খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক পীর হাবিবের বাসায় হামলার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০, ৯:১২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক পীর হাবিবের বাসায় হামলার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন

বাংলাদেশ প্রতিদিন’র নির্বাহী সম্পাদক, প্রখ্যাত সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের বাসায় বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘সাংবাদিক সমাজ, সিলেট’র উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে সিলেটের সকল শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে ন্যাক্কারজনক এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, পীর হাবিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ, দেশ ও মানুষের পক্ষে বিরামহীন লিখছেন। সাম্প্রদায়িক শক্তি, রাষ্ট্রদ্রোহী ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারীদের বিরুদ্ধে তার লিখনী সবসময় সোচ্চার। তার ক্ষুরধার লেখনীর কারণে তিনি এর আগেও বহুবার দুর্নীতিবাজ-লুটেরাদের চক্ষুশুলে পরিণত হয়েছেন। সত্য ও সুন্দরের পক্ষে তার লেখনী অব্যাহত থাকায় মহলবিশেষ গুজব রটিয়ে তার বাসায় ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। গুজব রটনার নেপথ্যের কুশীলবদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা গেলে এই হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটন সম্ভব হবে। তা না হলে এভাবে গুজব রটিয়ে আগামীতে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালাতে পারে ষড়যন্ত্রকারীরা। বক্তারা অবিলম্বে হামলা ও গুজব ছড়ানোর সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান।

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তাপস দাশ পুরকায়স্থের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ দিদার আলম নবেলের পরিচালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে রাজনৈতিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সিকন্দর আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ই ইউ শহীদুল ইসলাম শাহীন, সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফসার আজিজ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু, সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় সদস্য শামসুল আলম সেলিম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্তী, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক প্রনব কান্তি দে, এসিড সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুরেজ আবদুল্লাহ গুলজার, আওয়ামী লীগ নেতা প্রকৌশলী আতিকুর রহমান সুহেদ, করিম মিয়া, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম তুষার, ব্যবসায়ী নেতা মুনিম মল্লিক মুন্না, হোসাইন আহমদ, জেলা ফুটবল খেলোয়াড় কল্যান সমিতির সভাপতি রুবেল আহমদ নান্নু, সহ সভাপতি আজাদুর রহমান চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম জাকারিয়া শিপলু, জাতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা জামিল আহমদ দুলাল, রাহাত কবীর খালেদ, সিলেট জেলা ব্যাাডমিন্টন উন্নয়ন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির, যুবলীগ নেতা কবিরুল ইসলাম কবির, নুরুল ইসলাম সোহেল, ফজলুর রহমান জসিম, ইশতিয়াক আহমদ পিন্টু, জাকির আহমদ, ছাত্রলীগ নেতা হোসাইন মোহাম্মদ সাগর, ফারহান সিদ্দিকী, সারোয়ার হোসেন চৌধুরী, ফয়জুর রহমান ফয়েজ, রাফিউল করিম মাসুম, সাহান আহমদ, সৈয়দ হাসান শাহরীয়ার রফি, শেখ ইয়াহইয়া, সোহাগ রাজ, তরুণ উদ্যোক্তা শাকিল জামান, তামিমুল করিম হৃদয়, শিব্বির আহমদ প্রমুখ।
সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক আহবায়ক সালাম মশরুর, প্রেসক্লাব ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি আল আজাদ, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবীর, জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, সাবেক সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক উজ্জ্বল মেহেদী, দৈনিক সিলেটের ডাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহিদ, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন-ইমজা’র সিনিয়র সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক সজল ছত্রী, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মামুন হাসান, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র সিলেট জেলার আহŸায়ক বিলকিস আক্তার সুমি, সাংবাদিক দেবাশীষ দেবু, সৈয়দ রাসেল, সাদিকুর রহমান সাকী, মারুফ আহমদ, গুলজার আহমদ, প্রত্যুষ তালুকদার, কাইয়ূম উল্লাস, মো. আজমল খান, নুরুল হক শিপু, সজল ঘোষ, ওলিউর রহমান, তুহিনুল হক তুহিন, আশরাফ চৌধুরী রাজু, ইউসূফ আলী, নূরুল ইসলাম, সাকিব আহমদ মিঠু, শফি আহমদ, শাহীন আহমদ, এসএম রফিকুল ইসলাম সুজন, কাইয়ুম আল রনি, আবদুল আহাদ, সাজলু লস্কর, এনামুল হক, সুলতান সুমন, রাশেদুল হাসান শোয়েব, সেলিম আহমদ, শেখ মো. লুৎফুর রহমান, শাহজাহান সেলিম বুলবুল, ইদ্রিস আলী, দিব্য জ্যোতি সী, মিঠু দাস জয়, মিলন আহমদ, মোকলেসুর রহমান, মোজাম্মেল হক, রেজওয়ান আহমদ, বাপ্পা মৈত্র প্রমুখ।

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।