খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহাশ্মশান উন্নয়ণে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা শুভ সামাজিক উদ্যোগ: চসিক প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
মহাশ্মশান উন্নয়ণে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা শুভ সামাজিক উদ্যোগ: চসিক প্রশাসক

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শেষ কৃত্যানুষ্ঠানের স্থান অভয়মিত্র মহাশ্মশান উান্নয়ন সংস্কার ও রক্ষণা-বেক্ষণের দায়-দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হলেও এই কাজে সহায়তায় বেসরকারীধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার আগ্রহকে স্বাগত জানাই।

তিনি আরো বলেন, প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর মহাশ্মশানটি পরিদর্শনে গেলে এখানকার সমস্যা ও অব্যবস্থাপনাগুলোর বিষয়ে অবগত হই। জানতে পারি পূর্ণিমা-আমবশ্যা তিথিতে কর্ণফুলীতে জোয়ারের সময় মহাশ্মশানটিতে হাঁটু পানি দাঁড়িয়ে যায়। এই সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শবদেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই সমস্যার প্রধান উপায় হলো শ্মশানটি ২-৩ ফুট মাটি ভরাট করে উঁচু করা। এছাড়া এখানকার মন্দির সংস্কার ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নও প্রয়োজন।

তিনি আজ সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক নগর ভবনে অভয়মিত্র মহাশ্মশানের সংস্কার ও উন্নয়নে সহায়তা প্রদানে আগ্রহী অদুল-অনিতা ট্রাষ্টের কো-চেয়ারম্যান শ্রীমতি অনিতা চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন।

তিনি অদুল-অনিতা ট্রাষ্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নে ধর্মানুরাগী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠারেনর সহায়তা সত্যিকার অর্থেই একটি ধর্মীয় ও মানবিক শুভ সামাজিক উদ্যোগ। আশাকরি অভয় মিত্র মহাশ্মশানের উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত স্থাপনায় চসিকের পাশাপশি অদুল-অনিতা ট্রাষ্টের সহায়তা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আকাঙ্খা পূরণের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

প্রশাসক চসিকের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মানিককে অভয়মিত্র মহাশ্মশানের উন্নয়নে করনীয় বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরী করার নির্দেশনা দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতকালে চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ,প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ডা.অঞ্জন কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন।

চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে বৈঠকে সুজন
তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ থাকবে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন নাসিরাবাদ শপিং কমপ্লেক্স আলো-বাতাস চলাচল, পার্কিং প্লেস ও অভ্যন্তরীন প্রশস্থ চলাচল ব্যবস্থাসহ আগের মতন ক্রেতা-বিক্রেতা বান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সংস্কার ও উন্নয়ন কাজের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেন।

কয়েকজন দোকানদারের আপত্তির প্রেক্ষিতে তিনি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে সিডিএ, চুয়েট, সিটি কর্পোরেশনও নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীর সমন্বয়ে একটা টিম গঠন করে নির্মাণকাজের কোন ত্রুটি আছে কিনা কিংবা বিদ্যমান ভবনের সম্প্রসারণের ফলে পরবর্তীতে রানা প্লাজার মত কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা দ্রুত এ বিষয়গুলো যাছাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।

নীচতলায় বিদ্যমান মার্কেটের দোকান মালিকগণ মালামাল রেখে চলাচলের পথ সংকুচিত রাখার বিষয়ে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সহযোগিতা নিয়ে সবাইকে জরিমানা করার এবং প্রয়োজনে ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের জন্য প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন।

তিনি আজ সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক নগরভবনে চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শামীম কর্পোরেশনের স্বত্তাধিকারী ও সাইটে নিয়োজিত ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন।

প্রশাসক নির্মাণ কাজের সময় শপিং কমপ্লেক্স এর কিছু অংশ টিন দিয়ে ঘেরাও রাখার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে তা উম্মুক্ত করে দিয়ে মানুষ যাতে সহজে সব কর্মকাণ্ড দেখতে পারেন সে বিষয়েও নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এর কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন ।

তিনি আরো জানান এই কমপ্লেক্সের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লোর বাড়াতে-কমাতে হবে। কমপ্লেক্স সম্প্রসারণ এর সার্বিক বিষয় পর্যালোচনার জন্য গঠিতব্য কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন ও অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখতে হবে মর্মে তিনি শামীম কর্পোরেশন এর সত্ত্বাধিকারীকে জানিয়ে দেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…