খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সলিমপুরে একশ একর সরকারী পাহাড় দখল করে বিক্রি করছে আবদুল মালেক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
সলিমপুরে একশ একর সরকারী পাহাড় দখল করে বিক্রি করছে আবদুল মালেক

কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি : সীতাকুণ্ড উপজেলার ১০ নং সলিমপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সমাদরপাড়া এলাকায় প্রায় একশ’ একর সরকারী পাহাড় দখল করে অবৈধভাবে বিক্রি করছে বি-বাড়িয়া জেলার নাছির নগর থানার গুনিয়াউক গ্রামের জনৈক আবদুল মালেক নামের এক ব্যক্তি।

উক্ত সরকারী জায়গায় অবৈধভাবে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে প্রায় ২০ পরিবার। প্রশাসনিক নজরদারি না থাকায় আবদুল মালেক নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সরকারি এ পাহাড়ের মাটি কেটে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসতঘর তৈরি অব্যাহত রয়েছে। বেশ কয়েক বছর ধরে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে তারা। এতে প্রবল বর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। গত কয়েকদিন আগেও এখানে বসত ঘরের উপর একটি পাহাড় ধসে পড়ে, ভাগ্যক্রমে এতে কোন ধরণের হত্যহতের ঘটনা ঘটেনি।

সূত্রে জানা যায়, সমাদরপাড়া এলাকায় পাহাড়ের মাটি কেটে বসতঘর নির্মাণ ও বিক্রি অব্যাহত রেখেছে জনৈক আবদুল মালেক। প্রতি ৪ শতক জায়গা ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় হতদরিদ্র মানুষের কাছে বিক্রি করছে। সরকারি পাহাড়ের ঢালের মাটি কেটে সমান করে পাকা এবং টিন দিয়ে তৈরি করছে বসতঘর।

ভাটিয়ারী ইউনিয়ন ভুমি অফিস সূত্রে জানা যায়, এখানকার দখল করা জায়গাগুলো খাস জায়গা। সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সরকারী জায়গা দখল করে সেখান বসত বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। গত এক বছরে এই পাহাড়ে অন্তত ১৫টি নতুন বসতঘর তৈরি করেছে। এসব ঘরে বসবাস করছে ২০টি পরিবার। প্রশাসনিক তদারকি না থাকায় জ্যামিতিক হারে অবৈধভাবে পাহাড়ের ওপর ও ঢালে বসতি স্থাপন অব্যাহত রয়েছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে পাহাড়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করতে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি পরিবারকে। কথা হয় এখানে বসবাস করা কয়েক জনের সাথে। তারা জানায়, আবদুল মালেক নামের এক ব্যক্তি থেকে তারা পাহাড়ে জায়গা কিনেছেন। দেখা যায় জনৈক আবদুল মালেক নিজেও বিশাল জায়গা নিয়ে নির্মাণ করেছে অট্টোলিকা। যেটাতে তিনি নিজে বসবাস করছেন পাশাপাশি অনেক ভাড়াটিয়াও দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে এখানে একটি বালুর পাহাড় ধসে পড়ে কয়েকটি বসত ঘরের ক্ষতি সাধন হয়।

এব্যাপারে ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সাহাদাত হোসেন বলেন, মালেক একজন ভূমিদস্যু, সে দীর্ঘদিন যাবৎ সমাদরপাড়া এলাকায় প্রায় একশত একরের বেশী খাস জায়গা দখল করে তা বিক্রি করছে। এখানে পাহাড় কেটে যে ঘরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে তা অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে গত বছরও পাহাড় ধসে গর্ভবতী এক মহিলাসহ ৪ জন নিহত হয়। কয়েকদিন আগেও এখানে পাহাড় ধসে পড়ে ঘরের উপর।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা সামশ মোঃ লেনিন বলেন, সরকারী খাস জায়গা দখল করে নিন্ম আয়ের মানুষের কাছে ৩/৪ লাখ টাকা গন্ডা বিক্রি করছে। এখানে প্রশাসনের তেমন নজরদারী না থাকায় পাহাড়ে গড়ে উঠা বসত বাড়িগুলো মাদকের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। এখানে রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। ছোট ছোট শিশু কিশোদের হাতে হাতে থাকে ইয়াবা,গাঁজা।

এদিকে পাহাড় দখল ও ধসে পাড়ার পেয়ে সরজমিনে পরিদর্শনে যান সীতাকুণ্ড উপজেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম। এসময় তিনি এখানকার বসবাসরতদের আগামী ১০ দিনের মধ্যে অন্যত্র সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

এব্যাপারে তিনি বলেন, আমরা সরজমিনে গিয়ে দেখলাম সরকারী খাস জায়গা পাহাড় অবৈধ দখল করে অনেক ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। যা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোন মূহুর্তে পাহাড় ধসে পড়তে পারে এবং হাতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে পরিবারগুলোর তালিকা তৈরী করা হবে। আমরা আপাতত তাদেরকে ১০ দিনের সময় দিয়েছি সরে যাওয়ার। এরপর আইনগতভাবে তাদের উচ্ছেদ করা হবে।

এব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত আবদুল মালেকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…