খুঁজুন
, ,

মরহুম জাকেরিয়া চৌধুরী সমাজ মঙ্গলের বার্তাবাহক: নওফেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 24 October, 2020, 8:42 pm
মরহুম জাকেরিয়া চৌধুরী সমাজ মঙ্গলের বার্তাবাহক: নওফেল

শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি বলেছেন, চট্টগ্রামের প্রগতিশীল ও আওয়ামী ঘরানার বাতি শিখা প্রয়াত নেতাদের জীবনাচরণ না জানলে নতুন প্রজন্ম পরিশুদ্ধ হবে না। আজ যাঁকে আমরা স্মরণ করছি তিনি শুধু একজন রাজনীতিকই নন সমাজ মঙ্গলের বার্তা বাহক। অথচ আজ সমাজ দূষিত, মানবিকতা ভূলণ্ঠিত, এর দায় রাজনীতিকদেরই নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, সমাজ মঙ্গলে প্রযুক্তি ও উন্নয়নের চতুর্থ বিপ্লব চলমান, পাশাপাশি করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে সামান্য পরিত্রাণ পেলেও দ্বিতীয় তরঙ্গ আসার শংকা রয়েছে। এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় কোভিড-১৯ এর থাবা থেকে পূর্ব প্রতিরোধ হিসেবে আগাম সতর্ক থাকাও এক ধাপ এগিয়ে চলা।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মরহুম আলহাজ্ব ডা. এ.এম.এম জাকেরিয়া চৌধুরীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে আন্দরকিল্লাস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কে.বি.আবদুচ সাত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় ব্যারিস্টার নওফেল প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ডা. এ.এম.এম জাকেরিয়া চৌধুরীর স্মরণসভা পরিষদ এই সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্মরণ সভা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন ও আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

এছাড়া মরহুম জাকেরিয়া চৌধুরীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন- বিজয় মেলা পরিষদের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্দ ইউনুছ, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যাপক মঈনুদ্দিন সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ চৌধুরী সমশের, প্রবীন সাংবাদিক এম. নাসিরুল হক, ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, মুজিবুল হক সিদ্দিকী বাচ্চু, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইদ্রিস, কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ ফিরোজ, জামালখান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিরল এড. এম.এ নাসের, সাপ্তাহিক স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির, জামাল খান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভঅপতি আবুল হাসেম বাবুল, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক মাহিউদ্দিন বাচ্চু, সাবেক ছাত্র নেতা এম.আর আজিম, মোঃ সালাউদ্দিন, নুরুল আনোয়ার, হেলাল উদ্দিন, শওকত হোসেন স্বপন, ওয়াসিম উদ্দিন, ফরহাদুল ইসলাম রিন্টু, আবু মঈন সুমন, মেজবাহ উদ্দিন শিবলী, শেখ নাছির উদ্দিন, নাছির তালুকদার প্রমুখ।

ব্যরিস্টার নওফেল বলেন, রাউজান বিপ্লবীদের পবিত্র জন্মভূমি। এখানে সুর্যসেন জন্মগ্রহন করেছেন। এছাড়াও কুখ্যাত ফজলুল কাদের চৌধুরীও জন্মগ্রহণ করেছেন। ফকা চৌধুরী ও তার পুত্র সাকা চৌধুরী এই বিপ্লব তীর্থ রাউজানকে সন্ত্রাসিদের জনপদে পরিণত করেছিলেন। এর অনেক আগে থেকেই মরহুম জাকেরিয়া চৌধুরীর নেতৃত্বে রাউজানকে ঘিরে একটি গণতান্ত্রিক অসম্প্রদায়িক বলয় তৈরী হয়েছিলো। সেই পথে অনেকেই হেটেছেন। তাদের মধ্যে একজন সাথে ছিলেন মরহুম এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। আমার পিতা মহিউদ্দিন চৌধুরী সবাইকে সাথে নিয়ে এই চট্টগ্রাম নগরীকে সাজিয়ে ছিলেন। তবে তিনি একা নয়, একা মানে বোকা। এ কারণে বলি সকলেল সম্মিলিত সহযোগে এই নগরীর হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা যারা এমপি আছি তাদের প্রত্যক্ষ প্রনোদনায় চট্টগ্রামকে সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহ আন্তরিকতার সাথে একাত্তব হতে হবে। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন যে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তার সফলতায় আমাদের সকলকে আগামী মেয়র নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিমকে বিজয়ী করতে হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আমাদেরকে জাতীয় বীরদের সম্মান জানাতে হবে, তা নাহলে কোন বীর জন্মগ্রহণ করবেন না। আমরা যদি আমাদের সন্তানদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। তারা একদিন জাতীয় বীরে উদ্ভাসিত হবে। মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষনসহ নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আজ যে সামাজিক আন্দোলন চলছে। তার সফলতা নির্বর করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীদের রাজপথে থেকে জনগনের সাথে একাত্ব হওয়ার মাধ্যমে।

আসন্ন চসিক নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ডা. এম জাকারিয়া চৌধুরী মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এখন প্রয়োজন। রাজনৈতিক হতে হলে জনগণের অধিকার আদায়ে জীবন উৎসর্গ করতে হবে। তিনি জাকেরিয়া চৌধুরীর জীবনাচরণ অনুসরনের আহবান জানান।

মরহুম জাকেরিয়া চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে পরিবারের পক্ষ থেকে সকালে খতমে কোরআন, কবর জিয়ারত ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বাদে এশা দোস্ত কলোনী জামে মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।