খুঁজুন
, ,

ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে মনোনয়ন দৌড়ে দীর্ঘ লাইন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 November, 2020, 5:32 pm
ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে মনোনয়ন দৌড়ে দীর্ঘ লাইন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার বয়স প্রায় দেড় শত বছর। এত পুরাতন পৌরসভা হলেও পৌরবাসী তাদের আকাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অনেক হেভিওয়েট চেয়ারম্যান মেয়র পৌরসভার দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু পৌরবাসী তাদের নাগরিক সুবিধা সেভাবে পাইনি। বার বার তাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার বিস্তর ফারাক! ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসার পর এ জনপদের নেতা সাবেক মন্ত্রী ১৪ দলের সম্বন্বয়ক জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের প্রচেষ্টায় তৃতীয় শ্রেনী পৌরসভাকে দ্বিতীয় শ্রেণি এবং পরে প্রথম শ্রেনী পৌরসভায় উন্নিত হয়। তিঁনি পৌরসভা উন্নয়নে অনেক প্রকল্প অনুমোদন করার ব্যবস্থা করেন।
ইতিমধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ চলমান। একটি প্রথম শ্রেনী পৌরসভা হবার পরও এ পৌরসভায় একটি কমিউনিটি সেন্টার নেই। বর্জ্য ব্যবস্থা একেবারে শূন্যের কোঠায়। শহরে প্রধান সড়ক উন্নয়নে যে সমস্ত প্রকল্প নেয়া হয়েছে তা অপরিকল্পিত। যার ফলে দশ-পনের মিনিটের বর্ষায় শহরে ঘর বাসা বাড়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানিতে তলিয়ে যায়। অতি বর্ষনে শহরবাসীর দুর্দশা চরমে উঠে। আজ পর্যন্ত পৌরসভার বর্জ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ড্রাম্পিং স্টেশন নেই। পুরো শহরে ময়লা আর্বজনার স্তুপ চোখে পড়ে। এছাড়া শহর জুড়ে প্রয়োজনে চেয়ে দশগুন অটোরিক্সায় লেগেই থাকে যানজট। সুগন্ধা কোলঘেয়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা একমাত্র কসাইখানা পৌরবাসীর জন্য মরার ওপর খাড়ার ঘা। কসাইখানার আশেপাশে ঘনবসতি গড়ে উঠায় বাসাবাড়ীর বর্জ্য, পশুবজ্য মিলে সুগন্ধা নদীর পানি আজ বিষাক্ত হয়ে উঠছে।
এছাড়া বাসন্ডা খালও আজ দূষনের কবলে। এ বিষয়ে পৌরসভার কোন উদ্দ্যেগ লক্ষ্য করা যাইনি। এ শহরে একটি অডিটরিয়ামও নেই। কোন সভা, সেমিনার , সিম্পুজিয়াম করার সুযোগ নেই। আগামী পৌরসভা নির্বাচনে যিনি প্রার্থী হবেন এ সমস্ত চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে তাকে।
বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার প্রথমবারে মত দলীয় প্রার্থী হিসাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিঁনি নির্বাচনে যে সমস্ত অঙ্গীকার করেছেন, তিনি মনে করেন সেই অঙ্গীকার পুরন করতে পেরেছেন। তাছাড়া ঝালকাঠির রাজনৈতিক অভিভাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের কাছের মানুষ হিসাবে তিনি পরিচিত। তাই তিনি মনে করেন তাঁর কর্মকান্ডে দল পুনরায় মূল্যায়ান করবে। পুনরায় দলের মনোনয়ন পেলে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প কাজ সমাপ্ত করে পৌরসভা নগরিকদের নাগরিক সুবিধা উন্নয়নে সচেষ্ট থাকবেন।
বর্তমান মেয়র ছাড়া মেয়র পদের মনোনয়ন চাইবেন সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সরকারী কলেজের জিএস বর্তমান জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক দুইবারে ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির। যিনি জিএস জাকির নামে পরিচিত, তিনিও জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের কাছের লোক, স্নেহ ধন্য হিসাবে পরিচিত। বর্তমান মেয়র মহোদয় ছাড়া যারা মনোনয়ন চাইছেন প্রত্যেকে একটি কথা খুব জোর দিয়ে বলেছেন, পরিবর্তন চাই। তিনি মনে করেন দলের জন্য দুঃসময়ে মাঠে ময়দানে আন্দোলন-সংগ্রাম, জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়েছিল প্রিয় নেতা কাছে সব সময় সর্বোচ্চ বিশ্বস্তার পরিচয় দিয়েছেন। দলের প্রয়োজনে যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী গত নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসাবে মনোয়নের দাবী থেকে বর্তমান মেয়র মহোদয়ের জন্য ত্যাগ করেছি। সকল বিবেচনায় আমাকে দল ও প্রিয় নেতা বিবেচনা করবে।
মনোনয়ন দৌড়ে আরেকজন প্রার্থী ঢাকা মহানগর উত্তরের শ্রমিক লীগে সহ সভাপতি শাহী জর্দ্দা /৯৯ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উদ্ধোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, ঝালকাঠি নোটারীক্লাবের সভাপতি, বিশিষ্ট দানশীল সমাজ সেবক জনাব শামীম আহম্মেদ। তিনি ও তাঁর পরিবার শহরে গরীর দুঃখীদের নিরবঅনেক দান অনুদান করেছেন। স্কুল-কলেজসহ বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে সামনে থেকে মানুষকে ব্যপক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন আমাকে আমু ভাই যদি মনোনয়ন দেন আমি তাহালে নির্বাচনে প্রার্থী হব।
আরো একজন প্রার্থী মনোনয়ন সরাসরি না চাইলেও জোরালোভাবে বর্তমান মেয়র মহোদয়ের পরিবর্তন চায়। সেক্ষেত্রে দল যদি তাঁকে মনোনয়ন দেন, তিনি দলীয় প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। জেলা যুবলীগের নেতা ঝালকাঠি চেম্বারের অন্যতম পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমু ভাইয়ের স্নেহধন্য কাছের মানুষ জনাব মোঃ কামাল শরীফ। তিনিও পরিবর্তন চান।
বর্তমানে যিনি মেয়র আছেন তাঁকে ব‍্যতীত দল ও নেতা যাকে খুশী দিবেন। বর্তমান মেয়র মহোদয়ের পাঁচ বছরে দল জনগনকে সীমাহীন অবজ্ঞা বঞ্ছনার বিপক্ষে তাঁর প্রার্থীতা। সে ক্ষেত্রে দল যদি তাঁকে যোগ্য মনে করেন তবে তিঁনি দলীয় প্রার্থী হতে রাজি আছেন। এছাড়া শহরে গুঞ্জন আছে, শারমিন মৌসুমী কেকাও প্রার্থী হতে চান।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কে প্রার্থী হবেন, সব কিছুর জন্য শেষ ভরসা আশ্রয়স্থল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে যার উপর নেতা কর্মী চেয়ে থাকেন, যার সিদ্ধান্তের বাইরে কারো কোন বক্তব্য নেই। এ জনপদে একমাত্র নেতা সাবেক মন্ত্রী ১৪ দলের সম্বন্বয়ক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি। কে মনোনয়ন পাবে তার জন্য ঝালকাঠি বাসীকে আরো কিছুদিন সময় অপেক্ষা করতে হবে।
২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/আতাউর
Feb2
Feb2

