খুঁজুন
শনিবার, ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“জিয়া পরিবার ও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় সরকার ঈর্ষান্বিত”

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
“জিয়া পরিবার ও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় সরকার ঈর্ষান্বিত”

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, জিয়া পরিবার ও তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় বর্তমান সরকার ঈর্ষান্বিত। বিএনপি তথা জিয়া পরিবারকে রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতেই এক এগার সেনা সমর্থিত সরকার জিয়া পরিবারের উপর স্টীমরোলার চালায়।

তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে দিনের পর দিন রিমান্ডের নামে নির্যাতন করে টানা ৫৪৬ দিন কারাবাসের পর সরকারের সাজানো সবকটি মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়ে ২০০৮ সালে পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মুক্তি লাভ করেন।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের ১৩তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে নগরীর আমানত শাহ মসজিদে বাদে আছর খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, ১/১১ সেনা সমর্থিত সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার। যাদের দিনের শুরু হয় জিয়া পরিবারকে গালমন্দ করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে। বর্তমানে দেশে উন্নয়নের নামে লুটপাটতন্ত্র চলমান। চারিদিকে উন্নয়নের নামে হরিলুট করে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হচ্ছে প্রিয় স্বদেশ। ক্ষমতাসীন সরকার শুধু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চরিত্র হননের নামে
মিথ্যা ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্ট করছে।

তিনি এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের ১৩তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে তার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

খতমে কোরআন ও দোয়া মিলাদ মাহফিল শেষে মুনাজাত পরিচালনা করেন আমানত শাহ মসজিদের খতীব। মুনাজাতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন ও শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সি.সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নূর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, আব্দুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, হাসান মুরাদ, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মোহাম্মদ আলী সাকী, সি. যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, সেলিম খান, এরশাদ উল্লাহ, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, তানভির মল্লিক, ওমর ফারুক, গুলজার হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, ওসমান গণি, জমির উদ্দিন আহমেদ মানিক, জাফর আহমেদ খোকন, রাসেল নিজাম, শওকত আলী জুয়েল।

সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, আজিজুল হক মাসুম, জসিম উদ্দিন সাগর, মহিউদ্দিন মুকুল, মো. নওশাদ, দিদারুল আলম, সহ:সম্পাদক কমল জ্যোতি বড়ুয়া, মাহবুবুর রহমান, সাহেদুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, কামরুল ইসলাম, কোরবান আলী, হামিদুল হক, জাহাঙ্গীল আলম বাবু, জাহাঙ্গির আলম মানিক, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, যুবরাজ, সালাহ উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, ইব্রাহীম খান, সুলতান মাহমুদ খান সুমন, মনজুর আলম মঞ্জু, জাফর সাদেক সোহেল, নুরুল ইসলাম আজাদ।

সদস্য লতিফুল বারী সুমন, আইয়ুব আলী, কলিম উল্ল্যাহ, আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুস সাত্তার, আরশাদ মোমেন আশু, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শেখ রাসেল, আশিক মল্লিক, মনজুর আলম মনজু, রাজু খান, মোর্শেদ কামাল, ৫ নং যুবদলের আহবায়ক আকতার হোসেন, ২ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক এস এম আলী, ৩ নং ওয়ার্ডের আহবায়ক মো. হাসান, ৭ নং ওয়ার্ডের আহবায়ক মো. জাবেদ হোসেন, ৪২ নং নাসিরাবাদ সাংগঠনিক ওয়ার্ডের যুগ্ম আহবায়ক মো. মাসুদ আলম ও ৪৩ নং আমিন শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক ওয়ার্ডের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
কাপাসিয়ায় একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (৮ মে) রাতে ওই গ্রামের প্রবাসী মনিরের স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে হত্যা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির ভেতরে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহগুলো দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে প্রবাসী মনিরের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছেন। তবে নিহত অন্যদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে গড়ে উঠবে ‘নতুন বাংলাদেশ’: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে গড়ে উঠবে ‘নতুন বাংলাদেশ’: ডিসি জাহিদ

তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, “নতুন বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে সরকার যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ তারই একটি দূরদর্শী উদ্যোগ।

শুক্রবার (৮ মে) “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” এর চট্টগ্রাম জেলা পর্বের সপ্তম দিনের বিভিন্ন ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে উজ্জ্বল মাইলফলক স্থাপিত হয়েছে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস”-এর এই যাত্রার মাধ্যমে। আমরা এই আয়োজনের মাধ্যমে একটি দক্ষ, প্রত্যয়শীল ও দেশপ্রেমিক জাতি গঠন করতে চাই—যে জাতি নিজে সুস্থ থাকবে এবং একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলবে।

খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নিশ্চিত করে না, এটি মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই স্পোর্টস কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে চাই।

