খুঁজুন
, ,

ভারতকে উড়িয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয় নিশ্চিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 29 November, 2020, 8:47 pm
ভারতকে উড়িয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয় নিশ্চিত

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেই দাপুটে জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিলো অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত হেরেছে ৫১ রানে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সবাই দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। ভারতের কোহলি-রাহুল লড়াই করলেও হার এড়াতে পারেননি।

সিডনিতে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বলের সাথে পাল্লা দিয়েই রান তুলছিলেন শিখর ধাওয়ান ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল। তবে কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। শ্রেয়াশ আইয়ারও আশা জাগিয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ভারতের পক্ষে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন দলীয় অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক। তবে তা কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

সফরকারীদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন কোহলি। তার ৮৭ বলের ইনিংসটির সমাপ্তি টানেন জস হ্যাজলউড। কোহলির ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছয়। অপরদিকে, সহ-অধিনায়ক রাহুল করেন ৬৬ বলে ৭৬ রান। অ্যাডাম জাম্পার শিকার হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৪টি চার ও ৫টি ছক্কা।

নির্ধারিত ৫০ ওভার খেলে ভারত সংগ্রহ করতে পারে ৩৩৮ রান। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে হ্যাজলউড ও জাম্পা ২টি করে এবং প্যাট কামিন্স ৩টি উইকেট শিকার করেন। তবে বাজে দিন গিয়েছে মিচেল স্টার্কের। ৯ ওভারে তিনি খরচ করেছেন ৮২ রান।

৫১ রানের এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিলো অস্ট্রেলিয়া। ফিল্ডিংয়ের সময়ে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার।

তার আগে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করে ৩৮৯ রান। অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটিতে ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ যোগ করেন ১৪২ রান। ৬০ রান করা ফিঞ্চকে আউট করে জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ শামি। ফিঞ্চের বিদায়ের পরে আর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকেননি ওয়ার্নারও। শতকের আশা জাগিয়েও ৮৩ রানে রান আউটে কাটা পড়েন তিনি। তার ৭৭ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা।

অপরপ্রান্তে প্রথম ম্যাচেরই পুনারাবৃত্তি করেন স্টিভ স্মিথ। প্রথম ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ৬২ বলে শতক হাঁকান তিনি। ভারতীয় বোলারদের উড়িয়ে স্মিথ খেলেন সব দৃষ্টি নন্দন শট। হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার হওয়ার আগে করেন ১০৪ রান। তার ৬৪ বলের ইনিংসটিতে ছিল ১৪টি চার ও ২টি ছক্কা। ফেরার আগে মারনাস লাবুশানের সাথে গড়েন ১৩৬ রানের জুটি।

স্মিথ বিদায় নিলেও অস্ট্রেলিয়ার রানের চাকা ঘোরায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। আজকেও ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ম্যাক্সওয়েল। ৬১ বলে ৭০ রান করে জাসপ্রীত বুমরাহের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন লাবুশানে। ম্যাক্সওয়েলের সাথে ৮০ রানের জুটি গড়েছিলেন তিনি।

৫০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া সংগ্রহ করেছে ৩৮৯ রান। ম্যাক্সওয়েল অপরাজিত থাকেন ৬৩ রানে। তার ২৯ বলের টর্নেডো ইনিংসে ছিল ৪টি করে চার ও ছক্কা।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৯ রান খরচ করেন বুমরাহ। এছাড়া শামি ৯ ওভারে ৭৩ রান, নবদ্বীপ সাইনি ৭ ওভারে ৭০ রান ও যুযবেন্দ্র চাহাল ৯ ওভারে ৭১ রান খরচ করেছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

অস্ট্রেলিয়া ৩৮৯/৪ (৫০ ওভার)
স্মিথ ১০৪, ওয়ার্নার ৮৩, লাবুশানে ৭০, ম্যাক্সওয়েল ৬৩*, ফিঞ্চ ৬০;
হার্দিক ১/২৪।

ভারত ৩৩৮/৯ (৫০ ওভার)
কোহলি ৮৯, রাহুল ৭৬, আইয়ার ৩৮, শিখর ৩০, হার্দিক ২৮, মায়াঙ্ক ২৮;
কামিন্স ৩/৬৭, হ্যাজলউড ২/৫৯, জাম্পা ২/৬২;

অস্ট্রেলিয়া ৫১ রানে জয়ী।

Feb2
Feb2

এমপির গলায় রামদা ধরে বাড়িসহ সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 August, 2026, 8:53 am
এমপির গলায় রামদা ধরে বাড়িসহ সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার গলায় রামদা ধরে বসতবাড়িসহ সম্পত্তির দলিল রেজিস্ট্রি করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এমপির স্ত্রী পারভিন আক্তার বাদি হয়ে তার তিন সৎ ভাইসহ আটজনের বিরুদ্ধে দিরাই আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জসিমের আদালতে মামলাটি করা হয়। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার প্রধান আসামিরা হলেন—নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সৎ ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক, মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন দিরাই উপজেলার মাতারগাঁওয়ের আমিরুল ইসলাম, পুরাতন কর্ণগাঁওয়ের ছয়ফুল চৌধুরী, দলিল লেখক মুজিবুর রহমান, তাজুল ইসলাম এবং মোহরার মমতাজ বেগম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাছির উদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ ও শারীরিকভাবে অক্ষম থাকার সুযোগে তার দুই স্ত্রী ও সন্তানদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পরিকল্পনা করেন আসামিরা। এরই অংশ হিসেবে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি দিরাই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দুই কর্মচারীকে কর্মকর্তা সাজিয়ে নাছির উদ্দিন চৌধুরীর বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে অসুস্থ নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে দলিলে স্বাক্ষর করতে বলা হলে তিনি অসম্মতি জানান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অসম্মতি প্রকাশের একপর্যায়ে আসামিরা নাছির উদ্দিন চৌধুরীর গলায় রামদা ধরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করেন। ওই সময় তার অপর স্ত্রী শেলী চৌধুরী বাধা দিতে গেলে তাকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় নাছির উদ্দিন চৌধুরীর এক সমর্থক ওয়াকিব হাসান সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি দেখে ফেললে তাকেও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এছাড়া ২০২২ সালের জানুয়ারিতে এমপির বাড়িতে গেলে স্ত্রী পারভিন আক্তার মারধর ও শ্লীলতাহানির শিকার হন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী পারভিন আক্তার সংবাদমাধ্যমকে জানান, নাছির উদ্দিন চৌধুরী স্ট্রোক করার পর যখন চরম অসুস্থ ছিলেন, তখন তার গলায় দা ধরে বসতবাড়িটি লিখে নেওয়া হয়। সংসদ সদস্য হওয়ার অনেক আগেই তিনি বাড়িটি তৈরি করেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। পরে স্বামী তাকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) দিলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সৎ ভাই মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক বলেন, ‘গলায় দা ধরে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ সত্য নয়। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মামলার বিষয়টি বিস্তারিত জেনে আমরা আইনিভাবেই তার মোকাবিলা করব।’

দিরাই আদালতের পেশকার মুহিত লাল চন্দ মিঠু মামলার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

নাছির উদ্দিন চৌধুরী দিরাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমানে সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘদিন ধরেই তার পরিবারের ভেতর সম্পত্তি নিয়ে সৎ ভাইদের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। সংসদ সদস্যের অসুস্থতাকে পুঁজি করে এ ধরনের ঘটনার অভিযোগ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:21 pm
হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্প‌ন ত্বরা‌ন্বিত করতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দূতের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:10 pm
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী।

দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।