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাতের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 2:51 pm
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাতের

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশার ওষুধ ছিটিয়ে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব নয়, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, নগরীকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে হলে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও যাতে পানি জমে মশার বংশবিস্তার না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোড়ের শান্তিনগর এলাকায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রামে ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতার কোনো বিকল্প নেই। এডিস মশা জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাসাবাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পানির পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ারসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে। নিজের ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

তিনি বলেন, মশক নিধন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে নাগরিকদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি। শুধু সিটি কর্পোরেশনের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে উদ্যোগী হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব।

মেয়র বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি কমাতে সিটি কর্পোরেশন নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে এসব কার্যক্রমের সুফল পেতে হলে নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোও জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বাকলিয়ায় আয়োজিত এ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নগরবাসীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিমুক্ত চট্টগ্রাম গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ খোরশেদ আলম, ইসমাইল বাবুল, মোহাম্মদ সেকান্দর, আবদুর রহিম, ফরিদুল হক লিটন, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক হাজী মোহাম্মদ ইমরান উদ্দিন, সদস্য সচিব মহিউদ্দিন মিজান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল কাদের, আরিফুল ইসলাম ডিউক, নাসরিন আক্তার প্রমুখ।

৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ চলছে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 1:05 pm
৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ চলছে: মেয়র

চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের পর নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আরও কয়েকটি মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে।

শনিবার কল্পলোক আবাসিক এলাকার ১ নম্বর খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কারকাজের উদ্বোধন এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কল্পলোক মডেল মসজিদ চত্বর মাঠ প্রাঙ্গণে কল্পলোক আবাসিক সমাজকল্যাণ সমিতি (১ম পর্যায়) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আমি অঙ্গীকার করেছিলাম, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তুলব। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হালিশহর এইচ ব্লক মাঠ, হালিশহর বহুরূপী মাঠ, ফিরোজশাহ মাঠ, হালিশহর এস ব্লক মাঠ (বি ব্লক সংলগ্ন) এবং হালিশহর বিডিআর মাঠসহ বেশ কয়েকটি মাঠ উন্নয়ন করে খেলার উপযোগী করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হালিশহর শিশু পার্ক মাঠ, হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ মাঠ, বাকলিয়া স্টেডিয়াম ও বাকলিয়া স্কুল মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডেও নতুন খেলার মাঠ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

