খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের রামু আইটিসিতে অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপন করল আইওএম কক্সবাজার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারের রামু আইটিসিতে অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপন করল আইওএম কক্সবাজার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: কোভিড-১৯ মোকাবেলা করার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) কক্সবাজারে এই প্রথম অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপন করল।
জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থাটির এই নতুন উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টারের (আইটিসি) কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাতে এই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯-এ মারাত্মকভাবে আক্রান্তদের জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। এখন পর্যন্ত জেলার উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগের পাঁচটি অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট স্থাপিত হয়েছে।
রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইটিসিতে সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০ (বুধবার) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কক্সবাজার-৩ সংসদীয় আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এই অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট উদ্বোধন করেন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহজাহান আলী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
স্বাস্থ্যখাতে এই সহযোগীতার জন্য আইওএম-কে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথি সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল বলেনঃ “রামুবাসীর জন্য এই অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্ট একটি উপহারস্বরূপ। আমরা আশা করি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগীতার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের জন্য আইওএম এবং অন্যান্য উন্নয়ন সংস্থা আরো কাজ করবে।“
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শাহজাহান আলী বলেনঃ “কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এবং আইওএম-এর সমন্বিতভাবে কোভিড-১৯ মোকাবেলা কার্যক্রমে এই যৌথ প্রচেষ্টা অন্যতম। অক্সিজেন জেনারেটর প্ল্যান্টটি কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতিতে এই সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।“
রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত হওয়া অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্টটি কক্সবাজারে আইওএম অক্সিজেন প্রকল্পের অন্যতম একটি অংশ। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কোভিড-১৯-এ আক্রান্তদের চিকিৎসায় এই অক্সিজেন প্লান্টটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্টটি আইটিসিতে ৫০টি শয্যার অবিচ্ছিন্ন পাইপযুক্ত অক্সিজেন প্রবাহ সরবরাহ করবে। এই প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য প্রযুক্তিবিদ নিয়োগ এবং প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান গিওরগি গিগৌরি বলেনঃ “এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কক্সবাজারে স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের সহায়তা করার জন্য আমরা আমাদের সম্মিলিতভা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা অপরিহার্য এবং এই স্বাস্থ্য সুবিধা স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের সহায়তায় আমাদের প্রতিশ্রুতির আরেকটি প্রমাণ।“
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রনয় চাকমা, কক্সবাজারের সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি ডাঃ মোঃ আলমগীর, রামু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল কুমার বড়ুয়া এবং রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল অনুষ্ঠানের বক্তব্য প্রদান করেন।
এই অক্সিজেন জেনারেটর প্লান্টটির পাশাপাশি, আইওএম রামু ও চকরিয়া উপজেলার আইটিসিগুলোর কলেবর এবং সক্ষমতা বাড়াতে নানাভাবে সহযোগীতা করছে। এছাড়া ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই, অক্সিজেন সিলিন্ডার, স্যাম্পল কালেকশন যন্ত্রপাতিসহ নানাপ্রকার মেডিকেল সরঞ্জামাদি সরবরাহ অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত আইওএম এই আইটিসিগুলোর জন্য ৫,০০০টি ফেইস-শিল্ড; ১,০০০টি মেডিক্যাল কভারল; ১০,০০০টি সার্জিক্যাল মাস্ক; ১,০০০টি এন৯৫ মাস্ক; ৩০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার; ৮টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর; ১০০টি অক্সিজেন ফেইসমাস্ক এবং ৫০টি পালস অক্সিমিটার সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া ২টি এক্স-রে মেশিন; ২০টি নেবুলাইজার মেশিন; ১০০টি হাই-ফ্লো ন্যাসাল ক্যানোলা এবং অন্যান্য পিপিই শীঘ্রই এই আইটিসিগুলো সরবরাহ করা হবে।
এছাড়া রামু ও চকরিয়ার দুইটি আইটিসিতে রোগী আনা-নেওয়ার জন্য একটি এ্যাম্বুলেন্স কক্সবাজারের সিভিল সার্জন অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত, রামু আইটিসিতে ২৪৩ জন রোগী (কোভিড-১৯-এ শনাক্ত ও সন্দেহভাজন) এবং চকরিয়া আইটিসিতে ১৯৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, এবং এই স্বাস্থ্যসেবাগুলিতে কয়েক হাজার মানুষকে কোভিড-১৯-এর শনাক্তের পরীক্ষা করা হয়েছে।
এছাড়া জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থাটি এই মহামারীর শুরু থেকেই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগীতার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের জন্য কাজ করে আসছে। আইওএম-এর মাইগ্রেশন হেলথ ডিভিশন চারটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে পুনর্গঠন করেছে যেখানে সেন্টিনাল স্যাম্পল সংগ্রহের পাশাপাশি আইসোলেশনেরও সুবিধা আছে। এছাড়া এ পর্যন্ত তিনটি এসএআরআই আইটিসির ২৩০টি শয্যার মাধ্যমে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কোভিড-১৯-এর সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখছে।
অপারেশনাল চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও আইওএম ২৪-ঘন্টা হটলাইন এবং ইন্টারেক্টিভ ভয়েস রেসপন্স (আইভিআর) প্রযুক্তির মাধ্যমে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত গুজব এবং ভুল তথ্য প্রতিরোধ করে জীবন রক্ষাকারী তথ্য সরবরাহ করছে। বিদ্যমান স্বাস্থ্যসেবা জোরদার ও উন্নত করা এবং কক্সবাজারে কোভিড-১৯-এর প্রভাব সীমিত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগীতা করা আইওএম-এর গুরুত্ব দেওয়া কার্যক্রমের মধ্যে অন্যতম।
আরো তথ্যের জন্যঃ তারেক মাহমুদ, ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার, ফোনঃ +৮৮০ ১৭৫২ ৩৮০ ২৪০; ইমেইলঃ tmahmud@iom.int
Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।