খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমিরাতে প্রবাসী গরীবের ডাক্তার লুৎফুন্নাহার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
আমিরাতে প্রবাসী গরীবের ডাক্তার লুৎফুন্নাহার আর নেই

ওবায়দুল হক মানিক, আমিরাত থেকে : সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অগনিত দুঃস্থ, পীড়িত প্রবাসী বাংলাদেশীদের কাছে শেষ আশ্রয়, যিনি দীর্ঘ ৪০ বছর নিরলস চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন “গরীবের ডাক্তার” হিসেবে, সমিধিক পরিচিতি পেয়েছিলেন সেই দরদী মাতৃরূপীনি চিকিৎসক ডাঃ লুতফুন নাহার আজ রবিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯ টায় ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তাঁর ভাই ঢাকা থেকে জানিয়েছেন, আমিরাতের আবুধাবি সহ দেশে বিদেশে মরহুমার অগনিত পরিচিত জন, গুনগ্রাহী সহ সবার কাছে তাঁর বড় বোনের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

ঢাকার মানিকগঞ্জের মেয়ে ডাঃ লুৎফুন্নাহার সিলেট মেডিকেল থেকে এমবিবিএস করে ১৯৭৯ সালে সোজা চলে এসেছিলেন তাঁর প্রকৌশলী স্বামী সৈয়দ আহমদ মনসুরের কর্মস্থল আবুধাবিতে। চিকিৎসা সেবাকে মানবসেবার ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন তিনি। তাই আমিরাতে সরকারী চাকুরীর লোভনীয় হাতছানি থাকা সত্বেও প্রাইভেট ক্লিনিকে কাজ করাকেই বেছে নিয়েছিলেন। কারণ, তিনি দেখেছেন বৈধপথে এদেশে এসেও নানা কারণে কিছু প্রান্তিক পর্যায়ের বাংলাদেশী বিভিন্ন সময়ে অবৈধ হয়ে পড়েন যাদের সরকারী হাসপাতালে বৈধ আইডি/রেসিডেন্স পারমিট ছাড়া চিকিৎসা পাওয়া একরকম অসাধ্য ছিল।

সে সময় এসব অসহায় প্রবাসীর আশ্রয় ছিলেন ডাঃ লুৎফুন্নাহার। কেবল আবুধাবি না, দুবাই, শারজাহ, রাস আল খাইমাহ, ফুজাইরাহ থেকেও প্রান্তিক প্রবাসীরা ছুটে আসতেন তাঁর কাছে। ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা যে দেশেরই নাগরিক হন না কেন, দীন দুঃখী পীড়িত জন, পকেটে টাকা নেই, কিন্তু চিকিৎসা দরকার চলে গেছেন নিঃসংকোচে ডাঃ লুৎফুন্নাহারের চেম্বারে পেয়েছেন ফ্রী চিকিৎসা, ফ্রী ঔষধ এমনকি ফলমূল কেনার টাকাও। তাঁর এসব কীর্তি মুখে মুখে হাজারো মুখে ছড়িয়ে পড়েছে আমিরাতে। আর কে হবেন এমন ‘গরীবের ডাক্তার।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…