খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“হালদা পাড়ে স্বপ্নের হাত ছানি” ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ ও সিসি ব্লক স্থাপনের বিশাল কর্মযজ্ঞ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
“হালদা পাড়ে স্বপ্নের হাত ছানি” ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ ও সিসি ব্লক স্থাপনের বিশাল কর্মযজ্ঞ

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: বিশ্বে একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী। হালদা নদীর উৎপত্তি পাহাড়ী অঞ্চলে হওয়ায় দু’পাড়ের মানুষ যুগ যুগ ধরে ভাঙ্গণ আতংকিত ছিল। সেই হালদা নদীর পাড়ে এখন স্বপ্নের হাতছানি। নদীর ভাঙ্গণ রোধে বসছে সিসি ব্লক। বন্যা প্ররোধে নির্মিত হচ্ছে ভেড়ী বাঁধ।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ১শ ৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে হালদা নদীর ফটিকছড়ি-হাহাজারী অংশে এবং তার উপ শাখা খাল ধুরুং এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে। ইতোমধ্যে ৫০% কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা।

সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, হালদা নদীর সমিতিরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ নিচিন্তাপুর, ধুরুং খালের মুখ, পেলা গাজির বাড়ি, আকবর শাহ বাড়ি, ছাদেক নগর, আরবানীয়া হালদা ব্রীজ এলাকায় দেখা গেছে ভেড়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ অনেক শেষ হয়েছে। সমিতিরহাট হাজির ঘাটা, রোসাংগীরি ইউনিয়নের শীলের হাট, নাজিরগাট পৌরসভার ফরহাদাবাদ, কুম্ভারপাড় এলাকায় সিসি ব্লক স্থাপনের বেশ কিছু স্পর্ট সম্পন্ন হয়েছে। সুন্দরপুর, আজিমপুর, সুয়াবিল, হারুযালছড়ি, পাইন্দং, ভুজপুর, নারায়ণহাট, হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ এলাকায এবং ধুরুং খালের ফটিকছড়ি পৌরসভার বিভিন্ন অংশে ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ ও সিসি ব্লক স্থাপনের কাজ চলছে।

দক্ষিণ নিচিন্তাপুর এলাকার কৃষিজীবি মো. পেয়ারুল ইসলাম জানান, ২০১৭-১৮ সালের বন্যায় তার পৈত্রিক ২বিঘার বেশী ধানী জমি ও একটি মুরগীর খামজর হালদা নদীতে তলিয়ে গেছে। এখন ভেড়ী বাঁধ দেয়ার কারণে পৈত্রিক ভিটা ভূমিটি রক্ষা হবে। আরবানীয়া সওদাগর বাড়ির বাসিন্ধা মোস্তাকিম টিটু জানান, বছর বছর হালদা নদী রাক্ষসী হয়ে বাপ-দাদার ভিটে মাটির শেষ চিহ্ন টুকু আছে। ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ ও সিসি ব্লক স্থাপনের কারণে নতুন আশায় বুক বেঁধেছি। ওই এলাকার রোজিনা বেগম স্বামী পরিত্যক্তা। ছোট ছোট ছেলে মেয়ে নিয়ে বাপের বাড়ীতে বসবাস করেন। রাক্ষসী হালদা একে একে তিন বার বাড়ি ঘর কেড়ে নিয়েছে। এখন প্রতিবেশীর পুকুর পাড়ে ঝুঁপড়ি ঘরে থাকেন। তিনি হালদার ভেড়ী বাঁধের পাশে একটু মাথা গুজার ঠাই চান সরকারের কাছে। রোসাংগীরি-সমিতিরহাট এলাকার হাজির পাড়া এলাকাটি সিসি ব্লক স্থাপনের পর একটি দর্শনীয় স্থানে পরিনত হয়েছে।

ওই এলাকার আশি বছর বয়ষ্ক নজেমা খাতুন জানান, হালদার থাবায় চার ছেলে চার এলাকায় চলে গেছে। তবুও আমি স্বামীর ভিটের শেষ চিহ্ন টুকু ধরে ছিলাম। সরকার ব্লক দিয়ে বাঁধ দিছে বলে ছেলেরা আবার এখানে ফিরতে চাইছে। নাজিরহাট কুম্ভার পাড় এলাকার আবদুল লতিফের বয়স শত ছুই ছুই। দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে জানান, হালদার ভাঙ্গণে নড়তে নড়তে জীবনের শেষ প্রান্ত। এখন দেখছি সরকারী লোকজন মাটি কাটছে, পাথর ব্লক করছে। দেখে স্বপ্ন দেখছি আবার। আশা করি ছেলে মেয়েদের আর নড়তে হবে না।

