খুঁজুন
, ,

সাফল্য দেখানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিমলা পুলিশের ভুয়া তথ্য প্রচার!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2020, 12:32 am
সাফল্য দেখানোর জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিমলা পুলিশের ভুয়া তথ্য প্রচার!

নীলফামারী প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডিমলা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে কৃতিত্ব অর্জনের লোভে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার করে ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নের শুটিবাড়ী বাজার এলাকার ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমেদ খানের একমাত্র পুত্র সন্তান সিয়াম খান (১২) ও ডাবলু মৃধার ছোট ছেলে রাকিব মৃধা (১২) গত ২২সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে খেলার কথা বলে বেড়িয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়।

পরিবারের লোকেরা তাদের অনেক খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে পরেরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর ডিমলা থানায় সাধারণ ডায়েরি নং-৯৩৭,তারিখ ২৩/৯/২০২০ইং রুজু করেন।

এক পর্যায়ে সিয়াম না ফিরলেও শিশু রাকিব গত মঙ্গলবার(৬ অক্টোবর) সকালে একাই নিজ বাড়িতে ফিরে আসে। পরে তার পরিবার ডিমলা থানা পুলিশকে রাকিবের ফিরে আসার বিষয়ে অবগত করলে পুলিশ অপর নিখোঁজ শিশু সিয়ামের ব্যাপারে রাকিবের কাছে তথ্য নেয়ার কথা বলে তাকে থানায় ডেকে আনেন। রাকিবের বাবা সেদিন ঢাকায় থাকার সুবাদে রাকিবকে তার মা আনোয়ারা বেগম নিজেই বিকেলে থানায় নিয়ে আসলে তাদের সাথে নিয়ে ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম ও ওসি(তদন্ত) সোহেল রানা বেশকিছু ছবি ক্যামেরাবন্দী করেন। পরে রাতে ওই ছবি ও নাম-ঠিকানা সহ ডিমলা থানা নীলফামারী নামের একটি ফেসবুক পেজে এবং ওসি ডিমলা থানার ফেসবুক আইডি থেকে পোষ্টের মাধ্যমে শিশু রাকিব কে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অতি কষ্টে উদ্ধারের পর তার মায়ের নিকট বুঝিয়ে দেবার দাবি করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়।

ফিরে আসা শিশু রাকিবের মা আনোয়ারা বেগম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমার ছেলের মোবাইল ফোন নেই।সে নিখোঁজের ১৬দিন পর গত মঙ্গলবার সকালে একাই বাড়িতে ফিরে এসেছে। পরে পুলিশ রাকিবকে থানায় নিয়ে যেতে বলায় বিকেলে আমি তাকে সাথে করে থানায় নিয়ে গেলে সেখানে আমাদের ছবি তোলা হয়।একই কথা বলেন, শিশুটির বাবা ডাবলু মৃধা।

শিশু রাকিব বলেন, আমি মোবাইল ব্যবহার করিনা। আমি ও আমার বন্ধু সিয়াম দুজনে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ঢাকার এক বাড়িতে মাস্ক তৈরীর কাজ করতাম। আমি বাড়ি ফেরার কয়েকদিন আগে সিয়াম সেখান থেকে অন্যত্রে পালিয়ে যাওয়ায় ওই বাড়ির মালিক আমাকে ঢাকা থেকে ট্রেনে উঠিয়ে দিয়ে হাতে দুইশত টাকা ধরিয়ে দিয়ে পাঠিয়ে দেন।পরে ট্রেন এক স্থানে এসে থেমে যাওয়া(জায়গার নাম বলতে পারেনি)আমি গাড়িতে করে একাই বাড়িতে ফিরে আসি।

এ ব্যাপারে ডিমলা থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন,আমরা শিশুটির অবস্থান জানতে পেরে ঢাকায় লোক পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করি।এ ঘটনায় অপর নিখোঁজ শিশুকেও উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম/সুজন

Feb2
Feb2

পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:48 pm
পূর্ব বাকলিয়ায় ১০০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র

চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত নগরীর পূর্ব বাকলিয়া এলাকার ১০০০ অসহায় পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রবিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে পূর্ব বাকলিয়া চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ হতদরিদ্র প্রায় ১০০০ পরিবারের হাতে তিনি এসব খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। বিতরণকৃত খাদ্য তালিকার মধ্যে চাল, ডাল, পিয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় শুকনা খাবার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, জনগণের কল্যাণই আমাদের অঙ্গীকার। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করছি।বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের সব শ্রেণি পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সবার সহযোগিতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের দল। মানুষের সুখ দুঃখ, দুর্যোগ ও সংকটের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সেবার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় মশক নিধনে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মরহুম ছাবেদুল হক মেম্বার স্মৃতি সংসদের সভাপতি আজিজুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে ও মাহবুব সিদ্দিকীর পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর মো. তৈয়ব। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা শাহজাহান সিরাজ, আলি ইউসুফ, আব্দুল্লাহ আল সগীর, পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব আলী আজগর, বিএনপি নেতা সোলেমান সরদার, আলী আজগর, মো. আলমগীর, রৌশানগীর আমীন, কামরুন্নেসা, হাসানুল করিম, মোহাম্মদ সেলিম, আব্বাস আলী, কোহিনুর আক্তার, মো. শাকের, আবদুস সাত্তার, জিসান, সাজ্জাদ, ইমন, ইউনুস, জুনায়েদ, বোরহান, টিপু, নুরুল আবছার, মো. এরশাদ, আইমন, ইমরান, মো. সাকিন, রুস্তম আলী, মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:35 pm
দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে দ্রুত সম্পৃক্ত হতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 8:51 pm
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে দ্রুত সম্পৃক্ত হতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

“বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান, মানবতার হাত বাড়ান” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও গতিশীল, সমন্বিত ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), চট্টগ্রাম মহানগরের বন্যার্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক জনাব নাজিমুর রহমান। সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেন, বন্যার তাৎক্ষণিক সংকট অনেক এলাকায় কমতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। অনেক পরিবার এখনও ঘরবাড়ি, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জীবিকার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো পুনর্বাসন কার্যক্রমে দ্রুত সম্পৃক্ত হওয়া। মহানগর বিএনপির প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা মানবিক এই উদ্যোগে অংশ নিন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব বলে আমি বিশ্বাস করি।

সভায় নেতৃবৃন্দ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চলমান ত্রাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তথ্য সংগ্রহ, প্রয়োজন নিরূপণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। পাশাপাশি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে যাতে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব করা সম্ভব হয়।তাই পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল এবং শিহাব উদ্দিন মুবিন।