খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ সাকিব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ সাকিব

অবশেষে গুঞ্জনটাই সত্যি হলো। জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক প্রস্তাব পেয়েও সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে না জানানোয় সাকিব আল হাসানকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টে বলা আছে, বাজিকরদের কাছ থেকে ম্যাচ বা স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে। না হয় আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থা- আকসুকে অবহিত করতে হবে। সে খবর নিজে লুকিয়ে রাখলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে। সাকিব তার কোনোটাই করেননি।

সাকিব মূলত এক বছর নিষিদ্ধ থাকবেন। পরবর্তী এক বছর স্থগিত নিষেধাজ্ঞায় থাকবেন। ওই এক বছরে সাকিব পুনরায় একই অভিযোগে অভিযুক্ত হলে সাকিবকে আবার শাস্তি দেবে আইসিসি।

আজ থেকেই সাকিবের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর মাঠে ফিরতে পারবেন তিনি। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝপথে ফিরতে পারবেন সাকিব।

আইসিসির ওয়েবসাইটে সাকিবের নিষেধাজ্ঞার এই সিদ্ধান্তটি জানানো হয়েছে। ম্যাচ ফিক্সিং-এর প্রস্তাব পাওয়ার পর সেটা গোপন করার অভিযোগে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়েছে।

আইসিসি বলছে, আগামী এক বছর তিনি খেলতে পারবেন না, কিন্তু তিনি যদি সাজার সব শর্ত মেনে চলেন তাহলে তিনি ২০২০ সালের ২৯শে অক্টোবর থেকে মাঠে ফিরে আসতে পারবেন।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ ও ২০১৮ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে দুর্নীতির প্রস্তাব দেয়া হয় সাকিব আল হাসানকে।

সাকিব সেটা যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ আইসিসির এ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে জানায়নি।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ বনাম কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের একটি ম্যাচে সাকিব দুর্নীতির প্রস্তাব পান।

আইসিসির বিবৃতি অনুযায়ী ২০২০ সালের ২৯শে অক্টোবর পর্যন্ত তার নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

এরপর তার স্থগিত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে যেখানে সাকিবকে সন্তুষ্ট করতে হবে যে তিনি আর অপরাধের পুনরাবৃত্তি করবেন না।

আইসিসির দেয়া বিবৃতিতে সাকিব আল হাসান বলেন, “আমি খুব দুঃখিত, আমার নিষেধাজ্ঞার জন্য। আমি খেলাটি ভালোবাসি, তবে আমার বিরুদ্ধে আনা দায় আমি মেনে নিয়েছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইসিসির যে অবস্থান সেখানে আমি আমার দায়িত্ব যথাযথ পালন করতে পারিনি।”

অ্যালেক্স মার্শাল, যিনি আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার, তিনি বলেন, ” সাকিব অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটার, সে অনেক প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, এটা তার দায়িত্ব ছিল এই প্রস্তাবগুলো রিপোর্ট করা।”

আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার আশা করছেন, সাকিব আর এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাবেন না এবং ভবিষ্যতে আইসিসির দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করবেন।

Feb2

৮৫০ কোটি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ডা. রবিউলের ছেলে রিয়াজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
৮৫০ কোটি আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার ডা. রবিউলের ছেলে রিয়াজ

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলায় পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতালের ডা. রবিউল হোসেনের ছেলে রিয়াজ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পাহাড়তলী থানা পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ পাহাড়তলী চক্ষু হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার রিয়াজ হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতের ওয়ারেন্ট রয়েছে। তার পিতাসহ কয়েকজন মিলে ৮৫০কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এমন অভিযোগে পাহাড়তলী থানায় মামলা রয়েছে।

পাহাড়তলী থানা সূত্রে জানা গেছে, অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত একটি বড় আর্থিক অনিয়মের মামলায় রিয়াজ হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় নেওয়া হয়েছে এবং মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কাল (আজ শুক্রবার) তাকে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

মামলার তদন্তে রিয়াজ হোসাইনের ভূমিকা ও আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গ্রেপ্তারের পর রিয়াজ হোসাইনকে পাহাড়তলী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে এবং আত্মসাৎকৃত অর্থের উৎস ও অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রিয়াজ হোসাইনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারির অন্তরালে থাকা আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসবে পুলিশ আশা করছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।

উত্তরায় ভবনে আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
উত্তরায় ভবনে আগুন লেগে তিনজনের মৃত্যু

রাজধানীর উত্তরার ১১ নং সেক্টরের ১৮ নং সড়কের ৭ তলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। ওই ভবন থেকে ১৩ জনকে উদ্ধার করে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরার ১১ সেক্টর-১১ নম্বরের ১৮ নম্বর সড়ক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এমন খবরে সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে উত্তর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। ফায়ার সার্ভিসের ইউনিটগুলো সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

আধাঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আর সকাল ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণভাবে নির্বাপণ করা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ওই বাসার ভেতরে থাকা তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ঘটনায় ১৩ জনকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাদের কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।