খুঁজুন
, ,

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কোন ধরণের হুমকি সহ্য করা হবে না: রেজাউল করিম চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 21 November, 2020, 9:37 pm
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কোন ধরণের হুমকি সহ্য করা হবে না: রেজাউল করিম চৌধুরী

ধর্ম ব্যবসায়ী, উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী কর্তৃক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভাস্কর্য অপসারণের হুমকির প্রতিবাদে এবং হুমকিদাতাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে অপরাজেয় বাংলা, চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে শনিবার ২১ নভেম্বর বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সম্মুখে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে সংহতি জানিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,”জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কোন ধরণের হুমকি সহ্য করা হবে না। আজকে জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমস্ত মৌলবাদ ফ্যাসিবাদ ধর্মান্ধ শক্তিকে আমরা বাংলার মাটিতে চির তরে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম এদের কোন জায়গা বাংলাদেশে নাই। আমি আজকে তরুন প্রজন্মকে অহবান জানিয়ে যাব এসব মৌলবাদীদের কোন প্রকার ছাড় না দেওয়ার জন্য।

প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন অপরাজেয় বাংলা, চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন আহ্বায়ক, নগর যুবলীগের সদস্য নুরুল আনোয়ার এবং সঞ্চালনা করেন অপরাজেয় বাংলা, চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনি।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য জামশেদুল আলম চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ হাসান, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, অপরাজেয় বাংলা কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এইচ রহমান মিলু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমান্ত তালুকদার, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ.ন.ম মিনহাজুর রহমান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, টিভি জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও দীপ্ত টিভি বিভাগীয় প্রধান লতিফা আনসারী রুনা, সুচিন্তা চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক জিনাত সোহানা চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য মেজবাহ চৌধুরী মোর্শেদ, হেলাল উদ্দীন, শাখাওয়াত হোসেন স্বপন, সাবেক সদস্য আসহাব চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী নোবেল, কাজী রাজেশ ইমরান, ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিল পদপ্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা এমদাদুল হক রায়হান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমেন বড়ুয়া, উপ-সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগ সভাপতি নুরুন্নবী শাহেদ, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, মহানগর যুবলীগ নেতা জয় শংকর সরকার, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেত্রী ফারজানা আক্তার মিশু।

বক্তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কিছু ধর্ম ব্যবসায়ী বিরূপ মন্তব্য করছেন। তারা জানে না, ভাস্কর্য কী জিনিস, আর মূর্তি কী জিনিস। তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। জাতির পিতার এসব ভাস্কর্য দেখে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে জানবে। নতুন প্রজন্ম যখন এসব ভাস্কর্য দেখবে, তখন তারা বঙ্গবন্ধুকে জানবে। কীভাবে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে না জানলে তা জানা যাবে না।

এ ধর্ম ব্যবসায়ীরা আমাদের বাংলাদেশের সৃষ্টি সম্পর্কে জানতে দিতে চায় না। সেজন্য তারা ভাস্কর্যকে মূর্তি হিসেবে উপস্থাপন করে দেশে একটা অরাজকতা তৈরি করতে চায়। তারা জানে না এ ব্যবসা বাংলাদেশে বন্ধ হয়ে গেছে। জঙ্গিবাদের ব্যবসা বাংলাদেশে বন্ধ হয়ে গেছে। হিংসা বিদ্বেষ ও সন্ত্রাসের জায়গা ইসলামে নেই। ইসলাম শান্তির ধর্ম। অতীতেও ধর্মীয় শিক্ষাটাকে বিকৃত করে, ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিপথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

