খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের উন্নয়নে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের এগিয়ে আসতে হবে: কমান্ডার মোজাফফর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
দেশের উন্নয়নে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের এগিয়ে আসতে হবে: কমান্ডার মোজাফফর

চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফফর আহমদ বলেছেন, বাঙালি-বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা। অন্যায়, অবিচার, নির্যাতন, শোষণ, বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি কখনো মাথানত করেনি। বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস রক্তে রঞ্জিত ও বিভীষিকাময়। আজকের বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনেক এগিয়ে। যে মাতৃভূমিকে ভালোবেসে মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল সে আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারে না। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তে রঞ্জিত বাংলাদেশের উন্নয়নে সর্বাগ্রে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের এগিয়ে আসতে হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তারেক মাহমুদ চৌধুরী পাপ্পু বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির উপ পাট ও বস্ত্র বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তিনি এসব কথা বলেন।

নগরীর দারুল ফজল মার্কেটস্থ দলীয় কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির আহবায়ক শাহেদ মুরাদ সাকুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাজী মুহাম্মাদ রাজিশ ইমরানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি কমান্ডার মো শহীদুল হক চৌধুরী ছৈয়দ, সহকারী কমান্ডার সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. সরওয়ার আলম চৌধুরী মনি।

সংবর্ধিত অতিথি তারেক মাহমুদ চৌধুরী পাপ্পু বলেন, যে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার স্বপ্নে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল হাজার হাজার বীর বাঙালি সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণ জনগোষ্ঠীকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে তরুণরাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এখনকার তরুণরা হয়তো মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি কিন্তু তারাই যুদ্ধাপরাধারীদের বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তরুণ সমাজকে কোনো অদৃশ্য শক্তি যাতে বিপথে পরিচালিত করতে না পারে সে ব্যাপারে নীতিনির্ধারকদের সজাগ থাকতে হবে। প্রতিক্রিয়াশীলতা, উগ্র মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ রুখতে তরুণ সমাজকেই এখন অতন্দ্র প্রহরীর মতো অবতীর্ণ হতে হবে। এক কথায়, সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রধান বক্তা চৌধুরী ফরিদ বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, মানব উন্নয়ন সূচক ও অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি লাভ করছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে এখন সবাইকে অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে। তরুণদের স্বপ্ন দেখাতে হবে। তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার পথে সব বাধা অপসারণ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণকারী তরুণ সমাজ নিজ নিজ অবস্থান থেকে যত বেশি সক্রিয় হবে স্বপ্নের ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়তে জাতি তত আত্মবিশাসী হবে।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,খুলশী থানা কমান্ডার মোঃ ইউসুফ, চান্দগাও থানা কমান্ডার মোঃ কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, সদরঘাট থানা কমান্ডার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বন্দর থানা কমান্ডার মোঃ কামরুল আলম জতু, আকবর শাহ থানা ডেপুটি কমান্ডার নূর উদ্দিন,বীর মঈনুল হোসাইন, সাবেক কেন্দ্রীয় যুব লীগ নেতা জাহিদুর রহমান সোহেল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সজিব, মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, সদস্য মো আশরাফুল হক চৌধুরী, আবু শাঈদ মাহমুদ রণী, বিবি গুল জান্নাত, রিপন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মো সালা উদ্দিন,সাইকা দোস্ত, রাধা দেবী টুনটুন, জাবেদ পাটোয়ারী প্রমুখ।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

ছাত্রছাত্রীদের পাঠাভ্যাস তৈরি করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের কাজ করার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানাল, এ লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদসহ শিক্ষা, প্রাথমিক, গণশিক্ষা ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সরকারপ্রধান। এ সময় কর্মসূচিটি কীভাবে সারাদেশের পড়ুয়াদের মধ্যে বিস্তৃত করা যায়, সে বিষয়েও হয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাহেদ উর রহমান ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা।

এর আগে গত ৭ এপ্রিল তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন অধ্যাপক আবু সায়ীদ।

প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়লো ১১ পয়সা

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা অপরিবর্তিত রেখে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয়ের সভাকক্ষে এ সিদ্ধান্তর কথা জানান মন্ত্রী।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ৫৩ পয়সা। আর দূরপাল্লার পথে বাসভাড়া কিলোমিটারে ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা।

তিনি বলেন, ঢাকা এবং চট্টগ্রামের মধ্যে দূরপাল্লার গাড়িতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১১ পয়সা বেশি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তঃজেলার প্রতি কিলোমিটারেও বাড়ানো হয়েছে ১১ পয়সা।

মন্ত্রী বলেন, ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আজ থেকেই কার্যকর। শুধুমাত্র ডিজেল চালিত বাসের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। সিএনজিচালিত বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচিত হবে না।

জ্বালানি তেলের দাম কমে গেলে ভাড়াও আবার কমবে। তবে রেলওয়েতে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। এতে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়ে।

উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রেক্ষাপটে এর আগে সবশেষ ২০২২ সালে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল।

চট্টগ্রামে ওয়াসার লাইন খননের সময় মাটি চাপায় নিহত ২ শ্রমিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে ওয়াসার লাইন খননের সময় মাটি চাপায় নিহত ২ শ্রমিক

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে ওয়াসার সুয়ারেজ লাইন খননের সময় মাটি চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দু’জন।

আজ (বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল) ভোররাত ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ২ শ্রমিক হলেন রাকিব ও তুষার। তাদের বাড়ি দিনাজপুর জেলায়। আহতরা হলেন- সাগর ও এরশাদ।

ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চিনা হাইড্রো কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান আগ্রাবাদ অ্যাক্সেস রোডসহ নগরীর বিভিন্ন জায়গায় ওয়াসার সুয়ারেজ পাইপলাইন খনন করছে। গতকাল রাতে খননের সময় একটি স্থানে ৪ শ্রমিক গর্তে পড়ে মাটি চাপা পড়েন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ও স্থানীয় মানুষ প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তাদেরকে উদ্ধার করে। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুইজনকে ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়েছে।

এ ঘটনায় চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগে উত্তেজিত শ্রমিকরা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বলে জানা যায়। এসময় জরুরি বিভাগের কাচ ও আসবাব ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। পরে এ ঘটনার জেরে কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ভোর ৪টার দিকে আগ্রাবাদ অ্যাকসেস রোডের সিঙ্গাপুর মার্কেটের সামনে ওয়াসার পানির পাইপ বসানোর জন্য মাটি কাটার সময় চারজন শ্রমিক মাটি চাপা পড়েন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন।’

চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের স্যুয়ারেজ প্রকল্পের ট্রায়াল পিট করার কাজ চলছিল। গভীর রাতে কাজ করার সময় মাটি চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত ও দুজন আহত হয়েছে। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রোর কাজটি করছে। তাদের কাছে এক্সিডেন্ট রিপোর্ট চেয়েছি।’

নিহত দুই শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যরা এসেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে ক্ষতিপূরণ পায়, সে বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আমরা কথা বলছি। যদিও মৃত্যুর কোনো ক্ষতিপূরণ হয় না।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরুল আলম জানান, চার শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত দুজন ক্যাজুয়াল্টি ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।