খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীপাবলি উৎসবের আতশবাজির আগুনে ৭ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯, ১:৩২ অপরাহ্ণ
দীপাবলি উৎসবের আতশবাজির আগুনে ৭ জনের মৃত্যু

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব দীপাবলি উপলক্ষ্যে আতশবাজির আগুনে ভারতজুড়ে ৭ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

দিল্লির ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, রবিবার গোটা ভারতে আতশবাজির কারণে ৭ নিহতের কথা জানা গেলে শত শত মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দীপাবলির আতশবাজিকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। রোববার একদিনে শুধু দিল্লিতে তিন শতাধিক স্থানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আর সবগুলো ঘটনাতেই দিল্লির ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা (ডিএফএস) দক্ষতার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ বলছে, দিওয়ালি উপলক্ষ্যে আতশবাজির ঘটনায় ছত্তিশগড় রাজ্যের কোন্ডাগাঁও জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। উড়িষ্যার ভুবেনশ্বর জেলায় একজন দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সরকারি এক কর্মকর্তা আতশবাজির আগুনে পুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুর এলাকার কালীপুজোয় আতশবাজি পোড়ানোর সময় হঠাৎ একটি তুবড়ি ফেটে গেলে আদি দাস নামে ৫ বছর বয়সী একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মহরাষ্ট্রের সাংলি শহরে আতশবাজি থেকে সৃষ্ট আগুনে বেশ কিছু দোকান পুড়ে গেছে। আগুন ধরেছে অনেক ভবনে। গোটা দেশেই আতশবাজির ঘটনায় রাস্তার পাশে থাকা বিভিন্ন মুদি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের দমকল বাহিনী হাজার হাজার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মোকাবিলা করেছে। এসব অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

এনডিটিভি আরও জানায়, রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরের এক হাসপাতালেই আতশবাজিতে দগ্ধ হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৪৯৮ জন। যার মধ্যে ১০৮ জনের অবস্থা গুরুতর। এদের অনেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন। রোববার চেন্নাইয়ের এক সরকারি হাসপাতালেও ভর্তি হয়েছেন ৩১ অগ্নিদগ্ধ।

ওই হাসাপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এরা সবাই আতশবাজির ঘটনায় দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের আঙ্গুল মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে আর তাদের বেশিরভাগই তরুণ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…