স্বাধীনতাবিরোধী, মৌলবাদীদের আস্ফালন দিন দিন বেড়ে চলেছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তারা যে হুমকি দিয়েছে, এটা ভয়ঙ্কর। এটার প্রতিবাদ না করলে অসাম্প্রদায়িক জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব একদিন বিপন্ন হবে। মৌলবাদীরা লালনের ভাস্কর্য ভেঙেছে। তাদের চাপে সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে ভাস্কর্য সরানো হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মূর্তি ভাঙছে তারা। মৌলবাদীদের আর কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবেনা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেতা এস.কে মাহমুদ হিরু, আব্দুর রাজ্জাক, হোসাইন আহমেদ রুবেল, খোরশেদ আলম, সৈয়দ রবি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এহেসান চৌধুরী রিমন, রেজাউল করিম রিটন, শাহাদত সালাম শাওন, হুমায়ুন কবির রানা, তানভীর মেহেদী মাসুদ, আবদুল্লাহ আল নোমান, এনামুল হক মানিক, মনির ইসলাম, মায়মুন উদ্দিন মামুন, আনোয়ার পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, নোমান চৌধুরী রাকিন, ইসতিয়াক শুভ, শিবলী রহমান।

Feb2
Feb2

চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 5:02 pm
চবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে ২০২৭ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এস. এম. আকবর হোছাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ (শুক্রবার)। ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৩০ জানুয়ারি (শনিবার)। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) এবং ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ৬ ফেব্রুয়ারি (শনিবার)।

এ ছাড়া ‘বি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ‘বি২’ উপ-ইউনিটের ৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) এবং ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভাগীয় শহরের একই তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ‘বি১’, ‘বি২’ ও ‘ডি১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে।

স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 4:57 pm
স্লিপার বাস বন্ধ হলে ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে

স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে পরিবহন খাতের প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকির মুখে পড়বে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতি। একইসঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ সদর দপ্তরে চেয়ারম্যান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাবু।

তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে দেশের মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচল করছে। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় এক হাজার স্লিপার বাস চলাচল করছে এবং এ খাতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। চালক, হেলপার, সুপারভাইজারসহ প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এ খাতের সঙ্গে জড়িত।

তৌহিদুল ইসলাম বাবু বলেন, দেশের পর্যটনকেন্দ্র ও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটে যাত্রীরা আরামদায়ক ও নিরাপদ ভ্রমণের জন্য স্লিপার বাস ব্যবহার করছেন। মহাসড়কে স্লিপার বাসের দুর্ঘটনার হারও তুলনামূলক কম।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ মহল ব্যবসায়িক স্বার্থে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে অভিযান পরিচালনা করাচ্ছে। অথচ এসব বাসের টিকিট বিক্রি, ভ্যাট-ট্যাক্স ও অন্যান্য খাত থেকে সরকার নিয়মিত রাজস্ব পাচ্ছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্লিপার বাসের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট বিচারাধীন রয়েছে। একইসঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকেও স্লিপার বাসের নকশা ও নিরাপত্তা বিষয়ক মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আদালতের রায় এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে হঠাৎ করে অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে, যা মালিকদের হয়রানির শামিল।

স্লিপার বাস বন্ধের পরিবর্তে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোনো ঘাটতি থাকলে সরকার গাইডলাইন দিক, আমরা তা মেনে চলব। কিন্তু হঠাৎ করে এই পরিবহনসেবা বন্ধ করে দিলে যাত্রীরা বিকল্প সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন, সরকার রাজস্ব হারাবে এবং হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বেন।

তিনি আরও দাবি করেন, স্লিপার বাসকে ‘ডাবল ডেকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা সঠিক নয়। এসব বাস একতলা কাঠামোর মধ্যেই বিশেষ নকশায় তৈরি করা হয়েছে এবং আকার-আকৃতিতেও অন্যান্য দূরপাল্লার বাসের সমতুল্য।

এ সময় মালিক সমিতির নেতারা সাংবাদিকদের স্লিপার বাসে ভ্রমণ করে এর নিরাপত্তা ও আরামদায়ক পরিবেশ সরেজমিনে দেখার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 3:04 pm
রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ নয়, পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতাই মূল বিবেচ্য বিষয় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থাকতে হবে।

এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নৌ ও বিমানবাহিনীর অবদানের জন্য বাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচনী পর্ষদের বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন।

একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত ও আহত সবার অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি।

পরে বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার এবং অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।