খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিশা-জায়েদ আবারও নেতৃত্বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৯, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
মিশা-জায়েদ আবারও নেতৃত্বে

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর। আর সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান।

শুক্রবার দিবাগত রাত ২ টায় নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন।

এতে সভাপতি পদে মিশা সওদাগর পেয়েছেন ২২৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ পেয়েছেন ২৮৪ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ইলিয়াস কোবরা পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও চিত্রনায়ক রুবেল। তাদের প্রাপ্ত ভোট যথাক্রমে ৩১১ ও ২৯৩।

সহ সম্পাদক পদে ২৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আরমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাংকোপাঞ্জা পেয়েছেন ৭১ ভোট। আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ২৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক ইমন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদ পেয়েছেন ১০৫ ভোট। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে জাকির হোসেন ২৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডন পেয়েছেন ১২২ ভোট।

কার্যকরী পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, পাশে তাদের প্রাপ্ত ভোট
অরুনা বিশ্বাস ৩১৫
অঞ্জনা ৩২৪
আফজাল শরীফ ২৯৩
আসিফ ইকবাল ৩১৪
আলেকজান্ডার বো ৩৩৭
জেসমিন ৩০৯
জয় চৌধুরী ৩০৩
নাসরিন ১৮১
মারুফ আকিব ২৭৩
রোজিনা ৩২০
কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদি নির্বাচনে তিন পদে বিনা বাধায় নির্বাচিত হয়েছে তিনজন।

তারা হলেন- সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুব্রত, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে জ্যাকি আলমগীর ও কোষাধ্যক্ষ পদে ফরহাদ।

এর আগে সকাল থেকে উৎসাহ উদ্দীপনায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিএফডিসি শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৮৬ শতাংশ। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ৪৪৯ জন। নির্বাচন কমিশনের সূত্রমতে, ভোট দিয়েছেন ৩৮৬ জন।

জয়ী হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় মিশা শওদাগর বলেন, এখন আমার প্রথম কাজ হবে ইশেতেহারে যা যা বলেছিলাম তার বাস্তবায়ন ঘটানো। সবার দোয়া ও ভালোবাসায় আবারও জয়ী হতে পেরেছি। চলচ্চিত্রের সব শিল্পী, কলাকুশলীসহ এফডিসিসহ সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পীরা যাতে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারে, আমরা সেই ব্যবস্থা করব। সবার কাছে দোয়া চাই।

Feb2

চট্টগ্রাম বন্দরে কোটি টাকার কনটেইনার ‘গায়েব’, গ্রেফতার ২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বন্দরে কোটি টাকার কনটেইনার ‘গায়েব’, গ্রেফতার ২

চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ড থেকে কোটি টাকার গার্মেন্টস কাপড় ভর্তি একটি কনটেইনার গায়েব হওয়ার ঘটনায় বন্দরের দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২০ মে) বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতাররা হলেন মিজানুর রহমান (৩৫) ও আবু সুফিয়ান (৪০)।

মিজানুর রহমান পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার উলুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চট্টগ্রাম বন্দরে উচ্চমান বহিঃসহকারী হিসেবে কর্মরত। আবু সুফিয়ান নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বন্দরের কিপ ডাউন এসসি-১৮৮ পদে কর্মরত।

পুলিশ ও বন্দর সূত্র জানায়, চীন থেকে আমদানি করা গার্মেন্টস কাপড় ভর্তি একটি ৪০ ফুট কনটেইনার গত বছরের ৪ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ২ এপ্রিলের মধ্যে কোনো একসময় বন্দরের জে আর ইয়ার্ড থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। কনটেইনারটির নম্বর টিসিএলইউ-৮৫৫৭৩০৪। এতে কয়েক কোটি টাকার কাপড় ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

গাজীপুরের মোয়াজউদ্দিন টেক্সটাইল লিমিটেড কনটেইনারটি আমদানি করেছিল। বন্দরে পৌঁছানোর পর সেটি জাহাজ থেকে খালাস করে ইয়ার্ডে রাখা হয়। পরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এস জামান অ্যান্ড ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড শুল্ককর পরিশোধ শেষে কনটেইনারটি খালাস নিতে গেলে সেটি আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা করা হয়।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রহিম বলেন, তদন্তে বন্দরের দুই কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এরপর তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভেতর থেকে একটি কনটেইনার উধাও হওয়ার ঘটনায় বন্দর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি জোরদার না হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও ঘটতে পারে।

দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
দেশের ইতিহাসে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এক নতুন ঐতিহাসিক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২০ মে) রাত ৯টায় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এর আগে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট, যা গত ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই অর্জিত হয়েছিল।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাধারণত সন্ধ্যার পর থেকে দেশের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ চাপ বা ‘পিক লোড’ তৈরি হয়। বিশেষ করে গরমের মৌসুমে আবাসিক খাতে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা এসির ব্যবহার ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা এভাবে বৃদ্ধি পায়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। তবে বাস্তব উৎপাদন মূলত জ্বালানি সরবরাহ, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও চাহিদার তারতম্যের ওপর নির্ভর করে।

খাতভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের সবচেয়ে বড় অংশটি আসে আবাসিক খাত থেকে। বাসা-বাড়ির ফ্যান, লাইট, এসি ও অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের জন্য এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়। এর পাশাপাশি শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপও উল্লেখযোগ্য। মোট ব্যবহারের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আসে শিল্প খাত থেকে, যার মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), টেক্সটাইল ও ভারী শিল্প অন্যতম।

এছাড়া বাণিজ্যিক খাত যেমন—মার্কেট, অফিস ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রায় ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় এবং বাকি অংশ কৃষি, সেচ কার্যক্রম, রাস্তার আলোসহ অন্যান্য জনসেবামূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।

চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন ডিসি জাহিদ

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম হিসেবে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার ৬ মাসপূর্তি উপলক্ষে আজ ২০ মে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

বিগত ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চট্টগ্রাম হিসেবে যোগদান করেন তিনি।

প্রেস কনফারেন্সে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের বিগত ছয় মাসের সার্বিক কর্মযজ্ঞের চিত্র উপস্থাপন করা হয়।

প্রেস কনফারেন্সে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার দায়িত্বে থেকে এখানকার মানুষের চাহিদা পূরণ করতে পারছি কি না, কিংবা আমাকে আরও কিছু করণীয় আছে কি না, তা জানতে সমাজের দর্পণ হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের পরামর্শ নিতেই এই প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন। এই দায়িত্বশীল জায়গায় মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আরও বেশি কার্যকরী ভূমিকা পালনের সুযোগ থাকবে। প্রত্যেক মানুষের মাঝে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, আমিও মানুষ হিসেবে তার ব্যতিক্রম নই। এ দেশ আমাদের, আপনাদের, সকলের। আপনারা চট্টগ্রামের মানুষকে যেভাবে ভালোবাসেন, ঠিক জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বে থেকে নিজেদেরকে শতভাগ উজাড় করে দিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে কাজ করতে চাই। বর্তমান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীতে জেলার সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জেলা প্রশাসক।

ডিসি বলেন, চট্টগ্রামে যোগদান করার পর থেকে জেলাবাসীর কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনারা আগামীতে কি ধরণের প্রশাসন চান, আপনাদের কি কি পরামর্শ আছে, আপনাদেরকে কতটুকু সেবা দিতে পারছি, কাজের যে ব্যাপকতা বাড়ছে, সামর্থ্যরে সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আরও কি কি করা দরকার-সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সার্বিক উন্নয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে নাগরিকের চাহিদা পূরণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান (উপসচিব), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মোঃ কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকতসহ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।