খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা ভ্যাকসিনের ৩ কোটি ডোজ বিনামূল্যে সরবরাহ করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
করোনা ভ্যাকসিনের ৩ কোটি ডোজ বিনামূল্যে সরবরাহ করবে সরকার

কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে সরকার মাস্ক ব্যবহারে আরো কঠোর অবস্থান গ্রহণের পাশাপাশি জনগণকে ৩ কোটি ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে সরবরাহ করবে।

‘বিতরণ বিষয়ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গাইড লাইন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে যে ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হবে তা মানুষকে বিনামূল্যে প্রদান করা হবে,’ মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আজ বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে একথা বলেন।

এরআগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সচিব বলেন, কোভিড-১৯ সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলা ও ভ্যাকসিন সংগ্রহের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ মন্ত্রিসভাকে অবহিত করে।

তিনি বলেন, ‘গত ১৪ অক্টোবর সরকারের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহের অংশ হিসেবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত ‘অক্সফোর্ড আল্ট্রাজেনিকা’ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকারের কাছে ৩ কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব পেশের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সাথে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে সিরাম ইনস্টিটিউট।’

সচিব বলেন, ১৬ নভেম্বর অর্থবিভাগ ভ্যাকসিন কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব ও পাঠানো হয়েছে।’

এ সংক্রান্ত ক্রয় চুক্তির খসড়া প্রস্তুত হয়ে গেলেও চুক্তি সম্পাদন না হওয়া পর্যন্ত প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের মূল্য সম্পর্কে বলা যাবে না বলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি উল্লেখ করেন।

‘মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে আমরা আরো কঠোর একশনে যাব। অবশ্য ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন জেলা সদরে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে,’ বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ জরিমানা করার নির্দেশ দিয়েছি, তা না হলে আমরা আরো অন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তাও যদি জনগণ না শোনে তাহলে জেলেও যেতে হতে পারে। কেননা আমরাতো ঝুঁকি নিতে পারি না।’

তিনি বলেন, মোবাইল কোর্টগুলোকে ইনস্ট্রাকশন দিয়ে দেওয়া হয়েছে ফাইন করার পর উক্ত ব্যক্তিকে কাপড়ের মাস্ক দিয়ে দেওয়ার জন্য। যেন পরেও কয়েক বার পর্যন্ত সেই মাস্ক সে ব্যবহার করতে পারে।

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা, ২০২০’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী, জরুরি সেবার হটলাইন নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগে একটি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নামে একটি ইউনিট গঠিত হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কমপক্ষে ডিআইজি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হবেন।’

তিনি বলেন, ‘নীতিমালায় বলা হয়েছে, মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যদি দেয় তবে সেটাও দেখা হবে। দ-নীয় অপরাধ হিসেবে অভিহিত হবে। তবে, কেউ যদি চিট করতে চায়, ইচ্ছা করে যদি কিছু করে তাহলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। সেজন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রযোজ্য হবে। মিথ্যা তথ্য দেয়ার শাস্তি পেনাল কোডে আছে।’

সচিব বলেন, ‘কে কোথা থেকে ফোন করছে, সেটা টোটালি ডিটেক্টের ব্যবস্থা থাকবে। সুতরাং কেউ সহজে মিথ্যা রিং করতে যাবে না।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আরেকটি জিনিস হবে, আরও যে নম্বরগুলো আছে যেমন-৩৩৩, ১০৯- এগুলো সব ইন্টারঅপারেটিভ হয়ে যাবে। যে কোনোটায় ফোন করে যদি কেউ বলে এখানে ডাকাত পড়েছে, ওখানে অটোম্যাটিক্যালি কানেক্টেড হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজকে নির্দেশনা দিয়েছেন, এটা খুবই ইফেকটিভ করে দিতে হবে। মেইনলি তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের গাইডলাইনে এটা (জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কার্যক্রম) হয়েছে।’

এছাড়া,বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক অগ্রসরমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে প্রণীত পাঁচটি কৌশলপত্র সম্পর্কে মন্ত্রিসভাকে অবহিত করা হয়, বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…