খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বপ্নের প্রকল্প : চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২০, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
স্বপ্নের প্রকল্প : চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর

ফজলুর রহমান : ‘‘কি যে এক নতুন অনুভূতি, আমার চোখে পানি চলে আসছে, খুশিতে কান্না চলে আসার মতো অবস্থা আমার”-চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর পরিদর্শন করার সময় বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালনা (সচিব) হোসনে আরা বেগম, এনডিসি। ১৩ নভেম্বর সবুজ ক্যাম্পাসের উজ্বল আলোয় তিনি প্রকল্প স্থানে পা ফেলতে না ফেলতেই এমন অনুভূতির প্রকাশ ঘটান। এরপর বিশালাকার ইনকিউবেটর অবকাঠামো ঘুরে ঘুরে দেখে আরো মুগ্ধতা প্রকাশ করেন দেশের তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অন্যতম শীর্ষ পর্যায়ে থাকা এই ডায়নামিক ব্যক্তিত্ব। চুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমও অনেক স্বপ্নে গড়া এই প্রকল্পে পা রেখে নতুন আবেগে ভাসেন।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ নির্মিত হচ্ছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রথম ইনকিউবেটর – শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইকিউবেটর। যা বাস্তবায়ন হলে দেশের তথ্য-প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতৃন দিগন্তের উন্মোচন হতে পারে। ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রেও নতুন মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে।

এবার আমরা ইনকিউবেটরের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখি।

ইনকিউবেটর কি?
ইনকিউবেটর মানে আমরা সাধারণত বুঝি ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর যন্ত্র। কিন্তু এখানে না আছে ডিম না ফুটবে বাচ্চা। এইরূপ প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নতুন নতুন আইডিয়া, উদ্ভাবন বা গবেষণালব্ধ ফলাফলকে প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসে রূপান্তর ঘটানোর লক্ষে প্রারম্ভিক সহায়তা প্রদান করা। এর মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি হবে।

বিজনেস ইনকিউবেটর কি?
বিজনেস ইনকিউবেটর হ’ল একটি কর্মক্ষেত্র, যা একটি ছাদের নীচে সমস্ত প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আনুষাঙ্গিক সুবিধা নিশ্চিত করে স্টার্টআপ/ নতুন উদ্যোগকে সহায়তা করা হয়। ডেস্ক বা অফিস ছাড়াও, ইনকিউবেটরে প্রায়শই বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা, অর্থ সহায়তা , প্রশাসনিক সহায়তা, অফিস সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের গমনাগমনসহ আবাসিক সংস্থান থাকে।

ইনকিউবেটরের ইতিহাস

ইনকিউবেশন সংক্রান্ত কার্যক্রম সফলভাবে শুরু হয় সেই ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে Batavia Industrial Centre (BIC) এর মাধ্যমে। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১০ হাজার আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর রয়েছে। National Business Incubation Association (NBIA)-এর ২০০৫ সালের তথ্য মতে, কেবল উত্তর আমেরিকায় এসব ইনকিউবেটরের মাধ্যমে প্রায় ১০ মিলিয়ন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তি দেশ চীনে ৭০০ এর অধিক এবং ভারতে ৭০ এর অধিক ইনকিউবেটর রয়েছে।চীন ও ভারতে ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক ইনকিউবেটর স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। আইটি সেক্টরে নতুন নতুন সফল উদ্যোক্তা গড়ে উঠেছে। এটা বলা হয় যে, ইনকিউবেটরে ১ ডলার বিনিয়োগ করলে ৩০ ডলার আয় করা যায়।

চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর
দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সফল উদ্যোক্তা তৈরি, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চুয়েটের স্নাতকদের দক্ষ এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারদর্শী হিসেবে গড়ে তোলা এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশনকে আরো সম্মৃদ্ধ করার পাশাপাশি চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে বেগবান করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অধিকতর ভূমিকা রাখার নিমিত্তে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সর্বপ্রথম ইনকিউবেটর শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় ১২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারের একটি ড্রিম প্রকল্প হিসেবে এটাকে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এটার নির্মাণকাজ প্রায় শেষের দিকে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এর ২৬তম সভায় গত ০৬ জুন, ২০১৭ খ্রি. একনেক চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চুয়েটের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন প্রকল্পটির অনুমোদন দেন।

