খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্দর কর্তৃপক্ষ খেয়াল খুশি মতো লিজ দিয়ে সর্বনাশ করছে কর্ণফুলীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
বন্দর কর্তৃপক্ষ খেয়াল খুশি মতো লিজ দিয়ে সর্বনাশ করছে কর্ণফুলীর

২৪ ঘণ্টা ডেস্ক: সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশবিদরা কর্ণফুলীকে বাঁচাতে সমস্ত অবৈধ স্থাপনা জরুরী কর্ণফুলী নদীর বন্দর শাসিত এলাকা হালদা মোহনা থেকে কর্ণফুলী মোহনা পর্যন্ত ১০ মাইল কর্ণফুলী রক্ষায় ২০১৪ সালে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তপক্ষ “স্ট্রাটেজিক মাস্টার প্ল্যান ফর চিটাগাং পোর্ট” শীর্ষক একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।


বিএস জরিপ অনুযায়ী কর্ণফুলী নদীর প্রস্থ ঠিক রেখেই সেই পরিকল্পনা করা হয়। বন্দরের স্বাভাবিক গতিশীলতা ও কর্ণফুলীর নাব্যতা রক্ষায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নের বিকল্প নাই। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্পকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের খেয়াল খুশী মতো নদী লিজ দিয়ে কর্ণফুলীর সর্বনাশ করেছে। বন্দর কর্তৃক নিজেদের ব্যবহৃত অংশে কর্ণফুলী নদী খনন, শাসন ও উভয়তীরে সীমানা প্রাচীর না দেয়ায় কর্ণফুলী স্বাভাবিক গতি প্রবাহ ধ্বংস হয়েছে। বিগত ২১ দিন ব্যাপী চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন কর্ণফুলী নদীর শাহআমানত ব্রিজ থেকে ফিরিঙ্গিবাজার মনোহর খালী পর্যন্ত কর্ণফুলী প্রস্থ জরিপ করেছে। উক্ত জরিপে কর্ণফুলীর দখল ও ভরাট হওয়ায় ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। বিএস সিট ও এডিবি বন্দর যৌথভাবে প্রণীত মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী কর্ণফুলীর প্রস্থ ধরে উক্ত জরীপ করা হয়।

জরীপে দেখা যায়, কর্ণফুলী ব্রিজ নির্মানের সময় এডিবি মাস্টার প্ল্যান ও বিএস সিট অনুযায়ী কর্ণফুলী দৈর্ঘ্য ছিল ৮৮৬.১৬ মিটার। আমাদের জরিপে দেখা যায়, শাহা আমানত সেতুর নিচে বর্তমানে কর্ণফুলী নদী ভাটার সময় প্রস্থ মাত্র ৪১০ মিটার। জোয়ারের সময় চর অতিক্রম করে ৫১০ মিটার পর্যন্ত জোয়ারের পানি আসে। ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেই অংশে কোন প্রকার নৌযান চলাচল করেনা। নদী ভরাট হওয়ায় শাহ আমানত সেতুর মাঝ পিলারের পাশে অঘোষিত একটি যাত্রী পারাপার ঘাট তৈরি করেছে স্থানীয়রা। জোয়ার ভাটার সময় লিংক রোড থেকে অর্ধ কিলোমিটার নদীর অংশ পায়ে হেটে যাত্রীরা ব্রিজের নিচে কর্ণফুলী নদীর মাঝখানে এসে সাম্পানে উঠে। চাক্তাই খালের মুখে এসে বিএস সিট ও এডিপি মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী নদীর প্রস্থ ৯৮২ মিটার। বাস্তবে ৫১০ মিটার নদী রয়েছে। এর পর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্মিত মেরিনার্স পার্ক এলাকায় কর্ণফুলীর প্রস্থ ৯৮১ মিটার। বন্দর কতৃপক্ষ বর্তমানে সেই অংশে খনন করেছে। খননের পর নদীর প্রস্থ দাড়িয়ে মাত্র ৮৫০ মিটার। এরপর ফিরিঙ্গি বাজার মোড়ে কর্ণফুলী নদীর প্রস্থ ৯০৪ মিটার। বর্তমানে বন্দর খনন করার পর সেখানে নদী আছে ৭৫০ মিটার। বাকি অংশ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ গাইড ওয়াল নির্মান করে চিরতরে বিলুপ্ত করে দিয়েছে।

পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, কর্ণফুলী ব্রিজের উত্তর অংশে ৪৭৬ মিটার কর্ণফুলী নদী ভরাট হওয়ায় জোয়ার ভাটার সময় সেখানে ব্যাপক নদীর স্রোত হয়। স্রোতের এই তীব্রতার চাপ কর্ণফুলীর দক্ষিণ প্রান্তে শাহ আমানত ব্রিজের সংযোগ সড়কের বর্ধিত অংশ ও দুই পিলারে পড়ছে। যা শাহা আমানত সেতুর জন্য বিপজ্জনক। বন্যা বা সাইক্লোন হলে শাহ আমানত ব্রিজের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজাখালী খাল ও চাক্তাই খালের মোহনা কর্ণফুলী সেতুর মাঝ বরাবর সংযুক্ত হয়েছে। বৃষ্টি বা নদীতে জোয়ারের উচ্চতা বাড়লে ছোট কর্ণফুলী অংশের প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়। যে কারণে চট্টগ্রাম নগরী থেকে চাক্তাই ও রাজাখালী খালে প্রবাহিত পানি নদীতে আসতে বাধা সৃষ্টি করে। এর ফলে চাক্তাই খাতুনগঞ্জ থেকে শুরু করে বহদ্দারহাট মোড় পর্যন্ত জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়। জরিপে প্রতিফলিত হয়, কর্ণফুলী ব্রিজের পশ্চিম পাশে রাজখালী খালের পাশে বেড়ামার্কেট বস্তি, রাজাখালী ও চাক্তাই খালের সংযোগস্থলে সোনালী মৎস আড়ৎ, চাক্তাই খালের পশ্চিম পাড় থেকে ফিরিঙ্গিবাজার পর্যন্ত মেরিন ফিশারিজ পার্ক সম্পূর্ণ কর্ণফুলী দখল করে গড়ে উঠেছে।

এডিবি মাস্টার প্ল্যানে এই সমস্থ মার্কেটের অস্থিত্ব নাই। সেখানে নদী দেখানো হয়েছে। বন্দরের স্বাভাবিক গতি প্রবাহ, কর্ণফুলী ব্রিজ রক্ষা ও চাক্তাই খাতুনগঞ্জসহ নগরীর বিস্তৃর্ণ এলাকা নিয়মিত প্লাবন থেকে রক্ষা করতে এবং কর্ণফুলীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ রক্ষা করতে এইসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে মেরিন সড়ককে কর্ণফুলীর তীর ধরে তা গাইড ওয়াল তৈরি করা জরুরি।

গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন। এতে কর্ণফুলী জরিপ কমিটির আহ্বায়ক নগর পরিকল্পনাবিদ সাদার্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত প্রো ভিসি অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার আলী আশরাফ তার গবেষণা উপস্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার ড. স্বপন কুমার পালিত, কর্ণফুলী গবেষক ড. মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী, জাইকা ও ডিএফআইডি পরিবেশ কনসালটেন্ট (সাবেক) অধ্যাপক নোমান আহমাদ সিদ্দিকী, সিনিয়র সাংবাদিক ও পরিবেশ সংগঠক আলীউর রহমান, সার্ভে কমিশনার স্থায়ী এডভোকেট বেলাল উদ্দিন, সার্ভেয়ার শৈবাল শর্মা।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা

Feb2

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।