খুঁজুন
রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের সাথে মিশে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গারা স্থানীয়দের সাথে মিশে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত

ইসলাম মাহমুদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারে স্থানীয়দের সাথে মিশে যাওয়া বেশির ভাগ রোহিঙ্গা এখন সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত। যার ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা উল্টো নানাভাবে নিয়ন্ত্রন করছে স্থানীয়দের। আগে আসা রোহিঙ্গারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখে মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন জঙ্গি এবং নিষিদ্ধ সংগঠন এবং বিদেশীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে হয়ে গেছে বিপুল টাকা মালিক।

ফলে এসব রোহিঙ্গারাই নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে বেশির ভাগ এলাকা থেকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। তাই দ্রুত আগে আসা রোহিঙ্গা থেকে শুরু করে সম্প্রতি যারা স্থানীয়দের সাথে মিশে গেছে তাদের সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছে সচেতন মহল।

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলার এক ইউনিয়নেই স্থানীয়দের অন্তত ২০০ এর বেশি রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের বিয়ে হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে অন্যতম হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী ৮ নং ওয়ার্ডের সৈয়দ আহামদের ছেলে মোহাম্মদ সেলিম বিয়ে করেছেন ২৪ নং ক্যাম্পের হাসিনা নামের এক রোহিঙ্গা নারীকে।

এছাড়া হ্নীলা ৪ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পানখালী এলাকার নুরুল আলমের ছেলে মিজানুর রহমান বিয়ে করেছেন জামতলী ক্যাম্পের এক রোহিঙ্গা নারীকে। একই এলাকার স্থানীয় নারী মোঃ হোসন ফকিরের মেয়ে তাসমিনা বিয়ে করেছেন রোহিঙ্গা যুবককে। বর্তমানে সে সৌদি প্রবাসী বলে জানা গেছে।

হ্নীলা ৭ নং ওয়ার্ডের দুদুমিয়ার ছেলে মোঃ রাসেল বিয়ে করেছেন হ্নীলা ২৫ নং ক্যাম্পের পাইক মনি নামের এক রোহিঙ্গা মেয়েকে। এছাড়া ৪ নং ওয়ার্ডের নুর মোহাম্মদের ছেলে রফিকও রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করেছেন। একই ওয়ার্ডের পশ্চিম পানখালীর সোলতান আহামদের ছেলে লুৎফুর রহমান, দিল মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল, ৫ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সিকদার পাড়ার হাজী কালা মিয়ার পুত্র কামাল হোসেন, ৮ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম পানখালীর আবুল কালামের ছেলে আলমগীর, এছাড়া স্থানীয় আমির হোসেন সরওয়ার সহ অনেকের আশ্রয়ে রয়েছে অসংখ্য রোহিঙ্গা। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা।

শুধু নতুন আসা নয় আগে আসা রোহিঙ্গা রয়েছে জেলার বেশির ভাগ এলাকায়। শহরের পাহাড়তলী এলাকায় আগে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে অন্যতম সাইফুল খলিফা (হালিমাপাড়া), কামাল ফকিরের ছেলে আবদুল্লাহ এবং তার পুরো পরিবার, রহমত উল্লাহ (টমটম চালক) তার এক ছেলে বর্তমানে চট্টগ্রামের বি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং স্ত্রী মহেশখালী থেকে (ভোটার হয়েছে), আবদুল মালেক (হালিমাপাড়া), এনায়েত উল্লাহ, (হালিমাপাড়া), ফয়েজ উল্লাহ (রোহিঙ্গা হয়েও ভোটার আইডি করায় জেল খেটেছে), মৌলবী নুরুল হোসাইন, মৌলবী আহমদ কবির (এনজিও কর্মকর্তা), আবুল হোসেন পেটান, তার ভাই হাসান, নুর বাহার স্বামী আসাদ উল্লাহ (মালয়েশিয়া প্রবাসী) সত্তরঘোনা, জাহেদ হোসেন (নতুন বাজার,পাহাড়তলী), শওকত মিস্ত্রি, সত্তরঘোনা, হাফেজ আহামদ (জেল ফেরত) সত্তরঘোনা। এছাড়া রোহিঙ্গা হয়েও পরিচয় গোপন রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া এবং এনজিও কর্মকর্তা আজিজ, বাহাদুর মিয়া, হালিমাপাড়া।

অভিযোগ রয়েছে, এসব রোহিঙ্গা আবার রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন ভাবে ভুয়া সনদ এবং ভিন্ন জেলা থেকে কাগজ পত্র সংগ্রহ করে ঢাকা-চট্টগ্রামে পড়ার সুযোগ করে দেয় আবার তাদের মুল পৃষ্টপোষক হচ্ছে রোহিঙ্গা ইব্রাহিম। যে রোহিঙ্গা পরিচয় গোপন করে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে পড়েছে। এছাড়া মৌলবী ফারুক, মৌলবী নুর মোহাম্মদ, অজি উল্লাহ, ছৈয়দ আমিন, হাসিম উল্লাহ রোহিঙ্গা হয়েও পাহাড়তলী এলাকায় দাপটের সাথে বিচরণ করে এবং নানান অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।


এছাড়া বৃহত্তর পাহাড়তলী এলাকার পরিচিত রোহিঙ্গা জহির হাজী, বশির মাঝি (বর্তমানে কয়েকটি দোকানের মালিক), পাহাড়তলী ইসুলুঘোনার মৃত হাবিব উল্লাহর ছেলে আরিফ উল্লাহ, ইয়াবা ব্যবসায়ি হিসেবে পরিচিত নুর মোহাম্মদ, হাফেজ আহামদের স্ত্রী সনজিদা (বর্তমানে গোলদিঘির পাড় এলাকা থেকে ভোটার হয়েছে), আবদুল মতলব প্রকাশ আমির সাব (বায়তুশ শরফ হোস্টেলের বাবুর্চী, সিরাজুল হক মাঝি (ইসুলুঘোনা), তার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ি হিসেবে পরিচিত মনজুর আলম, মোহাম্মদ আরিফ (বেশ কয়েকটি ইয়াবা মামলার আসামী), আবদুল হাকিম মাঝির ছেলে মোঃ শফি, বশির প্রকাশ শুটকী বশির, রোহিঙ্গা বর্তমানে সৌদি প্রবাসী নুরুল ইসলাম, পিতা ইয়াকুব আলী, মাতা মাহমুদা খাতুন।
সে ঈদগাঁও ইসলামপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ভোটার হিসাবে পাসপোর্ট করেছে যার পাসপোর্ট নাম্বার বি কিউ ০০৭১৮৪৬১। বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসী পাহাড়তলী সত্তরঘোনার বাসিন্দা জমির হোসাইন পিতা আলী হোসাইন মাতা মোস্তফা খাতুন স্ত্রী ছমুদা খাতুন, যার পাসপোর্ট নাম্বার এ ই ০১৮৯৪০২। একই এলাকায় থাকা রোহিঙ্গা হলেও পাসপোর্ট পেয়েছে মোহাম্মদ ইউছুপ, পিতা আবদু শুক্কুর মাতা জামরুপ বেগম, স্ত্রী রাজিয়া বেগম পাসপোর্ট নাম্বার এ ই্ ৬১৮৮২৬৩।
এদিকে শহরের উত্তর রুমালিয়ারছড়ার গোদারপাড়া এলাকার স্বীকৃত রোহিঙ্গা গোলাম হেসেনের ছেলে আসাদ উল্লাহ সহ কয়েক ভাই রয়েছে। যাদের অনেকের জাতীয় পরিচয়পত্র করতে না পারায় দীর্ঘদিন বিপুল টাকা নিয়ে ঘুরেছিল। বর্তমানে মায়ামনার থেকে আসার তাদের পুরাতন আত্মীয়-স্বজন প্রায় সময় তাদের বাড়িতে আসে বলে জানান এলাকাবাসী। এছাড়া তাদের ছেলেমেয়েরা অনেকে বর্তমানে এনজিওতে চাকরী করে।

পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের বাদশাঘোনা এলাকার সিরাজুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, আমিন, নজির আহামদের পুরো পরিবার, হাফেজ মনির, ছৈয়দুল আমিন, শফিক মিস্ত্রি, নেছারু সহ অসংখ্য রোহিঙ্গা এসে এখানে বসাবাস করছে। এখন নানাভাবে সমাজের নেতাও বনেছে অনেকে।

বৈদ্যঘোনা এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন অনেকে এসেছে তবে আগে এসে বর্তমানে স্থানীয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া রোহিঙ্গার মধ্যে অন্যতম আশরাফ আলী খলিফা, নুর মোহাম্মদ মিস্ত্রি, জাহেদের বাবা হুন্ডি ব্যবসায়ি মালয়েশিয়ার দালাল ছিল, শফি, খাজা মঞ্জিল। এরা বেশ কয়েক ভাই আছে। যারা প্রত্যেকে এখন স্থানীয় হিসাবে দাবড়ে বেড়ায়। জকরিয়া সওদাগর, নজির আহামদ শ্রমিক। খুরুশকুল হামজার ডেইল এলাকা খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগে আসা রোহিঙ্গা যারা এখন স্থানীয় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে মোঃ কালু, ইউচুপ, আবদুল।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা

Feb2

হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
হাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিল

মরক্কোর বিপক্ষে কষ্টার্জিত ড্রয়ের পর তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল ব্রাজিল। আজ ফিলাডেলফিয়াতে হাইতির বিপক্ষে সেই সমালোচকদের মুখ যেন বন্ধ করে দিলো সেলেসাওরা। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি সুযোগ নষ্ট এবং অফসাইডে গোল বাতিলের কারণে ব্যবধান বাড়েনি। হাইতিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেল তারা।

দুই ম্যাচ শেষে মরক্কোর সমান ৪ পয়েন্ট পেলেও গোলব্যবধানে (+৩) এগিয়ে থেকে সবার উপরে ব্রাজিল। স্কটল্যাান্ডকে আগের ম্যাচে ১-০ গোলে হারানোর পর মরক্কো (+১) শীর্ষে উঠলেও ব্রাজিলের জয়ে নেমে গেছে দুই নম্বরে। হাইতিকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা স্কটিশরা ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, শেষ ম্যাচে তারা খেলবে আনচেলত্তির দলের বিপক্ষে।

রেফারির ম্যাচের শেষ বাঁশি। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামের ব্রাজিল সমর্থকদের উল্লাস। ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম জয়। এতে স্বস্তি মিললেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব নিকাশে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার সুযোগ নেই।

ব্রাজিল প্রথমার্ধে ৩-০ গোলে এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি গোলের প্রত্যাশা ছিল ব্রাজিল সমর্থকদের। এই অর্ধে ব্রাজিলের একটি গোল বাতিল হলেও হাইতি যথেষ্ট দাপট দেখিয়েছে। ব্রাজিলের গোলরক্ষক কমপক্ষে ২-৩ টি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন। একটি গোললাইন সেভও হয়েছে।

হাইতি ব্রাজিলের তুলনায় সব সূচকে পিছিয়ে। এরপরও হাইতির খেলা আজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের ডিফেন্স একাধিকবার ভাঙন ধরাতে পেরেছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলটি। যা ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তির জন্য অত্যন্ত ভাবনার। টানা দুই ম্যাচ হেরে হাইতি টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পথে এরপরও ব্রাজিলের বিপক্ষে খানিকটা লড়াকু পারফরম্যান্স হাইতির বড় প্রাপ্তি।

ব্রাজিল হাইতির জালে পাঁচ বার বল পাঠালেও বৈধ গোলের সংখ্যা তিনটি। দুই অর্ধে একটি করে গোল বাতিল হয় ব্রাজিলের। আরেকটি আক্রমণ পোস্টে লেগে ফেরত আসে। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে গোলের সুচনা করেন কুনহা। গুইমারেসের পাস থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট হাইতির গোলরক্ষক পুরোপুরি ঠেকাতে পারেননি। ফিরতি বলে কুনহা গোল করেন। ১৩ মিনিট পর পাল্টা আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কুনহার উদ্দেশ্যে বাড়ান নিখুঁত এক পাস। গোল করতে ভুল হয়নি।

প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে গোলদাতা ভিনিসিয়ুস নিজেই। পাকেতা হাইতি রক্ষণভাগের মাথার ওপর দিয়ে তার উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। দ্রুতগতিতে বক্সে প্রবেশ করে প্লেসিংয়ে গোল করেন।

বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের ‘দ্রুততম’ গোলে স্কটল্যান্ডকে হারালো মরক্কো

ড্র করে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল মরক্কো। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১–০ গোলে হারিয়েছে মরক্কো। মাত্র ৭১ সেকেন্ডেই করা ইসমায়েল সাইবারির গোলই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে আফ্রিকার দেশটি।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যায় মরক্কো। ম্যাচের ৭১ সেকেন্ডের মাথায় ডান দিক থেকে বাড়ানো বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে জড়ান ইসমায়েল সাইবারি। যা এই টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল।

এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্বকাপে দ্রুততম গোল করেছিল চেক প্রজাতন্ত্রের সাদিলেক। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করেছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সাইবারি এটি টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে গোলের দেখা পেয়েছিলেন এই স্ট্রাইকার।

গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে স্কটল্যান্ড। বিশেষ করে শেষ দিকে আক্রমণের চাপ বাড়ায় দলটি। এক পর্যায়ে দুটি পেনাল্টির আবেদনও জানায় স্কটিশরা, কিন্তু কোনোটিই আমলে নেননি রেফারি।

শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরার মতো গোল আর পায়নি স্কটল্যান্ড। ফলে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’তে স্কটল্যান্ডকে টপকে ওপরে উঠে গেলো মরক্কো।

টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল যুক্তরাষ্ট্র

ইনজুরিতে আক্রান্ত তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচকে ছাড়াই বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশটি নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই জিতেছে। আজ (শনিবার) অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে মার্কিনীরা পা রেখেছে রাউন্ড অব থার্টি টু–তে।।

এর আগে ১৯৯৪ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেবার তারা গ্রুপপর্বে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর একটি হিসেবে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে। তবে ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকে। এবারই প্রথম আসরের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে যুক্তরাষ্ট্র নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল।

ম্যাচের মাত্র ১১ মিনিটেই অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন বার্গেসের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। বাঁ দিক দিয়ে দারুণ এক দৌড়ে আক্রমণে ওঠেন ফোলারিন বালোগুন। গত ম্যাচে জোড়া গোল করা এই স্ট্রাইকার সতীর্থ রিকার্ডো পেপি’র উদ্দেশে বল বাড়ালে, তার আগেই সামনে থাকা সকারুজ ডিফেন্ডারে গায়ে লেগে তাদের জালৈ জড়ায়।

এরপর ৪৩ মিনিটে ২১ বছর বয়সী অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের যুক্তরাষ্ট্রের স্কোরলাইন ২-০ করেছেন। সেট-পিস থেকে আসা আক্রমণে সার্জিনো ডেস্টের ডিফ্লেক্টেড শট হেড করে জালে পাঠান ফ্রিম্যান। ভিডিও রিভিউয়ের পর গোলটি নিশ্চিত করা হয়। যা বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল।

এর আগে বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক মেক্সিকো নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতেই সবার আগে নকআউট পর্বে উঠেছে। এবার সেই দলে আরেক আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রও যোগ দিলো।