তিনি আরো বলেন, খেলাধুলা আমাদের শেখায় কীভাবে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে হয়, কীভাবে পরাজয় মেনে নিতে হয় এবং কীভাবে সেই পরাজয় থেকে আবার জয়ের পথে ফিরে আসতে হয়। আমরা বিশ্বাস করি, একজন মানুষ সবসময় জয়ী হতে পারে না; কিন্তু জয়ী হতে হলে তাকে প্রতিযোগিতার মনোভাব ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন,আমরা মনে করি না যে সবাইকে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অফিসারই হতে হবে। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের দেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত করে তুলেছেন। আমরা ব্রায়ান লারাকে চিনি, শচীন টেন্ডুলকারকে চিনি, মেসি, রোনালদো ও ম্যারাডোনাকে চিনি—কারণ তাঁরা তাঁদের দেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন।
আমরা চাই, আমাদের আগামী প্রজন্মের প্রতিটি সন্তানও একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করুক। আর সে জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়। কঠোর পরিশ্রম এবং অবিচল প্রচেষ্টা ছাড়া কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রের পরিবর্তন সম্ভব নয়,যোগ করেন জেলা প্রশাসক।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান থাকবে—আপনারা সন্তানদের তাদের স্বপ্ন অনুযায়ী বেড়ে উঠতে সহায়তা করুন। তারা কোন বিষয়ে আগ্রহী, কোন পথে এগোতে চায়, সেটি গুরুত্ব দিয়ে তাদের উৎসাহ দিন।

জেলা প্রশাসক বলেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নের অনেকগুলো দিক রয়েছে। আমরা সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে বিকশিত করতে চাই এবং মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দিতে চাই। আজকের এই উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন একটি সুচিন্তিত, প্রত্যয়শীল ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। আমরা বিশ্বাস করি, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস”-এর মাধ্যমে গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম একদিন বাংলাদেশের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে এবং দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম
বলেন, নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি যুবসমাজকে ইতিবাচক ও সৃজনশীল ধারায় সম্পৃক্ত রাখতে সহায়তা করে।

এদিন সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে অ্যাথলেটিক্স, সিজেকেএস মিলনায়তনে দাবা, সিজেকেএস জিমনেসিয়ামে মার্শাল আর্ট এবং সিজেকেএস সুইমিং পুলে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা স্টেডিয়ামে চারটি ইভেন্টের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরীফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্যসচিব হাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আবদুল বারী।

অ্যাথলেটিক্সের ১০০ মিটার দৌড়ে বালক বিভাগে বায়েজিদ থানার মোহাম্মদ জাওয়াদ কাদের এবং বালিকা বিভাগে ফটিকছড়ি উপজেলার প্রেমা চৌধুরী প্রথম হয়ে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬” এর দ্রুততম বালক ও বালিকার গৌরব অর্জন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মধ্যে মেডেল ও সনদ বিতরণ করেন।

এদিকে, প্রতিযোগিতার ফুটবল ও ক্রিকেটের বালক-বালিকা বিভাগের ফাইনাল শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে ফুটবলের ফাইনাল এবং সাগরিকা মহিলা কমপ্লেক্স ও সাগরিকা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম সংলগ্ন মাঠে ক্রিকেটের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফাইনাল শেষে জেলা স্টেডিয়ামে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

রবীন্দ্রনাথ আমাদের শিখিয়েছেন সুন্দরকে ভালোবাসতে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে: জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
রবীন্দ্রনাথ আমাদের শিখিয়েছেন সুন্দরকে ভালোবাসতে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে: জেলা প্রশাসক

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রামে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। “শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কবিগুরুর সাহিত্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আলোচনা করেন অতিথিরা।

বুধবার (৮ মে) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) চট্টগ্রাম মোঃ শরীফ উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো গুণী কবিকে নিয়ে কথা বলার মতো সাহিত্যজ্ঞান তাঁর নেই। তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম শুধু বাণিজ্যের নগরী নয়; চট্টগ্রামের মানুষ রবীন্দ্রসংগীত গায়, বিশ্বকবির কবিতা আবৃত্তি করে। এই সাংস্কৃতিক চর্চাই আমাদের আত্মিক শক্তির জায়গা।” তিনি কবিগুরুর জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “কবিগুরু, বিশ্বকবি, গুরুদেব—যে নামেই আমরা তাঁকে ডাকি না কেন, তা যেন কম হয়ে যায়।” তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের গান মানুষকে অনুভূতির এক ভিন্ন জগতে নিয়ে যায়। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন সুন্দরকে কীভাবে ভালোবাসতে হয়, কাব্যে কীভাবে ছন্দ আনতে হয় এবং গদ্যে কীভাবে বৈশ্বিক নান্দনিকতা তুলে ধরতে হয়।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, একজন কবি হয়েও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন। জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি ব্রিটিশদের দেওয়া নাইটহুড উপাধি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর সেই সাহস, মানবিকতা ও ন্যায়বোধ আমাদের ধারণ করতে হবে। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে

তিনি কবিগুরুর উদ্ধৃতি তুলে ধরে বলেন, মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার মানবিকতা। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, বিশ্বকবির মানবিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সবাই একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।

আলোচনা সভা শেষে নাচ, গান ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। পরবর্তীতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশিত হলে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ ও দর্শকরা তা উপভোগ করেন এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।