খুঁজুন
রবিবার, ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নানা সমস্যায় জর্জরিত মিরসরাইয়ের কয়লা পশ্চিম সোনাই উচ্চ বিদ্যালয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ
নানা সমস্যায় জর্জরিত মিরসরাইয়ের কয়লা পশ্চিম সোনাই উচ্চ বিদ্যালয়

জরাজীর্ণ ভবন, ভবন সংকট, আসবাবপত্র সংকট, বিদ্যুত, আর্থিক সংকট, টিউবওয়েলসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত মিরসরাইয়ের কয়লা পশ্চিম সোনাই উচ্চ বিদ্যালয়। উপজেলার ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাই গ্রামে অবস্থিত এই বিদ্যালয়টি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ধুঁকে ধুঁকে পাঠদান চলছে।

১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি চালু হওয়া এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা স্থানীয় ইউপি সদস্য মহি উদ্দিন। সেসময় তার সঙ্গ দেন ডা. ফজলুল করিমসহ স্থানীয়রা। একশ শিক্ষার্থী নিয়ে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীর পাঠদানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হওয়া এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিগত কয়েকবছর ধরে জেএসসিতে শতভাগ ফলাফল অর্জন করে আসছে। কিন্তু নানা সংকটের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি যেন তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছে না।

সংকটের কারণে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ২৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও দশম শ্রেনীর পাঠদান কার্য্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ফলে আশপাশের গ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থী এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা না করে পাশ্ববর্তী অন্য বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করে।

জানা যায়, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শুরুতে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেনীর পাঠদান করা হতো। পরবর্তী বছর ১৯৯৬ সালে ৮ম শ্রেনীর পাঠদানও চালু হয়। এরপর দীর্ঘ সময়ান্তে ২০১৯ সালে নবম শ্রেনীর পাঠদান কার্য্যক্রম চালু হয় তাও শুধুমাত্র ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চালুর মধ্যদিয়ে, শিক্ষক ও ভবন সংকটের কারণে অন্য বিভাগ চালু করা সম্ভব হয়নি।

জয়পুর পূর্বজোয়ার আঙ্কুুরের নেছা ওবায়দুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। জেএসসিতে গত ২০১৬, ২০১৭, ২০১৮ সালে শতভাগ পাশ করে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে ৬ষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ২ শত শিক্ষার্থীকে পাঠদান করেন ৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা।

আর্থিক সংকটের কারণে নামমাত্র সম্মানি দেওয়া হয় শিক্ষকদের। এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে কয়লা, ইসলামাবাদ, রহমতপুর, পশ্চিম সোনাই, মঘপাথর, জিলতলী, শহীদপুর, সুবলছড়ি, গুজাপাড়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের শিক্ষার্থীরা। ভাঙ্গা বেড়া ও টিনশেড়ের জরাজীর্ণ ৪ টি কক্ষে চলে নিত্য পাঠদান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন সাইফুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মৌলভী কামাল উদ্দিন, শারমিন আক্তার, আব্দুল হান্নান, সাজেদা আক্তার, শেফালী চৌধুরী, এমরানুল হক।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন ডা. ফজলুল করিম, সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, দাতা সদস্য মহি উদ্দিন মেম্বার, শিক্ষক প্রতিনিধি কামাল উদ্দিন, সদস্য তপন কুমার ত্রিপুরা, ডা. কামাল হোসেন দুলাল, আবু বক্কর ছিদ্দিক, মুজিবুল হক মিন্টু, ছাদেক সর্দার, আব্দুল মোমিন, আমীর হোসেন, নুর মোহাম্মদ ছুট্টু।

বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোক্তা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মহি উদ্দিন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভের পূর্বে এতদ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়াশোনা করতো। শিক্ষার আলো জ্বালাতে এবং শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবের উদ্দেশ্যে ১৯৯৫ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের নিয়ে এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিই। সেই থেকে এখনো এই বিদ্যালয়ের সার্বিক দিক দেখাশোনা করে আসছি। তবে বর্তমানে বিরাজমান নানা সংকট থেকে বিদ্যালয়কে কাটিয়ে তুলতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. ফজলুল করিম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আমি নিজেই শুরুর দিকে শিক্ষকতা করেছি শুধুমাত্র নানা সংকট কাটিয়ে উঠার জন্য। কিন্তু সংকট থেকে দুই দশক পার হয়ে গেলেও উত্তরণ হয়নি। স্থানীয়দের সার্বিক সহযোগিতায় দীর্ঘ ২৪ বছর যাবত ধুঁকে ধুঁকে পাঠদান চলছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে এই বিদ্যালয় একসময় মডেল বিদ্যালয় হবে বলে প্রত্যাশী।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, নামমাত্র সম্মানিতে শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। বিগত কয়েকবছর ধরে শিক্ষকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টার ফলে জেএসসিতে শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমানে বিদ্যালয়ের ভবন সংকট, পাঠদানের অনুমতি অর্জিত হলে, আর্থিক সংকট ও আসবাবপত্র সংকট কাটিয়ে উঠলে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরো ফলাফল অর্জন করতে সক্ষম হবে।

Feb2

মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ
মন্ত্রিসভার শপথ সংসদের খোলা আকাশের নিচে

চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গভবন–এর দরবার হলে। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতা থাকছে না। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথও একই স্থানে অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সংসদ সদস্যদের এবং বিকেল ৪টার দিকে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

রীতি অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ জাতীয় সংসদ ভবনে এবং মন্ত্রিসভার শপথ বঙ্গভবনের দরবার হলে অনুষ্ঠিত হতো। এবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে যাওয়া দল বিএনপির পছন্দ অনুযায়ী সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত হওয়া সব সরকারের শপথ বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের খুব বেশি আনুষ্ঠানিকতা নেই। এখানে আলাদাভাবে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো বা আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রিসভার শপথে দেশি-বিদেশি অতিথিদের আমন্ত্রণ, তাদের আপ্যায়ন, পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনাসহ নানান ধাপের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। শেষ মুহূর্তে এ ধরণের সিদ্ধান্ত হওয়ায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন পর্ব নিয়ে নতুনভাবে পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে।’

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

‘পরিশেষে, দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সব উদ্যোগ সফল হোক—এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন’—বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে দুইজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন অনন্ত তিনজন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর পাঁচটার দিকে সদর উপজেলার চর বাগডাঙ্গা ইউপির ফাটাপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে ককটেল বানাতে গিয়ে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে বাড়ির ইটের দেওয়াল ধসে গেছে। টিনের চাল উড়ে গেছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম ঘটনাস্থল থেকে বলেন, বিস্ফোরণে দুজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি। আহত তিনজন হলেন সদর উপজেলার পাঠাপাড়া গ্রামের মিনহাজ (৫২) ও বজলুর রহমান (২০) এবং রানীহাটির ধুমী গ্রামের মো. শুভ (২০)।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা কেউ নিহত ও আহতদের নাম-ঠিকানা এখনো জানাতে পারেনি। ফাটাপাড়ার কালামের বাড়িতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।