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় চুয়েট ক্যাম্পাসে ১০ তলা ভবনের মূল ইনকিউবেশন ভবন তৈরি হবে। যাতে গবেষণা কেন্দ্র, ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমি কোলাবরেশন জোন, আইডিয়া ডেভল্পমেন্ট জোন, ফুডকোর্ট, প্রদর্শনী কক্ষসহ আইটি কোম্পানির জন্য অত্যাধুনিক অফিস কক্ষ থাকবে। এছাড়াও একটি ৬ তলা বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস ভবনে অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরি, প্রশিক্ষণ কক্ষ এবং কনফারেন্স কক্ষ থাকবে। স্টার্টআপ কোম্পানিকে আবাসিক সুবিধা প্রদানের জন্য একটি পুরুষ এবং একটি নারী ডরমিটরি তৈরি হচ্ছে। ইনকিউবেটর স্থাপন প্রকল্পের আওতায় দুইটি বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য হলো:
১। চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক/ স্নাতকদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা প্রদান।
২। বিশ্ববিদ্যালয় এবং আইটি/ আইটিএস শিল্পের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা।
৩। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমের সংযোগ স্থাপন করা।
৪। ভৌত অবকাঠামো ও আনুসঙ্গিক সুবিধাদি তৈরি করা।

নামকরণ: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অনুমোদনক্রমে ‘চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের নাম “চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর” নামে নামকরণ করা হয়।

রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবল: এই প্রকল্পের মাধ্যমে আহরিত সম্পদের ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। এজন্য “চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাক্কালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং চুয়েট কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নান্তে আহরিত সম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য জনবল, অপারেশন এবং দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাধ্যমে চুয়েট কর্তৃপক্ষকে বাজেট বরাদ্দের কথা রয়েছে। প্রকল্পের ভৌত অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ, জনবল ও পরিচালন চুয়েটের বাৎসরিক আর্থিক বরাদ্দ হতে মিটানো হবে।

পরিচালক নিয়োগ: প্রকল্পের জন্য অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার লক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ জনবল কাঠামো গড়ে তোলা হবে। বর্তমানে এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হলেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের যুগ্মসচিব সৈয়দ জহুরুল ইসলাম। ইনকিউবেট পরিচালনার জন্য চুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক, বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক-কে পরিচালক পদে সাময়িকভাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। সার্বিক তদারকিতে আছেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক (অপারেশন এন্ড মেইন্টেন্যান্স) নরোত্তম পাল। এছাড়া নির্মাণ কাজ তদারকিতে আছেন চুয়েটের নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান।

প্রশিক্ষণ: প্রকল্পে আইটি বিষয়ে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরির জন্য অনুমোদিত ডিপিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি গ্রাজুয়েটদের আইটি সার্ভিস প্রফেশনালে রূপান্তর করার জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ডিপিপি’র বিবরণ অনুযায়ী চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার আইটি বিষয়ক শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল এবং এন্টারপ্রিনিউর হিসেবে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যে চুয়েটের ২৫০জন শিক্ষার্থীকে বিগডাটা, এআই, সাইবার নিরাপত্তা,ডাটা এনালেটিক্স, মেশিন সার্ভিং, ব্লকচেইন বিষয়ে দক্ষ প্রশিক্ষক দ্বারা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।এই কাজে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী এবং অভ্যন্তরীণ/ আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারক সম্পন্ন করে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য ডিপিপি-তে নির্দেশনা আছে।

গবেষণা: এখানে গবেষণার ক্ষেত্রে মাস্টার্স এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব প্রদান করতে হবে।গবেষণার ফলাফল হিসেবে প্রত্যেকটি গবেষণা প্রস্তাব হতে একটি স্বীকৃত জার্নালে প্রকাশনাসহ সেমিনার/ ওয়ার্কশপ করতে হবে। প্রকাশনার সময় অর্থায়নের উৎস প্রকাশনায় উল্লেখ করতে হবে এবং গবেষণা সমাপ্তিতে প্রেজেন্টেশন এবং গবেষণা সংক্রান্ত সব তথ্যাদি প্রকল্প অফিসে দাখিল করতে হবে। এরইমধ্যে ৭টি গবেষণা প্রকল্পে ৪৭ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলগুলোকে টেকসই এবং পণ্য হিসেবে রূপান্তর করার লক্ষে এগুলোকে ইনকিউবেটরে স্টার্টআপ হিসেবে গড়ে তোলাসহ অধিকতর সুবিধা প্রদান করা হবে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর সফলভাবে বাস্তবায়ন ও পরিচালনার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখতে সক্ষম হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেন্জ মোকাবেলা ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে চুয়েটের শিক্ষার্থীদের এই ভূমিকা রাখার মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তথ্য-প্রযুক্তির শিক্ষা-গবেষণায় “Center of Excellence” হিসেবে গড়ে উঠতে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

লেখক: প্রাবন্ধিক এবং সহকারী রেজিস্ট্রার, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…