খেলাধুলার সামাজিক গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং সুস্থ দেহ ও সুস্থ মন গঠনের অন্যতম হাতিয়ার। শিশু-কিশোর ও তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে মাদকাসক্তি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব। তাই প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ গড়ে তোলা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।”

তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ গড়ে তোলার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমাদের লক্ষ্য, খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তোলা।”

অনুষ্ঠানে কল্পলোক আবাসিক সমাজকল্যাণ সমিতি (১ম পর্যায়)-এর সভাপতি এম. আব্দু শুক্কুর সভাপতিত্ব করেন। এতে মুখ্য উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন লিপু, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা কল্পলোক আবাসিক এলাকার খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁরা বলেন, মাঠ ও পার্কের উন্নয়ন এলাকার শিশু-কিশোর, তরুণ এবং সাধারণ বাসিন্দাদের খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়াবে। পাশাপাশি এসব উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণ ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

কল্পলোকের খেলার মাঠ ও পার্ক সংস্কারের এ উদ্যোগ নগরীতে পরিকল্পিত উন্মুক্ত স্থান সম্প্রসারণ এবং নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে কল্পলোক আবাসিক সমাজকল্যাণ সমিতির (১ম পর্যায়) সভাপতি এম. এ. শুক্কুরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আবদুল্লাহ আল হারুন, অ্যাডভোকেট আজিজুল হক, আমির হক ও মোহাম্মদ আবুল হোসাইন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আলী আকবর।

ভারতের দেওয়া ২৫০ রানের লক্ষ্যকে মামুলি বানিয়ে জিতল ক্যারিবীয়রা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 7:04 am
ভারতের দেওয়া ২৫০ রানের লক্ষ্যকে মামুলি বানিয়ে জিতল ক্যারিবীয়রা

লক্ষ্য ২৫০ রান। ১৮ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৪০। ভারতের বিপক্ষে রাঁচিতে দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে জয় পেতে শেষ দুই ওভারে ক্যারিবীয়দের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১০ রান। একই ব্যবধান ছিল সেঞ্চুরি থেকেও দূরত্বে থাকা অধিনায়ক শাই হোপের। অক্ষর প্যাটেলের করা ১৯তম ওভারের প্রথম ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতানোর পাশাপাশি শতকও পূর্ণ করেন তিনি।

অক্ষরের ওভারের প্রথম বলটি ডিপ মিডউইকেট দিয়ে সীমানাছাড়া করেন হোপ। পরের বলটি এক্সট্রা কাভারে ঠেলে দিলেও রান নেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক। তৃতীয় বলে ওয়াইড লং অন দিয়ে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি ও জয়—দুটিই একসঙ্গে উদ্‌যাপন করেন তিনি। মাত্র ৪৫ বলে শতক পূর্ণ করা হোপের দুর্দান্ত ইনিংসে ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটে জয় পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে ক্যারিবীয়রা। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে রান তাড়া করে জয়ের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহের লক্ষ্য অতিক্রম করার ঘটনা।

আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে রান তাড়ার বিশ্ব রেকর্ডের ম্যাচেও ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়ানে সেই রেকর্ড গড়েছিল তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৫৯ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে ম্যাচটি জিতেছিল স্বাগতিকেরা।

রাঁচিতে আজকের ম্যাচের শুরুতে অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের এমন দাপুটে জয়ের আভাস পাওয়া যায়নি। ভারতের পেসার মায়াঙ্ক যাদব প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই ক্যারিবীয়দের স্কোর ৫ রানে ২ উইকেটে নামিয়ে দেন। এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে সঙ্গে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ২৭ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন হোপ। পাওয়েল ১৩ বলে ২৪ রান করে ফিরলে ক্রিজে আসেন শেরফান রাদারফোর্ড।

রাদারফোর্ডকে নিয়ে পরের ৯ ওভারে ১২০ রান যোগ করেন হোপ। ৩৭ বলে ৭টি ছক্কায় ৮৪ রান করে রাদারফোর্ড যখন আউট হন, তখনও জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ৩৫ বলে ৭২ রান।

সেই চাপ সামলে শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন হোপ। রোমারিও শেফার্ডের সঙ্গে তাঁর জুটিতে মাত্র ২৬ বলে আসে ৭৪ রান। শেফার্ডও ছিলেন আক্রমণাত্মক; ১৩ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।

আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে এটি হোপের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তাঁর ৪৫ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছক্কায়। এর আগে গত বছর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন এই ক্যারিবীয় অধিনায়ক।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তোলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। ৪১ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি।

এ ছাড়া তিলক বর্মা ১৮ বলে অপরাজিত ৪৪, ঈশান কিষান ২২ বলে ৪৩ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৮ বলে ৪০ রান করেন। ভারতের বড় সংগ্রহও শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি হোপের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সামনে।