খুঁজুন
, ,

পরিবেশ বান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠানেই বিনিয়োগ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 29 October, 2019, 12:01 am
পরিবেশ বান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠানেই বিনিয়োগ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার খন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত বলেছেন, মানুষের বাসস্থান এবং শিল্প-কারখানা তৈরীতে পরিবেশ সম্মত ইট, সিমেন্ট-লোহা ব্যবহার সকলের কাম্য। কিন্তু এসব উপাদান আমাদের চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তাই বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ১০০ ভাগ পরিবেশ সম্মত ইট তৈরী করা সরকারের ভিশন ২০২১ এর একটি বৃহৎ উদ্যেগ।

সেই উদ্যেগকে সফল করতে পরিবেশ বান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠনেই বিনিয়োগ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি অর্থ বছরেই এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৬টি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে।

শুধু বিনিয়োগ করেই দায়িত্ব শেষ নয়, বিনিয়োগকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার, শিল্প প্রতিষ্টানের পন্য উন্নয়ন ও সরবরাহ পর্যন্ত তদারকি করছে। নয়তো এক সময় এসব প্রতিষ্ঠান ক্ষতির সম্মুখীন হলে রাষ্ট্রেরই ক্ষতি হবে।

তিনি সোমবার (২৮ অক্টোবর) ফটিকছড়ির শোভনছড়িতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে স্থাপিত ‘ফনিক্স সিরামিক্স এন্ড অটো ব্রিকস’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ইনফ্রাসট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেডের প্রধান অপারেশন অফিসার সগীর হোসাইন খান, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক এর ইভিপি, হেড অফ সিএমডি মো. জিয়াউল করিম, ফনিক্স সিরামিক্স এন্ড অটো ব্রিকস এর চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, এম.ডি সরোয়ার উদ্দীন চৌধুরী শাহীন, ফ্যাক্টরী প্রকৌশলী মং জিন, সমাজ কর্মী এস এম মাসুদুল আলম মাসুদ, মো. মহিউদ্দিন, ম্যানেজার মো. আজিজ প্রমুখ।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ বান্ধব অটো ব্রিকস এই প্রথম উত্তর চট্টগ্রামে এটি। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে এটি পুরোদমে উৎপাদনে যাবে। তখন কোন ধরনের হাতের স্পর্শ ছাড়াই এ কারখানায় দৈনিক ১ লক্ষ ৫০ হাজার পিস ব্রিকস উৎপাদন হবে। যা বিএসটিআই কর্তৃক স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারিত এবং বুয়েট কর্তৃক পরীক্ষিত, উন্নত মানের
নিখুঁত, দৃষ্টি নন্দন, সাইজ অনুযায়ী প্রতিটি ইট একই মানের হবে।

Feb2
Feb2

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 2:58 pm
দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রান

দলীয় স্কোর তিনশ পার হওয়ার পরপর ছোট্ট একটা ধস। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশের শক্ত জবাব যেন ম্লান হতে বসেছিল। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলেন। ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর দুজন মিলেই দিন শেষ করেছেন। অবশ্য দিনের শেষটা হয়েছে মিরাজের জীবন পেয়ে। নয়তো ছয় নয়, সাত উইকেট থাকত বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে!

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশঃ ৩৫১/৬ (মিরাজ ৩২*, হাসান ১৩*; তানজিদ ১০১, শান্ত ৮৪; স্টার্ক ২/৬৮, হ্যাজলউড ২/৬৮)
অস্ট্রেলিয়াঃ ১৯৮ (স্মিথ ৭১, হাসান ৬/৫৫); বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রানের।

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ৮০ ওভার শেষে নতুন বল হাতে পেয়ে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশকে ব্যাকফুটে ফেলেছিল। ১১ রানে বাংলাদেশ তিন উইকেট হারায়। তবে হাসান মাহমুদ একমাত্র অবশিষ্ট স্বীকৃত ব্যাটার মেহেদী হাসান মিরাজকে দারুণ সঙ্গ দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে লিড দেড়শ ছাড়িয়েছে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে তাদের লিড ১৫৩ রানের।

দিনের শুরুতে তানজিদ ও মুমিনুল হকের ১০২ রানের জুটিতে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। মুমিনুল ৪৯ রানে আউট হওয়ার পর শান্ত ও তানজিদ দলকে এগিয়ে দেন। ১৮৮ বলে চমৎকার সেঞ্চুরির পরপর তানজিদ মাঠ ছাড়লেও বাংলাদেশ বড় লিড নেওয়ার আভাস দিচ্ছিল। শান্ত ছিলেন সেঞ্চুরির কাছে। কিন্তু ৮৪-তে অধিনায়কের আউটের পর বিস্ময়করভাবে বড় ধাক্কা খায় সফরকারীরা।

৩ উইকেটে ২৯৭ রান করা বাংলাদেশ ৩০৮ রানে ৬ উইকেট হারায়। নতুন বলে ১১ রানে তাদের তিন ব্যাটারের পতন হয়। ক্রিজে একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার মিরাজ ও হাসান ১৪৭ বলে ৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে লিড বাড়াচ্ছেন।

এই জুটির আগে নতুন বল হাতে নেওয়ার দ্বিতীয় ওভারে জশ হ্যাজলউড শান্তকে স্টিভ স্মিথের ক্যাচ বানান। অজি পেসারের এক্সট্রা বাউন্সে বল তার ব্যাটের কানায় লেগে দ্বিতীয় স্লিপে ধরা পড়ে। ১২৬ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে ইনিংস সাজানো ছিল অধিনায়কের ১৬ রানের আক্ষেপে ভাসানো ইনিংস।

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে দলে জায়গা পাওয়া লিটন দাস ডাক মারেন। দলীয় স্কোর তিনশ পার হওয়ার পর মুশফিকের সঙ্গ ছেড়ে প্যাভিলিয়নে এই উইকেটকিপার ব্যাটার। স্টার্কের বলে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন লিটন। কিন্তু বল থিক এজ হয়ে ফের স্মিথের হাতে পড়ে। মুশফিক সেট হওয়ার আভাস দিলেও ফিরতে হয়। ৫৫ বলে ৩৬ রান করে প্যাট কামিন্সের শিকার হন তিনি। এবারও স্মিথের হাতে পড়ে বল।

৩০৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ার পর ক্রিজে একজোট হন হাসান ও মিরাজ। দাঁত কামড়ে ক্রিজে থাকার পণ করেছিলেন তারা। শেষ পর্যন্ত সফল তারা। প্রায় ২৫ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করলেন দুজনে। ৭৩ বলে ৩২ রানে মিরাজ ও ৭৬ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন হাসান। তার এমন প্রাচীর গড়া ইনিংসে বাংলাদেশ আরও বড় লিড নেওয়ার আশা করছে।

মার্নাস লাবুশেনের বলে ক্যামেরন গ্রিন নিচু ক্যাচ ধরতে পারেননি। বল মাটিতে না পড়লে মিরাজ তৃতীয় দিন নামতে পারতেন না। ৩২ রানে পাওয়া জীবনের সদ্ব্যবহার তিনি শেষ পর্যন্ত করতে পারবেন কি না সেটাই দেখার অপেক্ষা। আপাতত গ্রিনের হাত ফসকে মিরাজের উইকেট বেঁচে যাওয়ার সঙ্গেই দিনের শেষ ঘোষণায় বাংলাদেশ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে।

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডের বিষাক্ত গ্যাস ‘লিকেজে’ মৃত বেড়ে ৮

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 2:43 pm
সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডের বিষাক্ত গ্যাস ‘লিকেজে’ মৃত বেড়ে ৮

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 100?

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি জাহাজ ভাঙা কারখানায় লিক হওয়া বিষাক্ত গ্যাসে নিহতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ঘটনাস্থলে ৩ জনের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট ৮ শ্রমিক মারা গেলেন। ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড নামে ওই কারখানায় শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে এই ঘটনা ঘটেছে।

ইয়ার্ডে একটি জাহাজে হাউসকিপিংয়ের কাজ করার সময় গ্যাস লিক হয়েছে বলে জানা যায়। এতে অসুস্থ হয়ে পড়া শ্রমিকদের পাঠানো হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ (চমেক) আশপাশের নানা হাসপাতালে।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা আল মামুন প্রথমে ঘটনাস্থলে তিনজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছেন। পরে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি। চমেক হাসপাতালে আনার পর মারা গেছেন তারা। অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০ থেকে ১৫ জন।

মৃতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তারা হলেন, নাছির, মনছুর, রানা ও খোকন। এর মধ্যে নাছির ও মনছুর সম্পর্কে ভাই।

ঘটনার খবর পেয়ে চমেক হাসপাতালে এসেছেন ভাটিয়ারী এলাকার মো. মহিউদ্দিন। বোনজামাই মনছুরের খোঁজে এসে পান তার মৃতদেহ। তিনিই জানান, মনছুরের ছোট ভাই নাছিরও গ্যাসের বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন।

‘সকাল ৭ টায় দুই ভাই ঘর থেকে বের হয়ে কাজে যায়। ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে দুর্ঘটনার খবর আসে। ততক্ষণে সব শেষ। আমার বোনের দুই মেয়ে। এখম তারা কীভাবে চলবে জানি না’- বলছিলেন মনছুর।

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মাহবুবুল হাসান বলেছেন, ‘আমরা ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়েছি। তাদের মধ্যে কয়েকজন মারা গেছে শুনেছি।’

ঘটনাস্থলে এখন উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

ডজনে ১০ টাকা কমেছে ডিমে, আগের দামেই মাছ-মাংস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 11:45 am
ডজনে ১০ টাকা কমেছে ডিমে, আগের দামেই মাছ-মাংস

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। মাছের দাম একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে, তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

আজ (শুক্রবার) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ওজন ভেদে রুই ৩০০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাঙাশ মাছ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে ১৮০ কেজি বিক্রি হতো। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। আর তেলাপিয়া তো কয়েক মাসের ব্যবধানে ৬০ টাকা বেড়েছে। তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। আজ একটু বেড়েছে। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করে। সকালে মাছের এক দাম, আবার বিকেলে আরেক দাম থাকে।