খুঁজুন
, ,

ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে মনোনয়ন দৌড়ে দীর্ঘ লাইন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 November, 2020, 5:32 pm
ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে মনোনয়ন দৌড়ে দীর্ঘ লাইন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার বয়স প্রায় দেড় শত বছর। এত পুরাতন পৌরসভা হলেও পৌরবাসী তাদের আকাঙ্ক্ষিত নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অনেক হেভিওয়েট চেয়ারম্যান মেয়র পৌরসভার দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু পৌরবাসী তাদের নাগরিক সুবিধা সেভাবে পাইনি। বার বার তাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার বিস্তর ফারাক! ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আসার পর এ জনপদের নেতা সাবেক মন্ত্রী ১৪ দলের সম্বন্বয়ক জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের প্রচেষ্টায় তৃতীয় শ্রেনী পৌরসভাকে দ্বিতীয় শ্রেণি এবং পরে প্রথম শ্রেনী পৌরসভায় উন্নিত হয়। তিঁনি পৌরসভা উন্নয়নে অনেক প্রকল্প অনুমোদন করার ব্যবস্থা করেন।
ইতিমধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ চলমান। একটি প্রথম শ্রেনী পৌরসভা হবার পরও এ পৌরসভায় একটি কমিউনিটি সেন্টার নেই। বর্জ্য ব্যবস্থা একেবারে শূন্যের কোঠায়। শহরে প্রধান সড়ক উন্নয়নে যে সমস্ত প্রকল্প নেয়া হয়েছে তা অপরিকল্পিত। যার ফলে দশ-পনের মিনিটের বর্ষায় শহরে ঘর বাসা বাড়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানিতে তলিয়ে যায়। অতি বর্ষনে শহরবাসীর দুর্দশা চরমে উঠে। আজ পর্যন্ত পৌরসভার বর্জ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি ড্রাম্পিং স্টেশন নেই। পুরো শহরে ময়লা আর্বজনার স্তুপ চোখে পড়ে। এছাড়া শহর জুড়ে প্রয়োজনে চেয়ে দশগুন অটোরিক্সায় লেগেই থাকে যানজট। সুগন্ধা কোলঘেয়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা একমাত্র কসাইখানা পৌরবাসীর জন্য মরার ওপর খাড়ার ঘা। কসাইখানার আশেপাশে ঘনবসতি গড়ে উঠায় বাসাবাড়ীর বর্জ্য, পশুবজ্য মিলে সুগন্ধা নদীর পানি আজ বিষাক্ত হয়ে উঠছে।
এছাড়া বাসন্ডা খালও আজ দূষনের কবলে। এ বিষয়ে পৌরসভার কোন উদ্দ্যেগ লক্ষ্য করা যাইনি। এ শহরে একটি অডিটরিয়ামও নেই। কোন সভা, সেমিনার , সিম্পুজিয়াম করার সুযোগ নেই। আগামী পৌরসভা নির্বাচনে যিনি প্রার্থী হবেন এ সমস্ত চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে তাকে।
বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার প্রথমবারে মত দলীয় প্রার্থী হিসাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিঁনি নির্বাচনে যে সমস্ত অঙ্গীকার করেছেন, তিনি মনে করেন সেই অঙ্গীকার পুরন করতে পেরেছেন। তাছাড়া ঝালকাঠির রাজনৈতিক অভিভাবক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের কাছের মানুষ হিসাবে তিনি পরিচিত। তাই তিনি মনে করেন তাঁর কর্মকান্ডে দল পুনরায় মূল্যায়ান করবে। পুনরায় দলের মনোনয়ন পেলে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প কাজ সমাপ্ত করে পৌরসভা নগরিকদের নাগরিক সুবিধা উন্নয়নে সচেষ্ট থাকবেন।
বর্তমান মেয়র ছাড়া মেয়র পদের মনোনয়ন চাইবেন সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সরকারী কলেজের জিএস বর্তমান জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক দুইবারে ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির। যিনি জিএস জাকির নামে পরিচিত, তিনিও জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয়ের কাছের লোক, স্নেহ ধন্য হিসাবে পরিচিত। বর্তমান মেয়র মহোদয় ছাড়া যারা মনোনয়ন চাইছেন প্রত্যেকে একটি কথা খুব জোর দিয়ে বলেছেন, পরিবর্তন চাই। তিনি মনে করেন দলের জন্য দুঃসময়ে মাঠে ময়দানে আন্দোলন-সংগ্রাম, জেল-জুলুম, হামলা-মামলার শিকার হয়েছিল প্রিয় নেতা কাছে সব সময় সর্বোচ্চ বিশ্বস্তার পরিচয় দিয়েছেন। দলের প্রয়োজনে যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে রাজী গত নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসাবে মনোয়নের দাবী থেকে বর্তমান মেয়র মহোদয়ের জন্য ত্যাগ করেছি। সকল বিবেচনায় আমাকে দল ও প্রিয় নেতা বিবেচনা করবে।
মনোনয়ন দৌড়ে আরেকজন প্রার্থী ঢাকা মহানগর উত্তরের শ্রমিক লীগে সহ সভাপতি শাহী জর্দ্দা /৯৯ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উদ্ধোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, ঝালকাঠি নোটারীক্লাবের সভাপতি, বিশিষ্ট দানশীল সমাজ সেবক জনাব শামীম আহম্মেদ। তিনি ও তাঁর পরিবার শহরে গরীর দুঃখীদের নিরবঅনেক দান অনুদান করেছেন। স্কুল-কলেজসহ বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে সামনে থেকে মানুষকে ব্যপক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন আমাকে আমু ভাই যদি মনোনয়ন দেন আমি তাহালে নির্বাচনে প্রার্থী হব।
আরো একজন প্রার্থী মনোনয়ন সরাসরি না চাইলেও জোরালোভাবে বর্তমান মেয়র মহোদয়ের পরিবর্তন চায়। সেক্ষেত্রে দল যদি তাঁকে মনোনয়ন দেন, তিনি দলীয় প্রার্থী হতে ইচ্ছুক। জেলা যুবলীগের নেতা ঝালকাঠি চেম্বারের অন্যতম পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমু ভাইয়ের স্নেহধন্য কাছের মানুষ জনাব মোঃ কামাল শরীফ। তিনিও পরিবর্তন চান।
বর্তমানে যিনি মেয়র আছেন তাঁকে ব্যতীত দল ও নেতা যাকে খুশী দিবেন। বর্তমান মেয়র মহোদয়ের পাঁচ বছরে দল জনগনকে সীমাহীন অবজ্ঞা বঞ্ছনার বিপক্ষে তাঁর প্রার্থীতা। সে ক্ষেত্রে দল যদি তাঁকে যোগ্য মনে করেন তবে তিঁনি দলীয় প্রার্থী হতে রাজি আছেন। এছাড়া শহরে গুঞ্জন আছে, শারমিন মৌসুমী কেকাও প্রার্থী হতে চান।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কে প্রার্থী হবেন, সব কিছুর জন্য শেষ ভরসা আশ্রয়স্থল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে যার উপর নেতা কর্মী চেয়ে থাকেন, যার সিদ্ধান্তের বাইরে কারো কোন বক্তব্য নেই। এ জনপদে একমাত্র নেতা সাবেক মন্ত্রী ১৪ দলের সম্বন্বয়ক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি। কে মনোনয়ন পাবে তার জন্য ঝালকাঠি বাসীকে আরো কিছুদিন সময় অপেক্ষা করতে হবে।
২৪ঘণ্টা/এন এম রানা/আতাউর
Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।