধুরী নির্বাচন করার সুযোগ পান। কিন্তু আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে এবং ফলাফল প্রকাশ হবে না বলে আদেশ দেওয়া হয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি।