খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের একমাত্র কাঁকড়া পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারি উৎপাদন শুরুর আগেই বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৯, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
দেশের একমাত্র কাঁকড়া পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারি উৎপাদন শুরুর আগেই বন্ধ

কক্সবাজার শহরতলীর কলাতলী সাগর তীরে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেশের একমাত্র কাঁকড়া পোনা উৎপাদনকারী সরকারি হ্যাচারিটি উৎপাদন শুরুর আগেই বন্ধ হয়ে গেছে।

চলতি বছরের ১৪ জুন এটি উদ্বোধন হয়। এর পক্ষকাল পরই ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকেই গত প্রায় চার মাস ধরে কার্যত পরিত্যক্ত এ হ্যাচারিটি।

দেশে কাঁকড়া ও কুঁচিয়া চাষ সম্প্রসারণের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্পের অধীনে কক্সবাজারে দেশের প্রথম ও একমাত্র কাঁকড়া পোনার হ্যাচারিটি নির্মাণ করা হয়।

গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি শহরতলীর কলাতলী সাগর তীরে অবস্থিত মৎস্য অধিদপ্তরের পিসিআর ল্যাব সংলগ্ন স্থানে হ্যাচারির নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তরের তৎকালীন মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ।

চলতি বছরের ১৪ জুন হ্যাচারিটি উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রইসউল আলম মন্ডল।

কিন্তু হ্যাচারিটি উদ্বোধনের আগেই গত মে মাসে প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক (পরামর্শক) ফিলিপাইনের নাগরিক মিজ এমিলি নিজ দেশে ফিরে যান। এরপর তিনি আর বাংলাদেশে আসেননি। জুনে প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হলেও মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। ইতোমধ্যে এ হ্যাচারিতে চুক্তিভিত্তিতে নিয়োজিত বিদেশি পরামর্শকসহ অন্যদের চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। ফলে উৎপাদন শুরুর আগেই বন্ধ হয়ে গেল কাঁকড়া পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারিটি।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এএসএম খালেকুজ্জামান বলেন, পাঁচ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্পের অধীনে প্রকল্পের প্রায় শেষ পর্যায়ে কাঁকড়া পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারিটি উদ্বোধন হয়েছে। তবে ওই সময়টি আসলে পোনা উৎপাদন মৌসুম ছিল না। কাঁকড়া পোনা উৎপাদন করা যায় নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত পাঁচ মাস। এখন হ্যাচারিটি চালুর জন্য রাজস্ব খাত থেকে মৎস্য অধিদপ্তর যদি বরাদ্দ দেয় তাহলে ফের চালু করা যাবে।

প্রায় তিন কোটি বিশ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত কাঁকড়া পোনা উৎপাদনকারী হ্যাচারিতে প্রতি সাইকেলে বা ২৮ দিন অন্তর ৯০ হাজার করে পোনা উৎপাদন করার কথা ছিল। এ কাজে প্রতি মাসে প্রায় ৬ লাখ টাকা বেতনে ফিলিপাইনি পরামর্শক মিজ এমিলিকে আনা হয়েছিল। এ প্রকল্পে রাজস্ব খাত থেকে কোনো বরাদ্দ ছিল না বলে প্রেষণে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পটির মেয়াদ উত্তীর্ণের পর মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মচারীদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ভাইরাসসহ নানা রোগব্যাধির কারণে বিপর্যস্ত দেশের চিংড়ি শিল্পের বিকল্প হিসাবে ভাবা হচ্ছিল নরম খোলসের কাঁকড়া চাষকে।

কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় জলাভূমি বা ঘেরে উৎপাদিত নরম খোলসের কাঁকড়া বিশ্বের অন্তত ২০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এর মধ্যে ভিয়েতনাম, জাপান, কোরিয়া, তাইওয়ান, হংকং, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে কক্সবাজারের কাঁকড়ার সুখ্যাতি। ফলে চিংড়ি চাষিরা ঝুঁকিমুক্ত এ চাষের দিকে ঝুঁকছে। এতে করে নতুন এ খাত থেকে বিপুল অংকের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি বেকারদের জন্যও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। বিদেশে কাঁকড়ার চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে সনাতন পদ্ধতির পরিবর্তে এখন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে করা হচ্ছে কাঁকড়ার চাষ।

ফলে কাঁকড়ার উৎপাদন যেমন বাড়ছে, তেমনি চাষিরাও লাভবান হচ্ছেন। উন্নতি পদ্ধতিতে কাঁকড়া উৎপাদনের কারণে বিদেশে বাংলাদেশের কাঁকড়ার চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে কাঁকড়া চাষ ও রপ্তানি করে জাতীয় মৎস্য পুরস্কার-২০১৬-এ স্বর্ণপদক ও ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন কক্সবাজারের কাঁকড়া চাষি অংছিন।

তবে কাঁকড়ার চাষ জনপ্রিয় হলেও প্রাকৃতিক উৎস থেকে পর্যাপ্ত পোনা পাওয়া সম্ভব না হওয়ায় দেশে কাঁকড়া চাষের কাক্সিক্ষত বিস্তৃতি ঘটছে না বলে জানান অংছিন।

তিনি জানান, কৃত্রিম উপায়ে হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে এখনো কাক্সিক্ষত সাফল্য আসেনি। একটি কাঁকড়া ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ডিম দিলেও এখনো শতকরা ১ ভাগও বাঁচিয়ে রাখা যাচ্ছে না।

হ্যাচারিতে কৃত্রিম উপায়ে প্রথম কাঁকড়া পোনা উৎপাদনে সক্ষম হন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। ২০১১ সালে কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের তৎকালীন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এনামুল হকের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক সাফল্য এলেও গত ৮ বছরেও এ নিয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসেনি।

এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের আরো নিবিড় ও ধারাবাহিক গবেষণার ওপর জোর দেন কাঁকড়া ও কুঁচিয়া চাষ প্রকল্পের তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ড. বিনয় কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, বিদেশে রপ্তানির প্রেক্ষিতে সমুদ্র উপকূলীয় জেলাগুলোতে কাঁকড়া চাষ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই কাঁকড়া পোনার চাহিদা মেটাতে অবশ্যই কৃত্রিম উপায়ে পোনা উৎপাদনে সাফল্য পেতে হবে।

Feb2

১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত মীমাংসা হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোটে অংশগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো দল মিলে এতবড় জোট গঠন হয়নি। আজকের এই ঐক্য একটি মডেল হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিবে। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসনে প্রার্থী দিবে।

জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বিডিপি ২টি, নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দিবে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের আসন কতটি সে বিষয়টি জানাননি ড. তাহের।

এছাড়া, এই জোটের বহুল আলোচিত দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন রেখে দিয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।

এদিকে, ১৬ জানুয়ারি বিকাল ০৩:০০ টায় ‘নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্বের খেলা শুরুর কথা ছিল। তবে কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটে’র অংশ হিসেবে আজ বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন তারা। ফলে বিপিএলে আজকের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়। তবে দিন শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছার কথা জানায় কোয়াব।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, নারী বিশ্বকাপ বাছাই ও চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও বিপিএলের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে কোয়াব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলির ওপর পড়তে পারে। বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।’

নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কোয়াব বলেছে, ‘বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

‘পাশাপাশি, পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।’

চট্টগ্রামে মনোরেল বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে মনোরেল বাস্তবায়নে সমন্বয় সভা

চট্টগ্রাম নগরের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসন এবং আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত এ সভায় নগরের ভৌগোলিক বাস্তবতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অংশ নেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট প্রজেক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি আমির হুমায়ুন, চট্টগ্রাম ট্রান্সপোর্ট ফিজিবিলিটি প্রজেক্টের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) রাকিব, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত, নির্বাহী প্রকৌশলী শাফকাত, আরব কন্ট্রাক্টরস ও ওরাসকম পেনিনসুলা কনসোর্টিয়ামের প্রধান প্রতিনিধি কাউসার আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রকৌশলী এবং জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম একটি পুরোনো ও ঘনবসতিপূর্ণ নগরী। এখানে পর্যাপ্ত প্রশস্ত সড়কের অভাব রয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়, খাল, বন্দর এলাকা এবং বিস্তৃত ইউটিলিটি লাইনের কারণে বড় আকারের জমি অধিগ্রহণ সামাজিকভাবে সংবেদনশীল ও বাস্তবায়ন জটিল। এ প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামের জন্য হালকা, নমনীয় এবং দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য রেলভিত্তিক গণপরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজন।

সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক নগরী। এখানকার যানজট নগরবাসীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। এ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের কার্যকর ভূমিকা ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে একটি প্রারম্ভিক স্টাডি চলমান রয়েছে। এই স্টাডির মাধ্যমে মনোরেল ছাড়াও অন্য কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা চট্টগ্রামের জন্য অধিক উপযোগী কি না, তা যাচাই করা হবে।