খুঁজুন
, ,

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে খাতুনগঞ্জে জেলা প্রশাসনের অভিযানঃ ১০ আড়তদারকে অর্থদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2020, 6:07 pm
পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে খাতুনগঞ্জে জেলা প্রশাসনের অভিযানঃ ১০ আড়তদারকে অর্থদণ্ড

পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে অদ্য দুপুর ১২ ঘটিকা থেকে ৩ ঘটিকা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার ও উমর ফারুকের নেতৃত্বে খাতুন গঞ্জ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে বিভিন্ন অনিয়ম থাকায় ১০ আড়তদার কে বিভিন্ন অংকে অর্থদন্ড করা হয়।

ক্রয় ইনভয়েস না রেখে নিজেদের মতো মূল্য বৃদ্ধি করায় মেসার্স বরকত ভান্ডার কে দশ হাজার টাকা, মেসার্স গোপাল বানিজ্য ভান্ডার কে দশ হাজার টাকা, মেসার্স হাজী মহিউদ্দিন সওদাগর কে দশ হাজার টাকা, মেসার্স সেকান্দার এন্ড সন্স কে দশ হাজার টাকা, মোহাম্মাদীয়া বানিজ্যালয় কে দশ হাজার টাকা, মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন কে দশ হাজার টাকা, গ্রামীণ বাণিজ্যালয় কে পাঁচ হাজার টাকা, আরাফাত ট্রেডার্স কে পাঁচ হাজার টাকা, মেসার্স বাগদারিক কর্পোরেশন কে পাঁচ হাজার টাকা ও শাহাদাত ট্রেডার্স কে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন,গত কয়েকদিন ধরে দেখা যায় বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি কেজি পিয়াজে ২০ টাকার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। খাতুনগঞ্জ বাজারে পেঁয়াজের আড়তে সরেজমিনে দেখা যায় আড়তদাররা ব্যাবসায়ীক কাগজপত্র নিজেদের কাছে না রেখে আমদানিকারকের ফোন কলে দাম নির্ধারণ করে পেঁয়াজ বিক্রি করার ফলে অতিরিক্ত মুনাফা করতে কেজি প্রতি প্রায় ২০ টাকা লাভ করছে।

তিনি আরো বলেন, আড়ত অনুযায়ী তাদের দামেও ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। প্রত্যেকেই এক বাক্যে বলে আমদানিকারকের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা দাম নির্ধারণ করে এবং তারা কমিশনে ব্যবসা করে।যার ফলে দামের ব্যাপারেও নির্দিষ্টতা নেই।

ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, দামের লাগাম টানতে আজকে অভিযান পরিচালনা করেছি। ভবিষ্যতে যদি অসাধুরা পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পায়তারা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার বলেন, হঠাৎ করে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির ফলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। যার ফলে দুইদিক থেকে পেয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হচ্ছে। আমরা পাইকারি ও খুচরা বাজারে যাতে পেঁয়াজের দাম বেশি না নিতে পারে এজন্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

বাস-মিনিবাসের ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 23 September, 2026, 2:46 pm
বাস-মিনিবাসের ভাড়া ১৭ পয়সা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। নতুন নির্ধারিত ভাড়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৭০ পয়সা এবং আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসের ভাড়া ২ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সহকারী সচিব মো. জসিম উদ্দিন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপনে সই করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর মিনিবাস এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতাধীন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার অভ্যন্তরীণ রুটের বাস-মিনিবাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা এবং মিনিবাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ৮ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নতুন ভাড়া শুধু ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। গ্যাসচালিত বাস ও মিনিবাসে এই ভাড়ার হার কার্যকর হবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বিআরটিএর অনুমোদিত আসন সংখ্যা কমিয়ে কোনো বাস বা মিনিবাসের আসন পুনর্বিন্যাস করা হলে নির্ধারিত ভাড়া আনুপাতিক হারে পুনর্নির্ধারণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রুট পারমিট অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ বা যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটির কাছ থেকে আনুপাতিক ভাড়ার হার অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিটি বাস ও মিনিবাসের দৃশ্যমান স্থানে নতুন ভাড়ার তালিকা বাধ্যতামূলকভাবে প্রদর্শন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর বিআরটিএর পক্ষ থেকে সিটি সার্ভিসে কিলোমিটারপ্রতি ১৮ পয়সা এবং দূরপাল্লার বাসে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে তিন শ্রেণির ক্ষেত্রেই কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

নতুন ভাড়া নির্ধারণের মধ্য দিয়ে ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া সংক্রান্ত আগের সব প্রজ্ঞাপন ও আদেশ রহিত করা হয়েছে।