রোসাংগীরি ইউপি চেয়ারম্যান সোয়েব আল সালেহীন বলেন, হালদার ভাঙ্গণ এবং বাঁধ উপছে বন্যার কারণে প্রতি বছর যা উন্নয়ন কর্মকান্ড করি তা নষ্ট হয়ে যায়। এখন সেগুলো রক্ষা হবে। ফরহাদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিস মিয়া তালুকদকর বলেন, আমার এলাকায় কিছু ব্লক ধ্বসে পড়েছিল। এগুলো এখন তুলে পূণ স্থাপন করা হচ্ছে এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফটিকছড়ি পৌরসভার মেয়র মো. ইছমাইল হোসেন বলেন, আমার পৌর এলাকার বুক ছিড়ে বয়ে চলেছে ধুরুং খাল। পাউবোর বাস্তবায়িত প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হলে আতংকিত পৌরবাসী স্বস্থি পাবে।

নাজিরহাট পৌরসভার মেয়র মো. সিরাজুদৌল্লাহ বলেন, হালদা নদীর ভাঙ্গণ আর হালদার পুরাতন সেতু আমাদের দুঃখ। এখন ভাঙ্গণ রোধে সিসি ব্লক হচ্ছে, বেড়ী বাঁধ হচ্ছে। নিঃস্ব মানুষ গুলো নতুন করে স্বপ্ন দেখছে। সরকারের ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিশাল এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশন অফিসার মো. আরিফ উদ্দিন বলেন, পূর্ব মন্দাকিনী ও হাজির পাড়া এলাকার হালদা নদীর ভেড়ী বাঁধের কিছু সিসি ব্লক ধ্বসে পড়েছিল। ঠিকাদারী প্রতিষ্টান এগুলো নতুন করে করে দিচ্ছে। বাকি সাইড় গুলোর কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা বলেন, হালদা নদী ও ধুরুং খালে ভেড়ী বাঁধ নির্মাণ, সিসি ব্লক স্থাপনের কাজ প্রায় ৫০% শেষ। বাকি কাজ সম্পন্ন হলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে হালদা, ধুরুং খালের ভাঙ্গণে এবং বন্যায় যে পরিমান ক্ষতি হয় তা অনেকাংশে কমে যাবে।

২৪ঘণ্টা/এন এম রানা

Feb2

সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
সন্ত্রাসী ভাড়া করে ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে ছুরিকাঘাত

টেন্ডার নিয়ে বিরোধের জেরে ২০ হাজার টাকায় সন্ত্রাসী ভাড়া করে রাজধানীর মহাখালী জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনকে ছুরিকাঘাত করেছে বলে জানায় র‍্যাব।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানী কাওরানবাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ড. আহমদ হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় ৫ ভাড়াটে সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলায় তার হাত ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পরপরই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। র‍্যাব-১ ও সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে দক্ষিণখান থেকে শরিফুল আলম করিম, বাড্ডা থেকে আমিনুল ইসলাম কালু, সাজ্জাদ বদি, সালাউদ্দিনকে এবং আরিফুজ্জামানকে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতালের একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ওই দ্বন্দ্ব থেকেই ২০ হাজার টাকায় ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়োগ দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। এতে কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলেও জানায় র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, টেন্ডারকে ঘিরে বিরোধে জড়িত দুটি গ্রুপের মধ্যে একটি ‘রুবেলের ইএমই ট্রেডার্স’ এবং অন্যটি ‘মোনায়েম গ্রুপ’। এর মধ্যে রুবেল মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে এই হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। তার পক্ষে দেশে থাকা শরীফুল আলম করিমসহ অন্যরা কাজটি সম্পন্ন করেন।

র‍্যাব কর্মকর্তারা বলছে, মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হামলা চালানো হয়। হামলার ধরণ দেখে মনে হয় এটি হত্যার উদ্দেশ্যে নয়, বরং ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়, যা তদন্তে সহায়ক হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পেছনে থাকা মূল পরিকল্পনাকারী রুবেল বিদেশে অবস্থান করছে। তবে তিনি এই টেন্ডার কমিটিতে ছিলেন কিনা সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি র‍্যাব।

ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত জেরে হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিলি) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

এদিকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা এবং ভাগনে সবুজ রানা (২৫)।

পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, তার মেয়ের ননদ শিরিনা ও তার ছেলে সবুজ রানা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা তার মেয়ে ও জামাইকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নগর শাখার সদস্যদের মতামত বিবেচনায় এনে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নগর আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল নগরের দায়িত্বশীলদের সভা ছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী হিসেবে শামসুজ্জামান হেলালীর নাম ঘোষণা করেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি দলের পক্ষে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর পদের প্রার্থীর জন্য মহানগর কমিটি কাজ করছে। সেটি পরে ঘোষণা করা হবে।

শামসুজ্জামান হেলালী এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের কাছে তিনি পরাজিত হন।