খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ার অজুহাতে স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯ এ ফোন করে থানা হাজতে ঘাতক স্বামী!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১:৫০ অপরাহ্ণ
পরকীয়ার অজুহাতে স্ত্রীকে হত্যার পর ৯৯৯ এ ফোন করে থানা হাজতে ঘাতক স্বামী!

নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এক দম্পতির বিবাহিত জীবনের নয় বছর পর স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে পাষণ্ড স্বামী। শুধু তাই নয়, হত্যার পর ৯৯৯ এ ফোন করে দম্ভ সহকারে পুলিশকে খুনের বর্ণনা দেন তিনি।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডাক্তার আব্দুল মাবুদের বাড়িতে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। খুন হয় ৩০ বছর বয়সী শারমিন সুলতানা রিনি। ঘাতক স্বামী আবদুর রহিম ঢেমশা ইউনিয়নের উত্তর ঢেমশা ৬নং ওয়ার্ড সিকদার পাড়ার রমজু মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আব্দুর রহিম ও শারমিনের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। খুন হওয়ার মাত্র তিন মাস আগেই মেয়েটির জন্ম দেন স্ত্রী নুসরাত। বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে রিনিকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করে আবদুর রহিম।

স্ত্রীকে খুন করার পর তার ছেলে ও মেয়েকে দুই দফায় ঘরের পাশে বোনের ভাড়া বাসায় রেখে আসে। পরে নিজেই ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে স্ত্রী হত্যার বিষয়ে জানায়।

ফোন পেয়ে পুলিশ ঘরের ভিতর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় আহত শারমিনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে রাত ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শারমিন মারা যায়। এদিকে স্ত্রী হত্যার স্বীকারোক্তি দিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করলে পুলিশ ঘাতক স্বামী আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করে।

নিহতের চাচাত ভাই ফরিদুল আলম বলেন, আবদুর রহিম একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। তিনি বিগত ৪ বছর ধরে রোয়াংছড়ি এলাকা থাকতেন। তিনি ওখানে টিউশনি করতেন। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনের সময় তিনি বাড়ি চলে আসেন।ফরিদুল আলম আরও জানান, আবদুর রহিম বাড়িতে ঠিকমত থাকতেন না। বিভিন্ন সময় তিনি গরুর গোয়াল ঘরেও ঘুমাতেন।

জানা যায়, ৯ বছর আগে সাতকানিয়ার গোয়াজার পাড়া এলাকা থেকে ভালবেসে বিয়ে করে শারমিনকে। কিন্তু বিগত কয়েক মাস ধরে স্বামী আবদুর রহিম সব সময় তার স্ত্রী শারমিনকে পরকীয়ার অজুহাত এনে ঘরের ভিতরে রেখে বাইরে তালা লাগিয়ে রাখতেন।

স্ত্রীকে কোথাও বের হতে দিতেন না। এনিয়ে দুজনের মধ্যে পারিবারিক বিবাদ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার রাতে পারিবারিক কলহের জেরে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে শারমিনকে খুন করে আবদুর রহিম।

এ বিষয়ে সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, স্বামী আব্দুর রহিম তার স্ত্রীকে দা’ দিয়ে মাথা, গলা, ও কপালে কুপিয়ে জখম করে নিজেই ৯৯৯ কল করে আত্মসমর্পণ করেছে।

ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম গিয়ে রক্তার্ত অবস্থায় স্ত্রী শারমিনকে প্রথমে সাতকানিয়ার আশ শেফা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে স্ত্রী হত্যার সকল দায় স্বীকার করে নেওয়ায় আব্দুর রহিমকে থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষে মামলা দায়েরের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে জানালেন ওসি।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…