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:17 pm
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে কেউ যাতে ষড়যন্ত্র বা অপতৎপরতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নসিমন ভবনে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার’ বিরুদ্ধে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি আয়োজন নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদ উল্লাহ বলেন, “গণরোষে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিস্ট অপশক্তি দিল্লি থেকে দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।” তাঁর দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে এবং মানুষকে উসকে দিয়ে কৃত্রিম অরাজক পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ যাতে কোনো অপকর্ম বা নাশকতা করতে না পারে, সে বিষয়ে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সুযোগসন্ধানী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার পাশাপাশি কোনো অপতৎপরতার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানায় বিএনপির উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা হবে এবং এসব কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত থাকবেন।

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতা আবু সুফিয়ান বলেন, “নাশকতার চেষ্টা হলে মাঠেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।” দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য কেউ নাশকতা, সহিংসতা কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যাতে কোনো অপশক্তির কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের রেখে যাওয়া কোনো অপশক্তি কিংবা তাদের সহযোগীরা যেন আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। গুজব, অপপ্রচার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি ছড়িয়ে যারা অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে জনগণকেও সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালালে তার দায় দল নেবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আবু সুফিয়ান আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও নাশকতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের সক্রিয় করে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও স্থিতিশীলতার পথে কোনো ষড়যন্ত্র যাতে বাধা হয়ে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা জোরদার এবং নাশকতা ও সহিংসতার বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ,এড. আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও শিহাব উদ্দিন মুবিন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপি, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, সদস্য ইকবাল চৌধুরী, জয়নাল আবেদীন জিয়া, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, ইস্কান্দার মির্জা, মুজিবুল হক, মোহাম্মদ মহসিন, মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মোশারফ হোসেন ডিপটি, জাফর আহমেদ, মাহাবুব রানা, আবু মুসা, হানিফ সওদাগর, মোহাম্মদ আজম ও মোহাম্মদ ইউসুফ ।

এ ছাড়া মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন নাহিদ, তরুণ দলের সেলিম হাফেজ ও মনিরুজ্জামান মুরাদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পলাতক ফ্যাসিস্টের দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ঐক্যবদ্ধ: দীপ্তি-শাহেদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:38 pm
পলাতক ফ্যাসিস্টের দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ঐক্যবদ্ধ: দীপ্তি-শাহেদ

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেন, পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র রুখে দিতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল ঐক্যবদ্ধ। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বা সহিংসতার নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেগুলো নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরী।

তিনি আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে দেশকে অস্থিতিশীল করার চলমান রাজনীতির বিরুদ্ধে করণীয় শীর্ষক প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপ্তি বলেন, জনগণের প্রত্যেক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে বেকাঁদায় ফেলতে পলাতক ফ্যাসিস্ট পুরানো জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি বেচে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের এ জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি এ দেশে আর চলবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সফর বানচাল করতে পলাতক আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী নৈরাজ্য ও আগুন সন্ত্রাস শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, সন্ত্রাসের জবাব আরেক সন্ত্রাস নয়-আইনের শাসন। প্রতিহিংসার জবাব প্রতি হিংসা নয়-ন্যায় বিচার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে সরকার কর্তৃক জনগণের কল্যাণে গৃহিত কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌছে দিতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সহায়কের ভূমিকা পালন করছে। জনগণের অধিকার ও নিরাপত্তাই হবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি এসময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদল নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে সদা সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলে প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্য উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, সহ সভাপতি ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুসা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, মুজিবুর রহমান, অরুপ বড়ুয়া, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, হুমায়ুন কবির, রাশেদুল হাসান লেবু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি সিকদার, মুজিবুর রহমান রাসেল, আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাঁচা, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, তানভীর মল্লিক, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, আসাদুজ্জামান রুবেল, এস এম বখতিয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, সহ- সম্পাদক মনোয়ার হোসেন মানিক, কামরুল ইসলাম, কমল জৌতি বড়ুয়া, শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হাফেজ কামাল উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মিজানুর রহমান দুলাল, মো: হাসানুজ্জামান, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, ফারুক হোসেন স্বপন, সদস্য কলিম শিকদার, গোলাম ইয়াজদানী সাবাব, প্রফেসর সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আজম, মোশাররফ আমীন ,বজল আহমেদ, খোরশেদ আলম, সদস্য সচিব শওকত খান রাজু, মোহাম্মদ মুসা, মো: ইলিয়াস, মনজুর আলম মনজু, মোরশেদ কামাল, আশিক মল্লিক, মোস্তাকিম মাহমুদ, সাইফুল ইসলাম রুবেল, মো: ইয়াছিন, সাজ্জাদ হোসেন সাদ্দাম, মোহাম্মদ সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক এস এম আলী, মোহাম্মদ হাসান, আবু বক্কর বাবু, বাদশাহ আলমগীর, সাইফুল ইসলাম, মাসুদ আলমসহ থানা ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ।