খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লোহাগাড়ায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন ৩ চেয়ারম্যান ও ১৯ মেম্বার প্রার্থী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ
লোহাগাড়ায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন ৩ চেয়ারম্যান ও ১৯ মেম্বার প্রার্থী

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ লোহাগাড়া সদর, আধুনগর ও আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিন চেয়ারম্যান ও ১৯ মেম্বারসহ ২২ প্রার্থী নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

আজ (৩ অক্টোবর) শনিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন করে তাঁরা নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। রিটার্ণিং অফিসার ও লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাদ্দাম হোসেন রোমান খাঁন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যাহার করে নেয়া তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন-লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের নুরুল হক নুনু, আমিরাবাদ ইউনিয়নে শামসুল ইসলাম ও মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম।

প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়া ১৯ মেম্বার প্রার্থীরা হলেন- লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নুরুচ্ছপা, ৯ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আবদুল আহাদ, আমিরাবাদ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ দাউদ, ৪ নং ওয়ার্ডের শাহাবুদ্দিন ও মোঃ গিয়াস উদ্দিন, ৫ নং ওয়ার্ডের মোঃ বাহাদুর, আশরাফ মিয়া ও আব্দুছ ছফুর, ৬ নং ওয়ার্ডের মোঃ হামিদ হোসেন চৌধুরী, ৭ নং ওয়ার্ডের তৌহিদুল ইসলাম ও ৯ নং ওয়ার্ডের এ.কে.এম নাজিম উদ্দিন, আধুনগর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মোরশেদ আলম, ৩নং ওয়ার্ডের বাদশা মিয়া, ৪ নং ওয়ার্ডের এরফানুল হক, ৫ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহমান, ৬ নং ওয়ার্ডের ফরিদুল আলম, ৭ নং ওয়ার্ডের রনি কান্তি দাশ, ৯ নং ওয়ার্ডের ছিদ্দিক আহমদ ও মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, লোহাগাড়ায় তিন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৮জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৩১ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ১৩৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আজ ৪ অক্টোবর রবিবার প্রতীক বরাদ্ধ এবং আগামী ২০ অক্টোবর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

২৪ ঘণ্টা/এম আর;আজাদ

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…