খুঁজুন
, ,

সলিমপুরে একশ একর সরকারী পাহাড় দখল করে বিক্রি করছে আবদুল মালেক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2020, 11:40 pm
সলিমপুরে একশ একর সরকারী পাহাড় দখল করে বিক্রি করছে আবদুল মালেক

কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি : সীতাকুণ্ড উপজেলার ১০ নং সলিমপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সমাদরপাড়া এলাকায় প্রায় একশ’ একর সরকারী পাহাড় দখল করে অবৈধভাবে বিক্রি করছে বি-বাড়িয়া জেলার নাছির নগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের জনৈক আবদুল মালেক নামের এক ব্যক্তি।

উক্ত সরকারী জায়গায় অবৈধভাবে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে প্রায় ২০ পরিবার। প্রশাসনিক নজরদারি না থাকায় আবদুল মালেক নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সরকারি এ পাহাড়ের মাটি কেটে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসতঘর তৈরি অব্যাহত রয়েছে। বেশ কয়েক বছর ধরে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে তারা। এতে প্রবল বর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। গত কয়েকদিন আগেও এখানে বসত ঘরের উপর একটি পাহাড় ধসে পড়ে, ভাগ্যক্রমে এতে কোন ধরণের হত্যহতের ঘটনা ঘটেনি।

সূত্রে জানা যায়, সমাদরপাড়া এলাকায় পাহাড়ের মাটি কেটে বসতঘর নির্মাণ ও বিক্রি অব্যাহত রেখেছে জনৈক আবদুল মালেক। প্রতি ৪ শতক জায়গা ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় হতদরিদ্র মানুষের কাছে বিক্রি করছে। সরকারি পাহাড়ের ঢালের মাটি কেটে সমান করে পাকা এবং টিন দিয়ে তৈরি করছে বসতঘর।

ভাটিয়ারী ইউনিয়ন ভুমি অফিস সূত্রে জানা যায়, এখানকার দখল করা জায়গাগুলো খাস জায়গা। সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সরকারী জায়গা দখল করে সেখান বসত বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। গত এক বছরে এই পাহাড়ে অন্তত ১৫টি নতুন বসতঘর তৈরি করেছে। এসব ঘরে বসবাস করছে ২০টি পরিবার। প্রশাসনিক তদারকি না থাকায় জ্যামিতিক হারে অবৈধভাবে পাহাড়ের ওপর ও ঢালে বসতি স্থাপন অব্যাহত রয়েছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে পাহাড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি পরিবারকে। কথা হয় এখানে বসবাস করা কয়েক জনের সাথে। তারা জানায়, আবদুল মালেক নামের এক ব্যক্তি থেকে তারা পাহাড়ে জায়গা কিনেছেন। দেখা যায় জনৈক আবদুল মালেক নিজেও বিশাল জায়গা নিয়ে নির্মাণ করেছে অট্টোলিকা। যেটাতে তিনি নিজে বসবাস করছেন পাশাপাশি অনেক ভাড়াটিয়াও দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে এখানে একটি বালুর পাহাড় ধসে পড়ে কয়েকটি বসত ঘরের ক্ষতি সাধন হয়।

এব্যাপারে ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাহাদাত হোসেন বলেন, মালেক একজন ভূমিদস্যু, সে দীর্ঘদিন যাবৎ সমাদরপাড়া এলাকায় প্রায় একশত একরের বেশী খাস জায়গা দখল করে তা বিক্রি করছে। এখানে পাহাড় কেটে যে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে তা অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে গত বছরও পাহাড় ধসে গর্ভবতী এক মহিলাসহ ৪ জন নিহত হয়। কয়েকদিন আগেও এখানে পাহাড় ধসে পড়ে ঘরের উপর।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা সামশ মোঃ লেনিন বলেন, সরকারী খাস জায়গা দখল করে নিন্ম আয়ের মানুষের কাছে ৩/৪ লাখ টাকা গন্ডা বিক্রি করছে। এখানে প্রশাসনের তেমন নজরদারী না থাকায় পাহাড়ে গড়ে উঠা বসত বাড়িগুলো মাদকের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এখানে রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। ছোট ছোট শিশু কিশোদের হাতে হাতে থাকে ইয়াবা,গাঁজা।

এদিকে পাহাড় দখল ও ধসে পাড়ার পেয়ে সরজমিনে পরিদর্শনে যান সীতাকুণ্ড উপজেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম। এসময় তিনি এখানকার বসবাসরতদের আগামী ১০ দিনের মধ্যে অন্যত্র সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

এব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা সরজমিনে গিয়ে দেখলাম সরকারী খাস জায়গা পাহাড় অবৈধ দখল করে অনেক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোন মূহুর্তে পাহাড় ধসে পড়তে পারে এবং হাতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে পরিবারগুলোর তালিকা তৈরী করা হবে। আমরা আপাতত তাদেরকে ১০ দিনের সময় দিয়েছি সরে যাওয়ার। এরপর আইনগতভাবে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।

এব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত আবদুল মালেকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।

ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:40 pm
ইভিনিং মার্কেটের মাধ্যমে হকার সমস্যার সমাধান করা হবে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় ফুটপাত ও সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে মেয়র বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক দখল করে হকার ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ নাগরিকদের চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে হকারদের জীবিকা ও বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। এ কারণে শুধু উচ্ছেদ করে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, হকারদের জন্য পরিকল্পিতভাবে ইভিনিং মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় ও নির্ধারিত স্থানে হকাররা যাতে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন হকারদের জীবিকার সুযোগ অব্যাহত থাকবে, অন্যদিকে নগরীর ফুটপাত ও সড়কে নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে একটি শৃঙ্খলিত, পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো স্থাপনা বা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না। তবে হকারদের পুনর্বাসন ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, নগরীর ফুটপাত ও সড়ক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এগুলো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য। অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা কিংবা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনদুর্ভোগ তৈরি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চসিক ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। একদিকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে, অন্যদিকে উচ্ছেদ করা জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি থাকবে।

মেয়র আরও বলেন, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং নির্ধারিত জায়গা ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখলমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান মেয়র।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানসহ ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ।