খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সড়ক সচেতনতায় এএসপি শামীমের ‘ভ্রাম্যমাণ ট্রাফিক স্কুল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
সড়ক সচেতনতায় এএসপি শামীমের ‘ভ্রাম্যমাণ ট্রাফিক স্কুল’

রাউজান প্রতিনিধি : রাস্তার পাশের সামান্য ফাঁকা জায়গায় ক্লাসের আয়োজন। শিক্ষার্থী হিসেবে জড়ো হয়েছেন আঠারোর তরুণ থেকে শুরু করে ষাট বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত নানান বয়সী মানুষ। বয়সের ভিন্নতা থাকলেও সবার মধ্যে মিল অবশ্য আছে একটা- তারা প্রত্যেকেই ট্রাফিক শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বিভিন্ন যানবাহনের চালক-চালকের সহকারী।

অভিনব এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তা চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (রাউজান -রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম।

উদ্যোগ গ্রহণ, পাঠ্যসূচি প্রণয়ন থেকে শুরু করে শিক্ষকতার ভূমিকাতেও তিনিই। ব্যতিক্রমী এই স্কুলে ভর্তি হবার প্রক্রিয়াও বিচিত্র। রাস্তায় ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পুলিশের হাতে ধরা পড়লে তবেই এই স্কুলে ভর্তির সুযোগ মেলে। যানজট সৃষ্টিকারী যানবাহনের চালক ও সহকারীদেরকে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বুঝিয়ে শ্রেণিকক্ষে (!) এনে হাজির করেন। অবশ্য ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ছাত্রদেরকে একটিমাত্র ক্লাসেই অংশগ্রহণ করতে হয়। এক থেকে দেড় ঘন্টাব্যাপী পরিচালিত সেই ক্লাসে ট্রাফিক শৃঙ্খলার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাতের পাশাপাশি দেওয়া হয় সড়ক সচেতনতাবোধের প্রাথমিক পাঠ। হাতেকলমে বুঝিয়ে দেওয়া হয় ট্রাফিক আইনের অতি প্রয়োজনীয় ধারা-উপধারা। ক্লাস শেষে থাকে পরীক্ষা এবং সেখানে ভাল ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য থাকে পুরস্কারেরও বন্দোবস্ত।

স্থানীয় ব্যক্তিদের নিকট খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত মাস দুয়েক ধরেই রাঙ্গুনিয়া সার্কেল এএসপির উদ্যোগে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের যানজটবহুল বিভিন্ন মোড়, বাজার, লোকালয়জুড়ে চলছে অভিনব এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম।

ভ্রাম্যমান ট্রাফিক স্কুলে এএসপি আনোয়ার হোসেন শামীম

শুধু বুঝিয়ে বেয়াড়া চালকদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কিনা- জানতে চাইলে এএসপি আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, এমন না যে আমরা শুধু বুঝাচ্ছি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মামলাও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গণহারে প্রায় সকল চালকের বিরুদ্ধে তো মামলা দেওয়া তো সম্ভব নয়। তাই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের পরিপূরক ব্যবস্থা হিসেবে আইন অমান্যকারী চালকদেরকে আমরা কাউন্সেলিং (উপদেশনা প্রদান) এর মাধ্যমে তাদের আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। এভাবে এই স্কুলের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত আমরা ৫ শতাধিক চালক/সহকারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি। নামে স্কুল হলেও এটি মূলত সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের একটি উদ্যোগ। ইতিবাচক এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মালিক ও চালকেরাও।

এ প্রসঙ্গে রোয়াজারহাট বাজার সিএনজি অটোরিকশা মালিক-চালক সমিতির সভাপতি নুরুল আজিম মনু বলেন, আমার দীর্ঘজীবনে পুলিশ প্রশাসনের এমন সুন্দর উদ্যোগ এই প্রথম দেখলাম। একটু সময় অপচয় হলেও এই ক্লাসে যেয়ে আমাদের চালকদের অনেক উপকার হচ্ছে। এএসপি সাহেবকে ধন্যবাদ যে, তিনি আমাদের ভালর কথা চিন্তা করে জয়েন (যোগদান) করার পর থেকেই দিনরাত রাস্তায় রাস্তায় কষ্ট করে যাচ্ছেন। পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগের সুফল ভোগ করছেন সাধারণ যাত্রীরাও।

আব্দুল করিম নামের বেসরকারি ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, আমি প্রতিদিন চট্টগ্রাম শহর থেকে অফিসের গাড়িতে যাওয়াআসা করি। যানজটের কারণে আগে যেখানে রাস্তায় এক ঘন্টারও বেশি সময় লেগে যেত, এখন ৩০/৩৫ মিনিটেই হয়ে যায়। চালকদের মধ্যেও দেখি আইন মানার প্রবণতা বেড়েছে। সবমিলিয়ে কাপ্তাই রোডের এই উন্নতি আমাদের মতো যারা নিয়মিত যাত্রী, তাদের জন্য অনেক স্বস্তির কারণ হয়েছে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের অসহনীয় যানজট দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চট্টগ্রামবাসীর মাথাব্যথার কারণ। রাস্তার ওপর যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামাসহ চালকগণ কর্তৃক ট্রাফিক আইন মেনে না চলার প্রবণতাই মূলতঃ এই যানজটের প্রধানতম কারণ। শুধু তাই নয়, এই সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের বেশিরভাগ চালক ট্রাফিক আইনের প্রাথমিক জ্ঞানটুকুও রাখেন না। অভাব রয়েছে সড়ক শৃঙ্খলা সম্পর্কিত সচেতনতাবোধেরও। চালকদের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে যানজটের পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনার হারও বাড়ছে দিনের পর দিন। এই ভ্রাম্যমাণ ট্রাফিক স্কুলের কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হলে তা সড়ক শৃঙ্খলা ফেরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ উত্তর চট্টগ্রামবাসীর।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…